৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭১৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭১৮১
ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামাত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না হিজাযভূমি থেকে অগ্নি প্রকাশিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না হিজাজ ভূমি থেকে একটি অগ্নি প্রকাশিত হবে, যা বুসরায় অবস্থানরত উটের গলা পর্যন্ত আলোকিত করবে।
৭১৮২
কিয়ামাতের পূর্বে মাদীনার ঘর-ভাড়ি ও অট্টালিকার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, মদিনার (মানুষের) বাড়ি ঘর “ইহাব” অথবা “ইয়াহাব” পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। যুহাইর (রহঃ) বলেন, আমি সুহাইল (রহঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, সেটা মদিনা হতে কত দূরে হবে? তিনি বললেন, এতো এতো মাইল দূরে অবস্থিত।
৭১৮৩
কিয়ামাতের পূর্বে মাদীনার ঘর-ভাড়ি ও অট্টালিকার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, অনাবৃষ্টির কারণেই কেবল দুর্ভিক্ষ হবে না। বরং অধিক বৃষ্টিপাত হতে থাকবে এবং জমিন কোনো কিছু উৎপাদন করবে না, ফলে তা দুর্ভিক্ষের কারণ হয়ে থাকে।
৭১৮৪
ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পূর্বমুখী ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, ফিতনা এদিক থেকে, ফিতনা এদিক থেকে- যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে।
৭১৮৫
ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাফসা (রাঃ)-এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তিনি তাঁর আঙ্গুল দ্বারা পূর্বপ্রান্তের দিকে ইশারা করে বললেন, ফিতনা এদিক থেকে— যেদিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। এ কথাটি তিনি দুই বা তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আয়িশা (রাঃ)-এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
৭১৮৬
ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পূর্বমুখী হয়ে বললেন: ফিতনা এদিক থেকে, ফিতনা এদিক থেকে, অবশ্যই ফিতনা এদিক থেকে, যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে।
৭১৮৭
ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আয়িশা (রাঃ)-এর ঘর থেকে বের হয়ে বললেনঃ কুফরীর উৎস এদিক থেকে – যেদিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে, অর্থাৎ পূর্ব দিক থেকে।
৭১৮৮
ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
পূর্বদিকে ইশারা করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমি একথা বলতে শুনেছি যে, সাবধান! ফিতনা এদিক থেকে, সাবধান ফিতনা এদিক থেকে- এভাবে তিনবার উল্লেখ করে তিনি বললেন, যেদিক থেকে শয়তানের দুইটি শিং উদিত হবে। অর্থাৎ পূর্বদিক হতে।
৭১৮৯
ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
তিনি বললেন, হে ইরাকবাসী! আমি তোমাদেরকে সগীরা গুনাহ সম্পর্কে প্রশ্ন করছি না এবং যারা কবীরা গুনাহ করছে তাদের সম্পর্কেও প্রশ্ন করছি না। আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলতেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে নিজ হাত দ্বারা পূর্ব দিকে ইশারা করে বলতে শুনেছি, ফিতনা এদিক থেকে আসবে- যেদিক থেকে শয়তানের দুইটি শিং উদিত হয়। অথচ তোমরা পরস্পর একে অপরের উপর হানাহানি করছ। [অবশ্য মুসা (আঃ) ফিরআউনের বংশ হতে এক লোককে ভুলবশত হত্যা করেছিলেন।] অতঃপর মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “(হে মুসা!) এবং তুমি এক লোককে হত্যা করেছ, তারপর আমি তোমাকে চিন্তামুক্ত করে দিলাম। আমি তোমাকে বিভিন্ন রকম পরীক্ষা করেছি।” (সূরা ত্বা-হা-২০: ৪০)। বর্ণনাকারী আহমাদ ইবনু উমর (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় سَمِعْتُ سَالِمَ “আমি সালিম হতে শুনেছি” না বলে عَنْ سَالِمٍ “সালিম হতে” এরূপ বলেছেন।
৭১৯০
দাওস গোত্রীয় লোকেরা যুল খালাস-এর পূজা করার পূর্বে কিয়ামাত কায়িম হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেয়ামত কায়িম হবে না যতক্ষণ না দাওস গোত্রীয় নারীদের নিতম্ব যুলখালাসা মূর্তির কাছে আন্দোলিত হবে। যুলখালাসা একটি মূর্তি ছিল, দাওস গোত্রীয় লোকেরা জাহিলী যুগে ‘তাবালাহ’ নামক স্থানে এর পূজা করত।