৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭৫১
তাকবীরে তাহরীমার সময়, রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে মাথা উঠানোর সময়, কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো (রফ’উল ইয়াদাইন) মুস্তাহাব, কিন্তু সাজদাহ্ থেকে ওঠার সময় এটা না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তাকবীর বলতেন, কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকুতে যেতেন উভয় হাত কান পর্যন্ত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকু থেকে মাথা তুলতেন তখন “সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলতেন এবং অনুরূপ (কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন) করতেন।
৭৫২
তাকবীরে তাহরীমার সময়, রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে মাথা উঠানোর সময়, কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো (রফ’উল ইয়াদাইন) মুস্তাহাব, কিন্তু সাজদাহ্ থেকে ওঠার সময় এটা না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্‌ (রহঃ)
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) বলেন যে,] তিনি নবী (ﷺ)-কে কানের লতি বরাবর হাত তুলতে দেখেছেন।
৭৫৩
সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) তাদের সালাত আদায় করে দেখাতেন। তিনি প্রতিবার ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হওয়ার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। তিনি সালাত শেষে বলতেন, আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের চেয়ে অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাতের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সালাত আদায় করতে পারি।
৭৫৪
সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ)
তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাতে দাঁড়াতেন ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সালাত শুরু করতেন। তিনি তাকবির বলে রুকু’তে যেতেন। তিনি রুকু থেকে পিঠ সোজা করে দাঁড়ানোর সময় سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ (যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেন আল্লাহ তার কথা শুনে থাকেন) বলতেন। অতঃপর দাঁড়ানো অবস্থায় رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ (হে আল্লাহ! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা) বলতেন। তিনি তাকবির সিজদায় যাওয়ার সময় ও সিজদা থেকে মাথা তোলার সময়ও তাকবির বলতেন। প্রত্যেক রাকাতে সালাত শেষ করা পর্যন্ত তিনি এরূপই করতেন। দ্বিতীয় রাকাতের বসার পর ওঠার সময়ও তিনি তাকবির বলতেন। অতঃপর আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি তোমাদের সবার তুলনায় অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অনুরূপ সালাত আদায় করতে পারি।
৭৫৫
সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলে সালাত শুরু করতেন। ...... উপরের (ইবনু জুরাইয-এর) হাদিসের অনুরূপ। কিন্তু এ বর্ণনায় আবু হুরায়রার কথা, “আমি তোমাদের সবার তুলনায় অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অনুরূপ সালাত আদায় করতে পারি”- কথাটুকু উল্লেখ নেই।
৭৫৬
সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ)
মারওয়ান যখন আবু হুরাইরা (রাঃ)-কে মদিনায় খলীফা নিযুক্ত করলেন, তিনি যখন ফরজ সালাতে দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলে শুরু করতেন। উপরের হাদিসের অনুরূপ। উক্ত হাদিসেই রয়েছে, তিনি সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে মসজিদে উপস্থিত লোকেদের দিকে মুখ করে বসলেন। তিনি বললেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের চেয়ে রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাতের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ সালাত আদায় করতে পারি।
৭৫৭
সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সালাতের মধ্যে যখনই ঝুঁকতেন অথবা উঠতেন তাকবির বলতেন। আমরা বললাম, হে আবু হুরায়রা! এটা কিসের তাকবির? তিনি বললেন, এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাতের তাকবির।
৭৫৮
সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
তিনি প্রতিবার উঠা-বসায় তাকবির বলতেন। তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমনই করতেন।
৭৫৯
সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
মুতার্‌রিফ (রহঃ)
আমি এবং ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) আলী (রাঃ)-এর পিছনে সালাত আদায় করেছি। তিনি যখন সিজদায় যেতেন আল্লাহু আকবার বলতেন, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাতেন তখনও আল্লাহু আকবার বলতেন এবং দুই রাকাত পূর্ণ করে (তাশাহুদ পড়ার পর) উঠার সময়ও আল্লাহু আকবার বলতেন।আমরা যখন সালাত শেষ করলাম, ইমরান (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, তিনি (আলী) আমাদেরকে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর অনুরূপ সালাত আদায় করালেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি বললেন, তিনি (আলী) আমাদেরকে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সালাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন।
৭৬০
প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় পরিচ্ছেদ নাই
উবাইদাহ্‌ ইবনু সামিত (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি (সালাতে) সূরা ফাতিহা পাঠ করে না তার সালাত হয় না।