৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৭১
কেবল বীর্যপাত হলেই গোসল করতে হবে, এ হুকুম রহিতকরণ পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্‌ (রহঃ)
অবিকল বর্ণিত রয়েছে। তবে শু’বার হাদীসে ‘এরপর মিলিত হয়’ কথাটির উল্লেখ আছে। কিন্তু ‘যদিও বীর্য বের না হয়’— কথাটি বর্ণনা নেই।
৬৭২
কেবল বীর্যপাত হলেই গোসল করতে হবে, এ হুকুম রহিতকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)
মুহাজির ও আনসারদের একটি দল এ ব্যাপারে মতবিরোধ করল। আনসাররা বলল, জোরে অথবা স্বাভাবিক গতিতে পানি (বীর্য) বের না হলে গোসল ফরজ হয় না। আর মুহাজিররা বলল, স্ত্রীর সঙ্গে শুধু মিললেই গোসল ফরজ (বীর্য বের হোক বা না হোক)।আবু মূসা (রাঃ) বললেন, আমি এ ব্যাপারে তোমাদেরকে শান্ত করছি। এরপর আমি উঠে গিয়ে আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। আমাকে অনুমতি দেয়া হল। আমি তাকে বললাম, মা! অথবা (তিনি বলছিলেন) হে মুমিনদের মা! আমি আপনার কাছে একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে চাই কিন্তু আমি লজ্জাবোধ করছি।তিনি বললেন, তুমি তোমার গর্ভধারিণী মাকে যে ব্যাপারে প্রশ্ন করতে পারতে সে ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন করতে লজ্জাবোধ করো না। আমি তো তোমার মা। আমি বললাম, গোসল কিসে ফরজ হয়?তিনি বললেন, জানা- কোনো লোকের কাছেই তুমি প্রশ্ন করেছ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন কোনো পুরুষ স্ত্রীর চার হাত-পায়ের মাঝখানে বসবে এবং একের লজ্জাস্থান অপরের লজ্জাস্থানের সাথে লাগবে তখন গোসল ফরজ হবে।
৬৭৩
কেবল বীর্যপাত হলেই গোসল করতে হবে, এ হুকুম রহিতকরণ পরিচ্ছেদ নাই
রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
একদা এক লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করল- যদি কেউ তার স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করে, অতঃপর বীর্য বের হবার আগেই তার পুরুষাঙ্গ বের করে ফেলে তাহলে কি তাদের উভয়ের গোসল ফরজ হবে? এ সময়ে আয়িশা (রাঃ) সেখানে উপবিষ্ট ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “আমি এবং আয়িশা (রাঃ) ঐরূপ করি, এরপর আমরা গোসল করে ফেলি।”
৬৭৪
অগ্নি স্পৃষ্ট দ্রব্যাদি থেকে (খাবার পর) ওযূ করা সম্পর্কে [৯৭] পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন, আগুনে পাকানো খাবার খেয়ে ওজু করতে হবে।
৬৭৫
অগ্নি স্পৃষ্ট দ্রব্যাদি থেকে (খাবার পর) ওযূ করা সম্পর্কে [৯৭] পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব বলেন, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) তাঁকে বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইব্‌রাহীম ইবনু কারিয (রহঃ)
তিনি একদিন আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে মসজিদের সামনে ওজু করতে দেখেছেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি কয়েক টুকরা পনির খেয়েছি, তাই ওজু করছি। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: তোমরা আগুনে রান্না করা খাবার খেলে ওজু করবে।
৬৭৬
অগ্নি স্পৃষ্ট দ্রব্যাদি থেকে (খাবার পর) ওযূ করা সম্পর্কে [৯৭] পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব
আমি সাঈদ ইবন খালিদ ইবন আমর ইবন উসমান-এর কাছে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছিলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন যে, তিনি আগুনে পাকানো খাবার খেয়ে ওযু করা সম্পর্কে উরওয়া ইবন যুবাইরকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি বললেন, আমি নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন, তোমরা আগুনে রান্না করা খাবার খেয়ে ওযু করবে।
৬৭৭
আগুনে রান্না খাবার খেয়ে ওযূ করার বিধান মানসুখ (রহিত) হওয়া সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি বকরির কাঁধের গোশত খেলেন, তারপর সালাত আদায় করলেন কিন্তু ওজু করলেন না।
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি বকরির কাঁধের গোশত খেলেন, তারপর সালাত আদায় করলেন কিন্তু ওজু করলেন না।
৬৭৮
অগ্নি স্পৃষ্ট দ্রব্যাদি থেকে (খাবার পর) ওযূ করা সম্পর্কে [৯৭] পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার হাড়ে লাগানো গোশত অথবা গোশত খেলেন। তারপর সালাত আদায় করলেন; কিন্তু ওজু করলেন না এবং পানিও স্পর্শ করলেন না।
৬৭৯
অগ্নি স্পৃষ্ট দ্রব্যাদি থেকে (খাবার পর) ওযূ করা সম্পর্কে [৯৭] পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র ইবনু উমাইয়্যাহ্‌ আয্‌ যামরী (রাঃ
তিনি একবার দেখলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি বকরির কাঁধের গোশত কেটে খাচ্ছিলেন। তারপর তিনি (ﷺ) সালাত আদায় করলেন আর ওজু করলেন না।
৬৮০
অগ্নি স্পৃষ্ট দ্রব্যাদি থেকে (খাবার পর) ওযূ করা সম্পর্কে [৯৭] পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র ইবনু উমাইয়্যাহ আয্‌ যামরী (রাঃ)
আমি একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখলাম তিনি একটি বকরির কাঁধের গোশত (ছুরি দিয়ে) কাটছেন। এরপর তিনি তা খেলেন। ইতিমধ্যে সালাতের জন্য ডাকা হল। তিনি তখন দাঁড়িয়ে গেলেন এবং ছুরিটি ফেলে দিলেন এবং সালাত আদায় করলেন; কিন্তু ওজু করলেন না।ইবনু শিহাব বলেন, আলী ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।