৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭১৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭১৭১
রোমীয়রা সংখ্যাধিক্য হলে কিয়ামত সংঘটিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ)
তিনি আমর ইবনুল আস (রাঃ)-এর নিকট বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, রোমীয়দের সংখ্যা যখন সবচেয়ে বেশি হবে তখন কেয়ামত সংঘটিত হবে। এ কথা শোনা মাত্র আমর ইবনুল আস (রাঃ) তাকে বললেন, কি বলছ, চিন্তা-ভাবনা করে বলো। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে যা শুনেছি আমি তাই বর্ণনা করছি। তারপর আমর ইবনুল আস (রাঃ) বললেন, “তুমি যদি বলো, তবে সত্যই বলছ। কেননা তাদের মধ্যে চারটি গুণ আছে।প্রথমত: ফিতনার সময় তারা সবচেয়ে বেশি ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে থাকে। দ্বিতীয়ত: মুসিবতের পর দ্রুত তাদের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে। তৃতীয়ত: যুদ্ধ থেকে পলায়নের পর সর্বপ্রথম তারা আক্রমণ করতে সক্ষম হয় এবং, চতুর্থত: মিসকিন, ইয়াতিম ও দুর্বলের জন্য তারা সবচেয়ে বেশি শুভাকাঙ্ক্ষী। অতঃপর পঞ্চম সুন্দর গুণটি হলো এই যে, তারা শাসকবর্গের অত্যাচারকে অধিক প্রতিহত করে।”
৭১৭২
রোমীয়রা সংখ্যাধিক্য হলে কিয়ামত সংঘটিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, যখন রোমীয়দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হবে তখন কেয়ামত সংঘটিত হবে। এ খবর আমর ইবনুল আস (রাঃ)-এর কাছে পৌঁছার পর তিনি বললেন, এ কোন ধরনের হাদীস, যে সম্পর্কে লোকেরা বলছে যে, এ নাকি তুমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করছ? উত্তরে মুস্তাওরিদ (রাঃ) তাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যা শুনেছি আমি তাই বলছি। একথা শুনে আমর (রাঃ) বললেন, তুমি যদি বলে থাকো তা ঠিকই আছে। কেননা তারা ফিতনার সময় সবচেয়ে বেশি ধৈর্য ধারণ করে এবং মুসীবতের পর আবার দ্রুত তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তারা সর্বদা মিসকিন এবং অক্ষম মানুষের জন্য অধিক শুভাকাঙ্ক্ষী।
৭১৭৩
দাজ্জালের আবির্ভাবের সময় রোমীয়দের অধিক পরিমাণে যুদ্ধে অগ্রগামী হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ)
একবার কুফা নগরীতে লাল ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। এমন সময় জনৈক লোক কুফায় এসে বলল যে, হে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)! কেয়ামত আসন্ন। কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না উত্তরাধিকার সম্পদ বণ্টিত হবে এবং যতক্ষণ না মানুষেরা গনীমাতের বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ না করবে। তারপর তিনি নিজ হাত দ্বারা সিরিয়ার প্রতি ইশারা করে বললেন, আল্লাহর শত্রুরা একত্রিত হবে মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য এবং মুসলিমগণও তাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য একত্রিত হবে। এ কথা শ্রবণে আমি বললাম, আল্লাহর শত্রু বলে আপনাদের উদ্দেশ্য হলো রোমীয় (খ্রিষ্টান) সম্প্রদায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ! এবং তখন ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হবে। তখন মুসলিম জাতি একটি দল অগ্রে প্রেরণ করবে, তারা মৃত্যুর জন্য সম্মুখে এগিয়ে যাবে। বিজয় অর্জন করা ছাড়া তারা প্রত্যাবর্তন করবে না। এরপর পরস্পর তাদের মধ্যে যুদ্ধ হবে। যুদ্ধ করতে করতে রাত্রি অতিবাহিত হয়ে যাবে। তারপর দুপক্ষের সৈন্য জয়লাভ করা ছাড়াই ফিরে চলে যাবে। যুদ্ধের জন্য মুসলিমদের যে দলটি এগিয়ে গিয়েছিল তারা প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃত্যুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা সবাই মৃত্যুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃত্যুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা বিজয়ী না হয়ে ফিরবে না। এদিনও পরস্পরের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ হবে। পরিশেষে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। উভয় বাহিনী বিজয়লাভ করা ছাড়াই স্বীয় শিবিরে প্রত্যাবর্তন করবে। যে দলটি সামনে ছিল তারা সরে যাবে। অতঃপর তৃতীয় দিন আবার মুসলিমগণ মৃত্যু বা বিজয়ের উদ্দেশে অপর একটি বাহিনী পাঠাবে। এ যুদ্ধ সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকবে। পরিশেষে বিজয়লাভ করা ছাড়াই উভয় বাহিনী প্রত্যাবর্তন করবে। তবে মুসলিম বাহিনীর সামনের সেনাদলটি শহীদ হয়ে যাবে। তারপর যুদ্ধের চতুর্থ দিনে অবশিষ্ট মুসলিমগণ সকলেই যুদ্ধের জন্য সামনে এগিয়ে যাবে। সেদিন কাফিরদের উপর আল্লাহ তা'আলা অকল্যাণ চক্র চাপিয়ে দিবেন। তারপর এমন যুদ্ধ হবে যা জীবনে কেউ দেখবে না অথবা জীবনে কেউ দেখেনি। পরিশেষে তাদের শরীরের উপর পাখি উড়তে থাকবে। পাখি তাদেরকে অতিক্রম করবে না; এমতাবস্থায় তা মাটিতে পড়ে নিহত হবে। একশ মানুষ বিশিষ্ট গোত্রে, মাত্র এক লোক বেঁচে থাকবে। এমন সময় কেমন করে গনীমাতের সম্পদ নিয়ে লোকেরা আনন্দোৎসব করবে এবং কেমন করে উত্তরাধিকার সম্পদ ভাগ করা হবে। এমতাবস্থায় মুসলিমগণ আরেকটি ভয়ানক বিপদের খবর শুনতে পাবে এবং এ মর্মে একটি শব্দ তাদের কাছে পৌঁছবে যে, দাজ্জাল তাদের পেছনে তাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে চলে এসেছে। এ সংবাদ শুনতেই তারা হাতের সমস্ত কিছু ফেলে দিয়ে রওনা হয়ে যাবে এবং দশজন অশ্বারোহী ব্যক্তিকে সংবাদ সংগ্রাহক দল হিসেবে প্রেরণ করবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, দাজ্জালের খবর সংগ্রাহক দলের প্রতিটি লোকের নাম, তাদের বাপ-দাদার এবং তাদের ঘোড়ার রং সম্পর্কেও আমি জ্ঞাত আছি। এ পৃথিবীর সর্বোত্তম অশ্বারোহী দল সেদিন তারাই হবে। ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) তাঁর রিওয়ায়াতে -এর স্থলে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ জাবির-এর ছেলের নাম ইউসাইর-এর স্থলে উসায়র বলেছেন।
৭১৭৪
দাজ্জালের আবির্ভাবের সময় রোমীয়দের অধিক পরিমাণে যুদ্ধে অগ্রগামী হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ)
আমি ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন লাল রক্তিম ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। তারপর তিনি পূর্বের মতো অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইবনু উল্লাইয়্যার হাদীসটি পরিপূর্ণ এবং প্রশান্তিদায়ক।
৭১৭৫
দাজ্জালের আবির্ভাবের সময় রোমীয়দের অধিক পরিমাণে যুদ্ধে অগ্রগামী হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ)
একদিন আমি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)-এর গৃহে ছিলাম। গৃহটি তখন লোকে লোকারণ্য ছিল। ইবন উসাইর-এর ন্যায় তিনিও বললেন, তখন কুফা নগরীতে লাল রক্তিম ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো।
৭১৭৬
দাজ্জালের আগমনের পূর্বে মুসলিমগণ যে সকল বিজয় অর্জন করবে পরিচ্ছেদ নাই
নাফি’ ইবনু ‘উত্‌বাহ্‌ (রাযিঃ)
এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন পশ্চিম দিক হতে নবী (ﷺ)-এর কাছে এক দল লোক আসলো। তাদের শরীরে ছিল পশমের কাপড়। তারা এক টিলার কাছে এসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে দেখা করল। এ সময় তারা ছিল দাঁড়ানো এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছিলেন বসা অবস্থায়। তখন আমার মন আমাকে বলল, তুমি যাও এবং তাদের ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাঝে গিয়ে দাঁড়াও, যেন তারা প্রতারণা করে তাঁকে হত্যা করতে না পারে।আবার আমার মনে হলো, সম্ভবত তিনি তাদের সঙ্গে কোন গোপন আলাপরত আছেন। তথাপিও আমি গেলাম এবং তাদের ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাঝে দাঁড়িয়ে রইলাম। এমন সময় আমি তাঁর থেকে চারটি কথা আয়ত্ত করলাম এবং তা আমার হাত দ্বারাই গণনা করলাম। তিনি বললেন, তোমরা জাজিরাতুল আরবে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তা বিজিত করে দিবেন। অতঃপর পারস্যবাসীদের সঙ্গে লড়াই করবে, আল্লাহ তাও তোমাদের আয়ত্তে এনে দিবেন। এরপর রোমীয়দের সঙ্গে লড়াই করবে, আল্লাহ তা’আলা এতেও তোমাদের বিজয় দান করবেন। পরিশেষে তোমরা দাজ্জালের সঙ্গে লড়াই করবে, এখানেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন। বর্ণনাকারী নাফি (রহঃ) বলেন, হে জাবির! আমাদের মনে হয় রোম বিজিত হওয়ার পর দাজ্জালের আগমন ঘটবে।
৭১৭৭
কিয়ামতের আগে যেসব নিদর্শন দৃশ্য হবে পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্‌ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাযিঃ)
একদিন আমরা (বিভিন্ন বিষয়ে) আলোচনা করছিলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের কাছে আসলেন এবং প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি বিষয়ে আলোচনা করছ? উত্তরে তাঁরা বললেন, আমরা কেয়ামতের ব্যাপারে আলোচনা করছি।এ কথা শুনে তিনি বললেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না তোমরা দশটি বিশেষ আলামত দেখবে। তারপর তিনি ধোঁয়া, দাজ্জাল, দাব্বাহ, পশ্চিমাকাশ হতে সূর্যোদয় হওয়া, মারিয়াম পুত্র ঈসা (আঃ)-এর অবতরণ, ইয়া’জূজ মা’জূজ এবং তিনবার ভূখণ্ড ধ্বসে যাওয়া তথা পূর্ব দিকে ভূখণ্ড ধ্বস, পশ্চিম দিকে ভূখণ্ড ধ্বস এবং আরব উপদ্বীপে ভূখণ্ড ধ্বসের কথা বর্ণনা করলেন। এ আলামতসমূহের পর এক অগ্নুৎপাতের প্রকাশিত হবে, যা তাদেরকে ইয়ামান থেকে হাশরের মাঠ পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।
৭১৭৮
কিয়ামতের আগে যেসব নিদর্শন দৃশ্য হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সারীহাহ্‌ হুযাইফাহ্‌ ইবনু আসীদ (রাযিঃ)
একদিন নবী (ﷺ) স্বীয় কক্ষে ছিলেন। আর আমরা তাঁর নীচে বসে আলাপ-আলোচনা করছিলাম। এমতাবস্থায় তিনি আমাদের নিকট আসলেন এবং প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি বিষয়ে আলোচনা করছিলে? আমরা বললাম, কেয়ামত সম্বন্ধে কথা বলছিলাম।এ কথা শুনে তিনি বললেন, যতক্ষণ পর্যন্ত কেয়ামত কায়েম হবে না যতক্ষণ না দশটি আলামত প্রকাশিত হবে—পৃথিবীর পূর্বপ্রান্তে ভূখণ্ড ধস, পশ্চিমপ্রান্তে ভূখণ্ড ধস, আরব উপদ্বীপে ভূখণ্ড ধস, ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়া, দাজ্জালের বহিঃপ্রকাশ, দাব্বাতুল আরদ-এর প্রকাশ পাওয়া, ইয়া'জুজ-মা'জুজ বের হওয়া, পশ্চিম প্রান্ত হতে সূর্যোদয় হওয়া এবং সর্বশেষ আদন দেশের প্রান্ত হতে আগুন উত্থিত হবে যা লোকেদেরকে তাড়িয়ে এক স্থানে একত্রিত করবে।শু'বাহ (রহঃ) বলেন, এ বর্ণনায় দশম আলামতের কথা নেই। তবে অন্য বর্ণনায় দশম আলামত হিসেবে কোথাও ‘ঈসা (আঃ)-এর অবতরণের কথা উল্লেখ রয়েছে, আবার কোথাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সর্বশেষ এমন দমকা হাওয়া প্রবাহিত হবে, যা মানুষকে উড়িয়ে নিয়ে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে।
৭১৭৯
কিয়ামতের আগে যেসব নিদর্শন দৃশ্য হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সারীহাহ্‌(রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক গৃহের ভিতর ছিলেন। আমরা তার নীচে বসা ছিলাম। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি পূর্বের অবিকল বর্ণনা করেছেন। শু‘বাহ (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছেনঃ তারা যেখানে অবতরণ করবে আগুনও সেখানে অবতরণ করবে এবং তারা যেখানে দ্বিপ্রহরে কাইলুলা করবে আগুনও সেখানে তাদের সাথে থাকবে। বর্ণনাকারী শু‘বাহ (রহঃ) বলেন, এক লোক আবূ সারীহার এ হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তবে মারফু হিসেবে তিনি এ হাদীসটি বর্ণনা করেননি। এতে জনৈক লোক বলেছেন, দশম নিদর্শনটি হলো, ‘ঈসা (আঃ)-এর অবতরণ। কিন্তু অপর লোক বলেছেন, দশম নিদর্শনটি হলো, তখন এমন প্রবলবেগে বায়ু প্রবাহিত হবে, যা মানুষদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে।
৭১৮০
কিয়ামতের আগে যেসব নিদর্শন দৃশ্য হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সারীহাহ্‌ (রাযিঃ)
আমরা আলোচনা করছিলাম, এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সম্মুখে আসলেন। অতঃপর তিনি মু’আয ও ইবনু আবূ জা’ফার-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর হাদীসের শেষভাগে বর্ণনা করেছেন যে, দশম নিদর্শনটি হলো, মারইয়াম পুত্র ঈসা (আঃ)-এর অবতরণ। বর্ণনাকারী শু’বা (রহঃ) বলেন, আবদুল আজিজ (রহঃ) এ হাদীসটি মারফূ হিসেবে উল্লেখ করেননি।