৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭১৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৭১৩১
ফিতনাসমূহ নিকটবর্তী হওয়া ও ইয়া’জূজ মা’জূজ-এর প্রাচীর খুলে যাওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)
আজ ইয়াজুজ ও মাজুজ পরিবেষ্টিত প্রাচীর এ পরিমাণ উন্মুক্ত হয়ে গেছে। এ সময় রাবী [ওহায়ব (রহঃ)] নিজ হাতের দ্বারা নব্বই সংখ্যার গিরা বা বেড়ি তৈরি করে দেখালেন।
৭১৩২
বাইতুল্লাহ শরীফের দিকে (যুদ্ধ) অগ্রগামী সেনাদল মাটিতে ধ্বসে যাবে পরিচ্ছেদ নাই
উবাইদুল্লাহ ইবনু কিব্তিয়্যাহ্ (রহঃ)
হারিস ইবন আবু রাবীআ ও আবদুল্লাহ ইবন সুফ্ইয়ান (রহঃ) দুইজনেই উম্মুল মুমিনীন উম্মু সালামা (রাঃ)-এর কাছে গেলেন। আমিও তাঁদের সঙ্গে ছিলাম। তাঁরা তাঁকে ঐ বাহিনী সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন, যারা ভূমিতে ধ্বসে যাবে। তখন ইবন যুবাইর (রাঃ)-এর খিলাফাতকাল ছিল। উত্তরে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: জনৈক আশ্রয় গ্রহণকারী বাইতুল্লাহ শরীফে আশ্রয় গ্রহণ করবে। তখন তার বিরুদ্ধে একটি বাহিনী প্রেরণ করা হবে। তারা যখন “বাইদা” নামক এক মাঠে অবস্থান নেবে তখন তারা ভূমিতে ধ্বসে যাবে।এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! ঐ লোকের ব্যাপারে এ কী করে প্রযোজ্য হতে পারে যে অসন্তুষ্ট হৃদয়ে এ অভিযানে শামিল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের সঙ্গে তাকেও ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। তবে কেয়ামতের দিন তার উত্থান হবে স্বীয় নিয়তের ভিত্তিতে। বর্ণনাকারী আবু জাফর (রহঃ) বলেন, এ “বাইদা” হলো মদিনার নিকটবর্তী স্থান।
৭১৩৩
বাইতুল্লাহ শরীফের দিকে (যুদ্ধ) অগ্রগামী সেনাদল মাটিতে ধ্বসে যাবে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল ‘আযীয ইবনু রুফাই’ (রহঃ)
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাতে আছে, আমি আবু জাফর (রহঃ)-এর সঙ্গে দেখা করে বললাম, উম্মু সালামা (রাঃ) তো “বাইদা” নামক এক ময়দানের কথা বলেছেন। আবু জাফর (রহঃ) বললেন, কক্ষনো নয়, আল্লাহর শপথ! এ তো মদিনার “বাইদা” মাঠ।
৭১৩৪
বাইতুল্লাহ শরীফের দিকে (যুদ্ধ) অগ্রগামী সেনাদল মাটিতে ধ্বসে যাবে পরিচ্ছেদ নাই
হাফসাহ্ (রাযিঃ)
তিনি নবী (ﷺ)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, একটি বাহিনী এ কা’বা গৃহের বিপক্ষে যুদ্ধ করার ইচ্ছা করবে। তারপর তারা যখন “বায়দা” নামক এক ময়দানে পদার্পণ করবে তখন তাদের মাঝের অংশটি ভূমিতে ধ্বসে যাবে। এ সময় অগ্রভাগের সৈন্যরা পশ্চাতের সৈন্যদেরকে উচ্চৈঃস্বরে ডাকতে থাকবে। অতঃপর প্রত্যেকেই ভূমিতে ধ্বসে যাবে। বেঁচে যাওয়া একটি ব্যক্তি ছাড়া তাদের কেউ আর বাকী থাকবে না। সে-ই তাদের সম্বন্ধে অন্যদেরকে খবর দিবে। এ কথা শুনে এক লোক বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি হাফসা (রাঃ)-এর উপর মিথ্যারোপ করনি এবং হাফসা (রাঃ)-এর সম্বন্ধেও আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনিও নবী (ﷺ)-এর উপর মিথ্যারোপ করেননি।
৭১৩৫
বাইতুল্লাহ শরীফের দিকে (যুদ্ধ) অগ্রগামী সেনাদল মাটিতে ধ্বসে যাবে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ্ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এমন সম্প্রদায় এ গৃহ তথা কা‘বার দায়িত্ব গ্রহণ করবে, যাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকবে না, থাকবে না তাদের উল্লেখযোগ্য সৈন্য সংখ্যা এবং থাকবে না তাদের আসবাব-সামগ্রী। তাদের বিপক্ষে একটি সৈন্যদল পাঠানো হবে। তারা উদ্ভিদ শূন্য এক ময়দানে আসতেই তাদেরকে ভূমিতে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। বর্ণনাকারী ইউসুফ (রহঃ) বলেন, এ সময় সিরিয়াবাসীরা মক্কাবাসীদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আসছিল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান (রহঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! তারা এ সৈন্যবাহিনী নয়।বর্ণনাকারী যায়দ (রহঃ) উম্মুল মু’মিনীন থেকে ইউসুফ ইবনু মাহিক-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাফ্ওয়ান (রহঃ) যে সৈন্যদলের কথা বর্ণনা করেছেন তিনি সে বাহিনীর কথা বর্ণনা করেননি।
৭১৩৬
বাইতুল্লাহ শরীফের দিকে (যুদ্ধ) অগ্রগামী সেনাদল মাটিতে ধ্বসে যাবে পরিচ্ছেদ নাই
‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
একদা রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্বীয় হাত পা নাড়ালেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আজ রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় আপনি এমন আচরণ করেছেন, যা আগে আপনি কখনো করেননি। তিনি বললেনঃ আশ্চর্যের বিষয় এই যে, কুরাইশ বংশীয় জনৈক লোক বাইতুল্লাহ শরীফে আশ্রয় গ্রহণ করবে। তার কারণে আমার উম্মতের একদল লোক বাইতুল্লাহর উপর আক্রমণের ইচ্ছা করবে। তারা রওনা হয়ে গাছপালাশূন্য ময়দানে আসতেই তাদের ভূমিতে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে।এ কথা শুনে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বিভিন্ন ধরনের মানুষই তো রাস্তা দিয়ে চলে। উত্তরে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাদের মাঝে কেউ স্বেচ্ছায় আগমনকারী, কেউ অপারগ, আবার কেউ পথিক মুসাফির। তারা সবাই এক সঙ্গেই ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে বিভিন্ন মিল্লাতের অনুসারী হিসেবে তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে তাদের নিয়তের ভিত্তিতে উত্থিত করবেন।
৭১৩৭
বৃষ্টি বর্ষণের মতো বিপদাপদ পতিত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
উসামাহ্ (রাযিঃ)
একদিন নবী (ﷺ) মদিনার সুউচ্চ এক অট্টালিকার উপর আরোহণ করে বললেন, “আমি যা কিছু দেখি তোমরা কি তা দেখছো? আমি তোমাদের ঘরের ভিতরে বৃষ্টিপাতের মতো দুর্যোগ নিপতিত হবার স্থানসমূহ দেখতে পাচ্ছি।”
৭১৩৮
বৃষ্টি বর্ষণের মতো বিপদাপদ পতিত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
অবিকল হাদিস বর্ণিত আছে।
৭১৩৯
বৃষ্টি বর্ষণের মতো বিপদাপদ পতিত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: অচিরেই এমন ফিতনার আত্মপ্রকাশ হবে, যা উপবিষ্ট ব্যক্তি দণ্ডায়মান ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর দণ্ডায়মান ব্যক্তি তখন চলমান ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর চলমান ব্যক্তি তখন দ্রুতগামী ব্যক্তি হতে ভালো থাকবে। যে ব্যক্তি সে ফিতনায় যখন জড়িয়ে পড়বে তাকে সে ফিতনা ধ্বংস করে দিবে। আর যে ব্যক্তি কোন আশ্রয়স্থল পাবে, তার সেটা দ্বারা আশ্রয় নেয়া বাঞ্ছনীয়।
৭১৪০
বৃষ্টি বর্ষণের মতো বিপদাপদ পতিত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
নাওফাল ইবনু মু‘আবিয়াহ্ (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর এ হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আবু বকর (রাঃ) এতে সালাতের কথা বর্ধিত উল্লেখ করেছেন। সালাতসমূহের মধ্যে এমন একটি সালাত আছে, যার সে সালাত ছুটে গেল, তার যেন পরিবার-পরিজন ও সমুদয় ধন-সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেল।