৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৮২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৮১১
মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন। এতে তাঁর শরীরের ডান পাশে আঘাত পেলেন। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় ইউনুস ও মালিকের বর্ধিত বর্ণনাটুকু নেই।
৮১২
মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অসুস্থ হলেন। সাহাবীদের কিছু সংখ্যক লোক তাঁকে দেখতে আসলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বসে বসে সালাত আদায় করলেন। তাঁরা তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে শুরু করলে তিনি তাঁদেরকে ইশারায় বললেনঃ তোমরা বসে যাও। তাঁরা বসে গেলেন। সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ অনুসরণ করার জন্যেই ইমাম নিযুক্ত করা হয়। সে যখন রুকুতে যাবে তোমরাও তখন রুকুতে যাবে। সে যখন মাথা উঠাবে তোমরাও তখন মাথা উঠাবে। সে যখন বসে বসে সালাত আদায় করবে তোমরাও বসে বসে সালাত আদায় করবে।
৮১৩
মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ)
উপরোল্লেখিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৮১৪
মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা তাঁর পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি বসে বসে সালাত আদায় করছিলেন। আবু বকর (রাঃ) লোকদেরকে তাঁর তাকবির জোরে শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি আমাদের দিকে খেয়াল করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পেলেন। তিনি আমাদের ইশারা করলেন। সে জন্য আমরা বসে গেলাম। আমরা তাঁর সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। সালাম ফিরানোর পর তিনি বললেনঃ তোমরা পারস্য ও রোমের (সাম্রাজ্যের) লোকদের মতোই করতে যাচ্ছিলে। তাদের বাদশাহ বসে থাকে আর তারা দাঁড়িয়ে থাকে। তোমরা কখনো এমন করো না। সবসময় তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করবে। সে যদি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। সে যদি বসে সালাত আদায় করে তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে।
৮১৫
মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে সালাত আদায় করালেন। আবু বকর (রাঃ) তাঁর পেছনেই ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তাকবির বললেন, আবু বকর আমাদেরকে শুনিয়ে জোরে তাকবির বললেন। ......হাদীসের অবশিষ্ট অংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ।
৮১৬
মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ ইমাম এজন্য নিযুক্ত করা হয় যে, তাঁর অনুসরণ করা হবে, তোমরা কখনো তাঁর উল্টো করো না। সে যখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলে, তোমরাও ‘আল্লাহু আকবার’ বলো। সে যখন রুকু করে, তোমরাও তখন রুকু করো। সে যখন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরাও তখন ‘আল্লাহুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বলো। সে যখন সিজদা যায়, তোমরাও তখন সিজদায় যাও। সে যখন বসে সালাত আদায় করে, তোমরাও সবাই মিলে বসে সালাত আদায় করো।
৮১৭
মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ)
তিনি নবী (ﷺ)-এর কাছ থেকে উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৮১৮
তাকবীর ও অন্যান্য বিষয়ে ইমামের আগে যে কোন কাজ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে (সালাতের) শিক্ষা দিয়ে বলতেন: ইমামের আগে কোনো কাজ করো না। সে যখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলে, তোমরা ‘আল্লাহু আকবার’ বলো। সে যখন, ‘ওয়ালাদ্দাল্লীন’ বলে, তোমরাও তখন ‘আমীন’ বল। সে যখন রুকুতে যায়, তোমরাও তখন রুকুতে যাও। সে যখন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে, তোমরা তখন “আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ” বলো।
৮১৯
তাকবীর ও অন্যান্য বিষয়ে ইমামের আগে যে কোন কাজ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
তিনি নবি (ﷺ) –এর কাছ থেকে (উপরের হাদিসের) অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনায় ইমামের ‘ওয়ালাদ্দাল্লীন’ বলার পর ‘আমীন’ বলার কথা উল্লেখ নেই। তবে এতে আরো আছে, তোমরা ইমামের আগে হাত উঠাবে না।
৮২০
তাকবীর ও অন্যান্য বিষয়ে ইমামের আগে যে কোন কাজ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি:)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন; ইমাম ঢাল সদৃশ। সে যখন বসে বসে সালাত আদায় করে, তোমরাও বসে বসে সালাত আদায় করো। সে যখন ‘সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে, তোমরা তখন ‘আল্লাহুম্মা রব্বানা, লাকাল হামদ’ বলো। জমিনবাসীর কথা আকাশমন্ডলীর (ফেরেশতা) কথার সঙ্গে একত্রে উচ্চারিত হলে আল্লাহ তার (বান্দার) অতীতের গুনাহ মাফ করে দেবেন।