৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৬১
প্রসাবের ও পায়খানার সময় পর্দা করা পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইবনু জা’ফার (রাঃ)
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে তাঁর সাওয়ারীর পিছন দিকে বসালেন এবং আমাকে চুপে চুপে এমন একটি কথা বললেন যা আমি কাউকে কখনো বলব না। তবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সমাধা করার সময় উঁচু ঢিলা অথবা ঘন গাছগাছালি দ্বারা ঢাকা স্থানকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন। ইবনু আসমা তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, অর্থাৎ খেজুর বাগানের আড়ালে মানবীয় প্রয়োজন সমাধান করাটাই বেশি পছন্দ করতেন।
৬৬২
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুর রহমান ইবনু আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) তাঁর পিতা আবূ সা’ঈদ আল খুদরী
কোন এক সোমবারে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে কুবা এলাকার দিকে গেলাম। আমরা বানু সালিম গোত্রের মহল্লায় পৌঁছালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইতবান এর গেইটে দাঁড়ালেন এবং তাঁকে উচ্চস্বরে ডাকলেন। তৎক্ষণাৎ তিনি পরনের লুঙ্গি হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে বের হয়ে আসলেন। এ অবস্থা দেখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমরা কি লোকটিকে তাড়াহুড়োয় ফেলে দিলাম? তখন ইতবান বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যদি কোন ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সাথে সহবাসের সময় তাড়াহুড়ো করে এবং তাতে বীর্যপাত না হয় তখন তাকে কি করতে হবে? (অর্থাৎ তাকে গোসল করতে হবে কিনা?) জবাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, বস্তুতঃ বীর্যপাত ঘটলেই গোসল করতে হবে।
৬৬৩
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, পানির (বীর্য বের হলে) দ্বারা (গোসল) ফরজ হয়।
৬৬৪
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
আবূল ‘আলা ইবনু শিখ্‌খীর (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এক হাদিস অপর হাদিসকে মানসুখ (রহিত) করে দিত, যেমনিভাবে কুরআনের এক আয়াত অপর আয়াতকে মানসুখ করে।
৬৬৫
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক আনসারীর (বাড়ির) সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে সংবাদ পাঠালেন। সে বেরিয়ে এলো আর তার মাথা থেকে তখন ফোঁটা ফোঁটা পানি ঝরছিল। তিনি (ﷺ) বললেন, সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়োর মধ্যে ফেলেছি। সে বলল, হ্যাঁ, ইয়া রসূলুল্লাহ (ﷺ)! তিনি বললেন, যখন (কোনো কারণে) তোমাকে তাড়াতাড়ি (বীর্য বের হবার আগেই উঠে পড়তে হয়) অথবা বীর্য বের হতে বাধাপ্রাপ্ত হও, তখন তোমার উপর গোসল করা (ফরজ) নয়; বরং তোমার উপর শুধু ওজু করা জরুরি। আর ইবনু বাশশার বলেন, যখন তোমাকে তাড়াহুড়ার মধ্যে ফেলা হয়েছে বা তোমাকে বীর্যপাত করতে বাধা দেয়া হয়েছে।
৬৬৬
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করলাম সে ব্যক্তি সম্পর্কে যে স্ত্রী সহবাস করে (অথচ) তারপর বীর্যপাত হল না। তিনি বললেন, স্ত্রীর (লজ্জাস্থান) থেকে তার (লজ্জাস্থানে) যা লেগেছে তা ধুয়ে ফেলবে। তারপর ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে।
৬৬৭
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)
যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে, কিন্তু বীর্যপাত হয় না- তাঁর সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, “সে তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে এবং ওযু করবে।”
৬৬৮
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু খালিদ আল জুহানী (রাঃ)
একদা তিনি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-কে প্রশ্ন করেন, কোন লোক যদি তার স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করে এবং বীর্যপাত না হয় তাহলে তার হুকুম কি? উসমান (রাঃ) বললেন, সে সালাতের ওজু করে নিবে এবং তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে। উসমান (রাঃ) বলেন, আমি এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছি।
৬৬৯
একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] পরিচ্ছেদ নাই
আবূ আইয়ুব (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে এমন শুনেছেন।
৬৭০
কেবল বীর্যপাত হলেই গোসল করতে হবে, এ হুকুম রহিতকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যখন কেউ তার স্ত্রীর চার হাত পায়ের মাঝখানে বসবে এবং তার সাথে মিলিত হবে তখন তার উপর গোসল ফরজ হবে। মাতারের হাদীসে ‘যদিও বীর্য বের না করে’— বাক্যটি অতিরিক্ত রয়েছে। যুহায়র বলেছেন, তাদের মধ্য হতে কেউ যদি নারীর চার শাখার মধ্যে বসে।