৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭২১
বসে ঘুমালে ওযূ নষ্ট হয় না। পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্‌ (রহঃ)
আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীগণ ঘুমিয়ে যেতেন তারপর সালাত আদায় করতেন কিন্তু ওজু করতেন না। বর্ণনাকারী শু'বাহ (রাঃ) বলেন, আমি কাতাদাহ্‌কে বললাম “আপনি কি নিজে আনাস (রাঃ)-এর কাছ থেকে শুনেছেন”? তিনি বললেন, “হ্যাঁ, আল্লাহর কসম!”
৭২২
বসে ঘুমালে ওযূ নষ্ট হয় না। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
(একদা) ‘ইশার জামাতে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। তখন এক লোক বলল, আমার কিছু প্রয়োজন আছে। পরে রসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে তাঁর সাথে আলাপ করতে লাগলেন। তিনি এতক্ষণ ধরে আলাপ করলেন যে, উপস্থিত সকলেই অথবা কিছু লোক ঘুমিয়ে পড়ল (বসে বসে)। তারপর তারা সালাত আদায় করল।
৭২৩
আযানের সূচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
মুসলিমরা মাদীনায় আসার পর একত্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করতেন। এজন্যে কেউ আযান দিত না। একদিন ব্যাপারটি নিয়ে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকুসের অনুরূপ একটি নাকুস (ঘণ্টা) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইয়াহুদীদের শিঙার অনুরূপ একটি শিঙা ব্যবহার করে। উমর (রাঃ) বললেন, তোমরা সালাতের জন্য ডাকতে একটি লোক পাঠাও না কেন? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ হে বিলাল! উঠো এবং সালাতের জন্যে ডাক।
৭২৪
আযানের শব্দগুলো দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দগুলো একবার করে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দ জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাতের শব্দ বেজোড় বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইয়াহইয়া তার বর্ণনায় ইবনু উলাইয়্যাহর সূত্রে বলেছেন, তিনি আইয়ুব (রহঃ)-এর কাছে এ হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেন, কিন্তু ‘কাদ কামাতিস সালাহ’ শব্দটি ব্যতীত (এটি দুইবার বলবে) বাকী শব্দগুলো একবার করে বলবে।
৭২৫
আযানের শব্দগুলো দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দগুলো একবার করে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
(লোকেরা) সালাতের সময় জানানোর উদ্দেশ্যে একটা কিছু নির্দিষ্ট করার জন্যে সাহাবীরা পরস্পর আলোচনা করলেন। তাঁরা বললেন, আগুন জ্বালানো হোক অথবা নাকূস (ঘণ্টা) বাজানো হোক। বিলালকে আজানের শব্দগুলো দু’বার এবং ইকামাতের শব্দগুলো একবার করে উচ্চারণ করার নির্দেশ দেওয়া হল।
৭২৬
আযানের শব্দগুলো দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দগুলো একবার করে পরিচ্ছেদ নাই
খালিদ আল হায্‌যা
যখন লোকসংখ্যা বেড়ে গেল, সাহাবীগণ সালাতের সময় জানানোর একটি উপায় খুঁজে বের করার জন্যে পরস্পর আলোচনা করলেন...... অতঃপর সাকাফি-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। এ বর্ণনায় أَنْ يُنَوِّرُوا نَارًا শব্দের পরিবর্তে أَنْ يُورُوا نَارًا শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে। (অর্থাৎ “আগুন জ্বালানো হোক”, উভয় শব্দের অর্থ একই)।
৭২৭
আযানের শব্দগুলো দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দগুলো একবার করে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
বিলাল (রাঃ)-কে আযান জোড় সংখ্যায় এবং ইকামত বিজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৭২৮
আযানের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মাহযূরাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) তাকে এ আজান শিক্ষা দিয়েছেনঃ “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার” (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান)। পাঠে (চারবার)। “আশহাদু আল লা-ইলা-হা-ইল্লাল্লাহ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই), “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই)। “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল), “আশহাদু অন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল)। আবার তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ”, “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ” দু’বার। “হাইয়া আলাস সালাহ” (সালাতের জন্য এসো) দু’বার। “হাইয়া আলাল ফালাহ” (কল্যাণের জন্যে এসো) দু’বার। ইসহাক তার বর্ণনায় আরও দু’টি বাক্য উল্লেখ করেছেন, “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার” এবং “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ”।
৭২৯
একই মসজিদে দু’জন মুওয়ায্‌যিন রাখা ভাল পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দুইজন মুয়াজ্জিন ছিলেন: বিলাল (রাঃ) এবং অন্ধ আবদুল্লাহ ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ)।
৭৩০
একই মসজিদে দু’জন মুওয়ায্‌যিন রাখা ভাল পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
(উপরের হাদিসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।