৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭৩১
অন্ধ ব্যক্তির সাথে চক্ষুস্মান লোক থাকলেও তার আযান দেয়া জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
ইবনু উম্মে মাকতূম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মতিতে আযান দিতেন। তখন তিনি ছিলেন অন্ধ।
৭৩২
অন্ধ ব্যক্তির সাথে চক্ষুস্মান লোক থাকলেও তার আযান দেয়া জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
উল্লিখিত সনদে পরম্পরায় হিশাম থেকে (উপরের হাদিসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৭৩৩
অমুসলিম রাষ্ট্রের (বা এলাকার) কোন জনপদে আযানের শব্দ শুনা গেলে সেখানে আক্রমণ করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রভাতে শত্রুর উপর আক্রমণ করতেন। তিনি আজানের শব্দ শোনার জন্য কান পেতে অপেক্ষায় থাকতেন। তিনি আজান শুনতে পেলে আক্রমণ থেকে বিরত থাকতেন, অন্যথায় আক্রমণ করতেন। তিনি এক ব্যক্তিকে “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার” বলতে শুনেছেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ ব্যক্তি মুসলিম। সে পুনরায় বলল, “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ”। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেলে। অতঃপর লোকটির দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে দেখলেন, সে মেষপালের রাখাল।
৭৩৪
মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা, নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা এবং তাঁর জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরা তাই-ই বল।
৭৩৫
মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা, নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা এবং তাঁর জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)
তিনি নবি (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমরা যখন মুয়ায্‌যিনকে আজান দিতে শোন, তখন সে যা বলে তোমরাও তাই বল। অতঃপর আমার উপর দরুদ পাঠ কর। কেননা, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ পাঠ করে আল্লাহ এতে তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন। অতঃপর আমার জন্য আল্লাহর কাছে ওয়াসিলা প্রার্থনা কর। কেননা, ‘ওয়াসিলা’ জান্নাতের একটি সম্মানজনক স্থান। এটা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজনকেই দেওয়া হবে। আমি আশা করি, আমিই হব সে বান্দা। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আমার জন্য ওয়াসিলা প্রার্থনা করবে তার জন্য (আমার) শাফাআত ওয়াজিব হয়ে যাবে।
৭৩৬
মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা, নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা এবং তাঁর জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুয়ায্‌যিন যখন “আল্লাহু আকবার, আল্লা-হু আকবার" বলে, তখন তোমাদের কোন ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে তার জবাবে বলেঃ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার"। যখন মুয়ায্‌যিন বলেঃ "আশহাদু আল লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" এর জবাবে সেও বলেঃ "আশহাদু আল লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। অতঃপর মুয়ায্‌যিন বলে: "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রসূলুল্ল-হ" এর জবাবে সে বলেঃ "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রসূলুল্ল-হ"। অতঃপর মুয়ায্‌যিন বলেঃ "হাইয়্যা আলাস সালা-হ" এর জবাবে সে বলেঃ “লা-হাওলা ওয়ালা- কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ"। অতঃপর মুয়ায্‌যিন বলেঃ "হাইয়্যা ’আলাল ফালা-হ" এর জবাবে সে বলেঃ “লা- হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ”। অতঃপর মুয়ায্‌যিন বলেঃ "আল্লা-হু আকবার, আল্লাহু আকবার" এর জবাবে সে বলেঃ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার"। অতঃপর মুয়ায্‌যিন বলেঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" এর জবাবে সে বলেঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। আযানের এ জবাব দেয়ার কারণে সে বেহেশতে যাবে।
৭৩৭
মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা, নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা এবং তাঁর জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: মুয়ায্জিনের আজান শুনে যে ব্যক্তি বলে, “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু, লা- শারীকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু, ওয়া রাসূলুহু, রাযীতু বিল্লা-হি রব্বান ওয়াবি মুহাম্মাদিন রসূলান ওয়াবিল ইসলামী দীনন” তার গুনাহ মাফ করা হবে। কুতাইবা তার হাদীসে وَأَنَا শব্দটি উল্লেখ করেননি।
৭৩৮
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
তাল্‌হাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া তার চাচার সূত্র
আমি মুআবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় মুয়াজ্জিন তাঁকে সালাতের জন্য ডাকতে আসল। মুআবিয়া (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: কেয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনদের গর্দান সবচেয়ে বেশি উঁচু হবে।
৭৩৯
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
ঈসা ইবনু তালহাহ্‌ (রহঃ)
আমি মু’আবিয়া (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ তিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদিসের অবিকল বর্ণনা করেছেন।
৭৪০
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমি নবি (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ শয়তান সালাতের আজানের শব্দ শুনে পালাতে পালাতে 'রওহা' পর্যন্ত চলে যায়। সুলাইমান (আ'মাশ) বলেন, আমি তাকে (আবু সুফিয়ানকে) 'রওহা' সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এ স্থানটি মাদিনা থেকে ছত্রিশ মাইল দূরে অবস্থিত।