৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৮০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭৯১
সালাতে তাশাহহুদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্ (রহঃ)
একই হাদিস বর্ণিত হয়েছে। জারীর সুলাইমানের সূত্রে কাতাদার এ হাদিস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনায় আরো আছে, ‘ইমাম যখন কুরআন পাঠ করেন তোমরা তখন চুপ থাক।’ আবু আওয়ানার সূত্রে কেবল আবু কামিলের বর্ণনা ছাড়া আর কোন রাবির বর্ণনায় এ কথাগুলো নেইঃ ‘মহান আল্লাহ তার নবীর কণ্ঠে বলেছেনঃ ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ”।আবু ইসহাক বলেন, আবু নাযরের বোনের ছেলে আবু বকর বলেছেন, এ হাদিসটির সমালোচনা করা হলে ইমাম মুসলিম তাঁকে বললেন, সুলাইমানের চেয়েও কি বড় হাফিজ কেউ আছে? আবু বকর তাঁকে বললেন, আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর বর্ণনা সম্পর্কে আপনার কী মত? তিনি বললেন, তাঁর বর্ণনা সহিহ - ইমাম যখন কুরআন পাঠ করেন তোমরা চুপ থাক। ইমাম মুসলিম বলেন, এ হাদিস আমার মতে সহিহ। আবু বকর বললেন, তাহলে আপনার কিতাবে তা যোগ করেননি কেন? তিনি বললেন, আমি যেটা সহিহ মনে করি শুধু তাই আমার কিতাবে লিপিবদ্ধ করা জরুরি মনে করি না। বরং যেসব হাদিস সহিহ বলে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমি কেবল তাই আমার কিতাবে সংকলন করেছি।
৭৯২
সালাতে তাশাহহুদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্ (রহঃ)
উল্লেখিত সানাদ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মহান আল্লাহ তাঁর নবী (ﷺ)-এর ভাষায় বলেনঃ ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ অর্থাৎ যে আল্লাহর প্রশংসা করে তিনি তা শুনেন।
৭৯৩
তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মাস’উদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের কাছে আসলেন, আমরা তখন সাদ ইবন উবাদা (রাঃ)-এর বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম। বশীর ইবন সাদ (রাঃ) তাঁকে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! মহান আল্লাহ আপনার উপর দরুদ পাঠ করার জন্যে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরুদ পাঠ করব?” রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা আফসোস করে বললাম, “সে যদি তাঁকে এ প্রশ্ন না করত!”অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা বলো- “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা আলি ইব্রাহিমা ওবারিক আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা আলি ইব্রাহিমা ফিল আলামীন। ইন্নাকা হামিদুম মজিদ।” অর্থাৎ “হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করো—যেভাবে তুমি ইব্রাহিম (আঃ)-এর পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করেছ। তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনকে বরকত ও প্রাচুর্য দান করো—যেভাবে তুমি ইব্রাহিম (আঃ)-এর পরিবার-পরিজনকে দুনিয়া ও আখিরাতে বরকত ও প্রাচুর্য দান করেছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত।” আর সালাম দেয়ার নিয়ম যা তোমরা ইতিপূর্বে জেনেছ।
৭৯৪
তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মাস’উদ (রাঃ)
কা’ব ইবন উজরা (রাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, “আমি কি তোমাকে কিছু উপহার দিব না? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের কাছে আসলেন, আমরা বললাম, ‘আমরা আপনাকে কিভাবে সালাম করব তা জানতে পেরেছি, কিন্তু আপনার উপর কিভাবে দরুদ পাঠ করব?’”তিনি বললেনঃ তোমরা বল, “আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা আলা আ-লি ইব্রাহীম ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ, আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা আ-লি ইব্রাহীম ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ।”অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ) এবং তাঁর বংশধরদের উপর ঐরূপ রহমত নাযিল কর যেমনটি করেছিলে ইব্রাহীম (আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ) এবং তাঁর বংশধরদের উপর ঐরূপ বারাকাত নাযিল কর যেমনটি করেছিলে ইব্রাহীম (আঃ) এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়।”
৭৯৫
তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
হাকাম (রহঃ)
এ সানাদ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু মিসআরের বর্ণনায় ‘আমি কি তোমাকে কিছু উপহার দিব না’ কথাটুকু নেই।
৭৯৬
তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
হাকাম
এ সানাদ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ সূত্রে “ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন” উল্লেখ করেছেন এবং “আল্লাহুম্মা” শব্দের উল্লেখ করেননি।
৭৯৭
তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু নুমায়র ও ‘আমর ইবনু সুলায়ম বলেন, আবূ হুমায়দ আস সা‘ইদী
তারা (সাহাবীগণ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার উপর কিভাবে দরূদ পড়বো? তিনি বললেনঃ বল, “আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আযওয়াজিহি ওয়া যুর্রিয়্যাতিহি কামা সল্লাইতা আলা আলে ইব্রাহিমা ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আযওয়াজিহি ওয়া যুর্রিয়্যাতিহি কামা বারাকতা আলা আলে ইব্রাহিমা ইন্নাকা হামিদুম মজীদ।”অর্থাৎ হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর বিবিগণ এবং তাঁর বংশধরগণের প্রতি রহমত বর্ষণ কর, যেভাবে তুমি রহমত বর্ষণ করেছ ইব্রাহিম (আঃ)-এর পরিজনের প্রতি- তুমি বরকত দান কর মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর বিবিগণের প্রতি এবং তাঁর বংশধরগণের প্রতি, যেভাবে তুমি বরকত দান করেছ ইব্রাহিম (আঃ)-এর পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত।
৭৯৮
তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ পড়ে আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত নাজিল করেন।
৭৯৯
তাসমী’ , তাহমীদ ও আমীন সর্ম্পকে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ ইমাম যখন “সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরা তখন “আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ” বল। কেননা যার এ কথা মালায়িকাদের (ফেরেশতাদের) কথার সাথে মিলে যাবে তার আগের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।
৮০০
তাসমী’ , তাহমীদ ও আমীন সর্ম্পকে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) এর নিকট থেকে উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।