৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭৪১
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ
এ সনদে অবিকল হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৭৪২
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রা (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ শয়তান যখন সালাতের আজান শুনতে পায়, তখন বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে, যেন আজানের শব্দ তার কানে পৌঁছাতে না পারে। মুয়ায্জিন যখন আজান শেষ করে, তখন সে ফিরে এসে (সালাত আদায়কারীর) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। সে পুনরায় যখন ইকামত শুনতে পায়, আবার চলে যায়, যেন এর শব্দ তার কানে না যেতে পারে। যখন ইকামত শেষ হয়, তখন সে ফিরে এসে (সালাত আদায়কারীদের অন্তরে) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে।
৭৪৩
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুয়াজ্জিন যখন আজান দেয় তখন শয়তান পেছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়।
৭৪৪
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
সুহায়ল (রাঃ)
আমার পিতা আমাকে বানু হারিসা গোত্রের কাছে পাঠালেন। রাবী বলেন, আমার সাথে একটি বালক অথবা আমার এক সাথী ছিল। একটি বাগানের ভিতর থেকে তার নাম ধরে কে যেন তাকে ডাকল। আমার সাথী বাগানের মধ্যে দৃষ্টি নিক্ষেপ করল, কিন্তু কিছুই দেখতে পেল না। আমি এ ঘটনা আমার পিতার কাছে বর্ণনা করলাম।তিনি বললেন, আমি যদি জানতে পারতাম যে তুমি এমন অবস্থার মুখোমুখি হবে তবে তোমাকে পাঠাতাম না, কিন্তু যখন তুমি সেরূপ কোন শব্দ শুনতে পাও তখন সালাতের অনুরূপ আজান দিবে। কেননা আমি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। যখন সালাতের আজান দেয়া হয় শয়তান বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়।
৭৪৫
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ যখন সালাতের আজান দেয়া হয়, শয়তান পিছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালিয়ে যায় যেন আজানের শব্দ সে শুনতে না পায়। আজান শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে।আবার যখন ইকামত দেয়া হয় তখন সে পলায়ন করে। ইকামত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে এবং সালাত আদায়কারীদের মনে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করতে থাকে। সে তাকে বলে, এটা স্মরণ কর, এটা স্মরণ কর। সে কথাগুলো সালাতের আগে তার স্মরণও ছিল না। শেষ পর্যন্ত সালাত আদায়কারী দ্বিধায় পড়ে যে, সে বলতেও পারে না যে, কত রাকাত পড়ল।
৭৪৬
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর কাছ থেকে (উপরের হাদিসের) অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনার শেষের অংশ নিম্নরূপঃ এমনকি লোকের খেয়ালই থাকে না যে, সে কিভাবে সালাত শেষ করল।
৭৪৭
তাকবীরে তাহরীমার সময়, রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে মাথা উঠানোর সময়, কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো (রফ’উল ইয়াদাইন) মুস্তাহাব, কিন্তু সাজদাহ্ থেকে ওঠার সময় এটা না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম থেকে তার পিতার সূত্রে
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখেছি- যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন। তিনি রুকুতে যাওয়ার আগে এবং রুকু থেকে উঠার সময়ও এরূপ করতেন। কিন্তু তিনি দুই সিজদার মাঝে হাত উঠাতেন না।
৭৪৮
তাকবীরে তাহরীমার সময়, রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে মাথা উঠানোর সময়, কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো (রফ’উল ইয়াদাইন) মুস্তাহাব, কিন্তু সাজদাহ্ থেকে ওঠার সময় এটা না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
ইবন উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন নিজের দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, অতঃপর তাকবীর তাহরিমা বলতেন। তিনি রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে উঠার সময়ও কাঁধ পর্যন্ত দুই হাত তুলতেন। কিন্তু সিজদা থেকে মাথা তোলার সময় তিনি এরূপ করতেন না।
৭৪৯
তাকবীরে তাহরীমার সময়, রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে মাথা উঠানোর সময়, কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো (রফ’উল ইয়াদাইন) মুস্তাহাব, কিন্তু সাজদাহ্ থেকে ওঠার সময় এটা না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
উক্ত সনদে ইবনু জুরায়জ (রহঃ)-এর অবিকল বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাতে দাঁড়াতেন, দুই হাত কাঁধ বরাবর উঁচু করতেন, অতঃপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে তাকবীরে তাহরিমা করতেন।
৭৫০
তাকবীরে তাহরীমার সময়, রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে মাথা উঠানোর সময়, কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো (রফ’উল ইয়াদাইন) মুস্তাহাব, কিন্তু সাজদাহ্ থেকে ওঠার সময় এটা না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কিলাবাহ্‌ (রাঃ)
তিনি মালিক ইবন হুওয়াইরিস (রাঃ)-কে দেখলেন যে, তিনি যখন সালাত আদায় করতেন, তখন তাকবীর বলতেন এবং উভয় হাত উঠাতেন। যখন রুকূতে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন তখনও উভয় হাত উত্তোলন করতেন এবং যখন রুকূ থেকে মাথা তুলতেন তখনও হাত উত্তোলন করতেন। তিনি আরও বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপই করতেন।