৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭৬১
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
উবাদাহ্‌ ইবনু সামিত (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করে না তার সালাতই হয় না।
৭৬২
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: যে লোক উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করে না তার সালাত হয় না।
৭৬৩
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
ইসহাক্‌ ইবনু ইব্‌রাহীম এবং ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ
অবিকল বর্ণিত হয়েছে। আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুর রায্জাক। আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন মামার জুহরী হতে উক্তরূপ। এবং ফা-সাঈদান (صَاعِدًا)-এর অতিরিক্ত বর্ণনাও রয়েছে।
৭৬৪
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায় করল অথচ তাতে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করেনি, তার সালাত ত্রুটিপূর্ণ থেকে গেল, পূর্ণাঙ্গ হল না। এ কথাটা তিনবার বলেছেন। আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, আমরা যখন ইমামের পিছনে সালাত আদায় করব তখন কী করব? তিনি বললেন, তোমরা চুপে চুপে তা পড়ে নাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমার এবং আমার বান্দার মাঝে আমি সালাতকে অর্ধেক অর্ধেক করে ভাগ করে নিয়েছি এবং আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। বান্দা যখন বলে, الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (সমস্ত প্রশংসা বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য), আল্লাহ তা’আলা তখন বলেনঃ আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। সে যখন বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ‏ (তিনি অতিশয় দয়ালু এবং করুণাময়); আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বান্দা আমার প্রশংসা করেছে, গুণগান করেছে। সে যখন বলে, مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (তিনি বিচার দিনের মালিক); তখন আল্লাহ বলেনঃ আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। আল্লাহ আরো বলেনঃ বান্দা তার সমস্ত কাজ আমার উপর সমর্পণ করেছে। সে যখন বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি); তখন আল্লাহ বলেনঃ এটা আমার এবং আমার বান্দার মধ্যকার ব্যাপার। (এখন) আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। যখন সে বলে, اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ * صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ (আমাদের সরল-সঠিক পথে পরিচালনা করুন। যেসব লোকদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন, তাদের পথে নয় যাদের প্রতি আপনার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে), তখন আল্লাহ বলেনঃ এসবই আমার বান্দার জন্যে এবং আমার বান্দার জন্যে রয়েছে সে যা চায়। সুফিয়ান বলেন, আমি ‘আলা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়াকুবকে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে এ হাদিস বর্ণনা করে শুনান। এ সময় তিনি রোগশয্যায় ছিলেন এবং আমি তাকে দেখতে গিয়েছিলাম।
৭৬৫
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি (আগের হাদিসের ন্যায়)।
৭৬৬
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি সালাত আদায় করল অথচ তাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না...... সুফিয়ানের হাদিসের অনুরূপ। তাদের উভয়ের হাদিসে রয়েছে, মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি সালাতকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করে নিয়েছি, এর অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক আমার বান্দার।
৭৬৭
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন সালাত আদায় করল, কিন্তু তাতে ফাতিহাতুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করল না- তবে এ সালাত ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ। এ কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। তাদের হাদীসের অনুরূপ।
৭৬৮
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ কুরআন পাঠ ছাড়া সালাত হয় না। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে সালাতে কিরাআত উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্য উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সালাতে চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্যে চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করি।
৭৬৯
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
আতা (রহঃ)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, সালাতের প্রতি রাকাত কুরআন থেকে পাঠ হবে (আমরা পাঠ করি)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে সালাতে উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করেছেন, আমরাও সে সালাতে তোমাদের শুনিয়ে কুরআন পাঠ করি এবং যে সালাতে চুপিসারে কুরআন পাঠ করেছেন সে সালাতে আমরাও চুপিসারে কুরআন পাঠ করি। একজন লোক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি যদি সূরা ফাতিহার বেশি না পড়ি তবে কি আমার সালাত যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন, তুমি যদি সূরা ফাতিহার পর আরো আয়াত পাঠ কর তবে এটা তোমার জন্য কল্যাণকর; আর যদি তুমি সূরা ফাতিহা পাঠ করেই থেমে যাও তবে সেটাও তোমার জন্য যথেষ্ট।
৭৭০
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
আতা (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক সালাতে কিরাআত পাঠ করতে হবে। নবী (ﷺ) যে সালাতে আমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সালাতে আওয়াজ না করে চুপিসারে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের না শুনিয়ে নিম্নস্বরে কিরাআত পাঠ করি। যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করল তা তার জন্য যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি আরো সূরা পাঠ করল, এটা তার জন্য বেশি ভাল।