৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭২০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭১৯১
দাওস গোত্রীয় লোকেরা যুল খালাস-এর পূজা করার পূর্বে কিয়ামাত কায়িম হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, রাত ও দিন শেষ হবে না, যতক্ষণ না লাত ও উজ্জা দেবতার পূজা আবার শুরু করা হয়। এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ নাজিল করেছেন- “তিনিই তাঁর রাসূলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ, সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা পছন্দ করে না”- (সূরা আত তাওবা ৯:৩৩ ও আস সাফ ৬১:৯)।এ আয়াত নাজিলের পর আমি তো মনে করেছিলাম যে, এ প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূর্ণ করা হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তা অবশ্যই হবে। তবে যতদিন আল্লাহ ইচ্ছা করবেন ততদিন পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। অতঃপর তিনি এক মনোরম বাতাস প্রেরণ করবেন। ফলে যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান আছে তাঁদের প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। পরিশেষে যাদের মাঝে কোনো প্রকার কল্যাণ নেই তারাই শুধু বেঁচে থাকবে। অতঃপর তারা আবার পিতৃ-পুরুষদের ধর্মের (শিরকের) দিকে ফিরে যাবে।
৭১৯২
দাওস গোত্রীয় লোকেরা যুল খালাস-এর পূজা করার পূর্বে কিয়ামাত কায়িম হবে না পরিচ্ছেদ নাই
’আব্দুল হামীদ ইবনু জা’ফার
কা’ব (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে সেদিন সত্য কথা বলার জন্যে আল্লাহ তা’আলা আমার প্রতি যে নি’আমাত দান করেছেন, তেমন নি’আমাত ইসলাম কবুলের পর আল্লাহ তা’আলা আমার উপর আর কক্ষনো করেননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সেদিন আমি মিথ্যা বলিনি। যদি বলতাম তবে নিশ্চয়ই আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যেতাম, যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিল মিথ্যাবাদীগণ। ওয়াহী নাযিলকালে আল্লাহ তা’আলা মিথ্যাবাদীদের এমন কঠোর সমালোচনা করেছেন, যা আর কাউকে করেননি। “তোমরা তাদের কাছে ফিরে এলে তারা আল্লাহর কসম করবে, যেন তোমরা তাদেরকে এড়িয়ে চলো। কাজেই তোমরা তাদেরকে এড়িয়ে চলবে তারা অপবিত্র, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান জাহান্নাম তাদের আবাসস্থল। তারা তোমাদের কাছে হলফ করবে যাতে তোমরা তাদের প্রতি তুষ্ট হও। তোমরা তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হলেও আল্লাহ ফাসিক (সত্যত্যাগী) লোকেদের উপর সন্তুষ্ট হবেন না"- (সূরা আত তওবা্ ৯ঃ ৯৫-৯৬)।
৭১৯৩
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না এক লোক অপর লোকের কবরের নিকট গিয়ে বলবে, হায়! আমি যদি তার স্থলে থাকতাম।
৭১৯৪
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, আমি তাঁর কসম করে বলছি, দুনিয়া নিঃশেষ হবে না যতক্ষণ না এক লোক কবরের নিকট গিয়ে সেটার উপর গড়াগড়ি করে বলবে, হায়! এ কবরবাসীর স্থলে যদি আমি হতাম। তার নিকট দীন থাকবে না; থাকবে শুধু বিপদাপদ।
৭১৯৫
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: ঐ সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার জীবন, মানুষের কাছে এমন এক সময় আগমন করবে, যখন হত্যাকারী জানবে না যে, কি দোষে সে হত্যা করলো এবং নিহত লোকও জানবে না যে, কি দোষে সে নিহত হলো।
৭১৯৬
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সেই সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার জীবন, দুনিয়া ধ্বংস হবে না যে পর্যন্ত না মানুষের কাছে এমন এক যুগ আসে, যখন হত্যাকারী জানবে না যে, কি দোষে সে অন্যকে হত্যা করেছে এবং নিহত লোকও জানবে না যে, কি দোষে তাকে হত্যা করা হচ্ছে। জিজ্ঞেস করা হলো, কিভাবে এমন অত্যাচার হবে? তিনি জবাবে বললেন, সে যুগটা হবে হত্যার যুগ। এরূপ যুগের হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামী হবে। বর্ণনাকারী আবান হলেন ইয়াজিদ ইবন কায়সান। তিনি ইসমাঈল (রহঃ) হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ইসমাঈলের বংশ-পরিচয়মূলক الأَسْلَمِيَّ শব্দটি তিনি বর্ণনা করেননি।
৭১৯৭
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: হাবশার এক লোক কা’বা ঘরকে ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে; তার উভয় পায়ের নলা ছোট ছোট হবে।
৭১৯৮
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আবিসিনিয়ার এক লোক মক্কা ঘরকে ধ্বংস করবে; তার উভয় পায়ের নলা ছোট ছোট হবে।
৭১৯৯
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ছোট ছোট নলা বিশিষ্ট আবিসিনিয়ার এক লোক আল্লাহ তা’আলার ঘরকে ধ্বংস করবে।
৭২০০
কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, কেয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না কাহতান গোত্র হতে এক লোকের আগমন ঘটবে, যে লোকেদেরকে লাঠি দিয়ে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।