৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৯৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৯৬১
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (মৃত্যুশয্যায় থাকাকালীন সময়ে) হুজরার পর্দা তুলে দিলেন। লোকেরা এ সময় আবূ বকর (রাঃ)-এর পিছনে সালাতের কাতারে দাঁড়ানো ছিল। তিনি বললেন, “হে লোক সকল! আর নবুয়তের ধারা অবশিষ্ট থাকবে না। তবে মুসলিমরা সত্যস্বপ্ন দেখবে অথবা তাদেরকে দেখানো হবে। সাবধান! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকু বা সিজদারত অবস্থায় কুরআন পাঠ না করি। তোমরা রুকু অবস্থায় মহান প্রভুর শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব বর্ণনা করবে এবং সিজদারত অবস্থায় অধিক দোয়া পড়ার চেষ্টা করবে, কেননা তোমাদের দোয়া কবুল হওয়ার উপযোগী।” হাদীসটি আবু বকর (রহঃ) حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ বলে রিওয়ায়াত করেছেন।
৯৬২
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজ কক্ষের পর্দা সরিয়ে দিলেন। এ সময় তিনি মৃত্যুশয্যায় ছিলেন। তাঁর মাথা (কাপড় দিয়ে) বাঁধা ছিল। তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! আমি কি তোমার বাণী পৌঁছে দিয়েছি?” এ কথা তিনি তিনবার বললেন। নবুওয়াতের সুসংবাদ (ধারা) আর অবশিষ্ট থাকবে না। তবে ভাল স্বপ্ন অবশিষ্ট থাকবে। নেক বান্দারা তা দেখবে অথবা তাদেরকে দেখানো হবে। হাদীসের পরবর্তী বর্ণনা সুফিয়ানের বর্ণনার অনুরূপ।
৯৬৩
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আলি ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে রুকু অথবা সিজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন।
৯৬৪
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে রুকু ও সিজদারত অবস্থায় কুরআনের আয়াত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন।
৯৬৫
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে রুকু ও সিজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। আমি বলছি না “তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন”।
৯৬৬
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আলী (রাঃ)
আমার প্রিয়তম (ﷺ) আমাকে রুকু ও সিজদায় কিরআত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন।
৯৬৭
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আলী (রাঃ)
নবী (ﷺ) আমাকে রুকু অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। উল্লেখিত সব রাবীই রুকুর কথা বলেছেন। তারা নিজ নিজ বর্ণনায় ‘সিজদার মধ্যে কুরআন পাঠ করা নিষেধ’ এরূপ কথা উল্লেখ করেন নি। যেমন, যুহরী, যায়দ ইবন আসলাম, ওয়ালিদ ইবন কাসীর এবং দাউদ ইবন কায়স নিজেদের বর্ণনায় এ নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করেছেন।
৯৬৮
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আলী (রাঃ)
উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে ‘সিজদায় কুরআন পাঠ করা নিষেধ’ এ কথার উল্লেখ নেই।
৯৬৯
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকুর মধ্যে কুরআন পাঠ না করি। এ সূত্রে আলীর নাম উল্লেখ নেই।
৯৭০
রুকু’-সাজদায় যা বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: বান্দার সিজদাহরত অবস্থায়ই তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ লাভের সর্বোত্তম অবস্থা (বা মুহূর্ত)। অতএব তোমরা অধিক পরিমাণে দোয়া পড়ো।