৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৪১
ইসতিহাযাহ [৮৯] বা রক্তপ্রদর রোগগ্রস্ত মহিলার গোসল ও তার সালাত প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
জারীর (রাযিঃ)
ফাতিমা বিনত আবু হুবায়শ ইবন আবদুল মুত্তালিব ইবন আসাদ যিনি আমাদের বংশের একজন মহিলা ছিলেন- রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এলেন। আর হাম্মাদ ইবন যায়দ-এর হাদীসে একটি অক্ষর অতিরিক্ত ছিল, আমরা তা উল্লেখ করিনি।
৬৪২
ইসতিহাযাহ [৮৯] বা রক্তপ্রদর রোগগ্রস্ত মহিলার গোসল ও তার সালাত প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশা (রাঃ)
উম্মু হাবিবা বিনত জাহশ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে মাসআলা জানতে চেয়ে বললেন, “আমার ইসতিহাজা হয়েছে।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “ওটা হল একটা রগের (ধমনী) রক্ত। তাই তুমি গোসল করে ফেলবে তারপর সালাত আদায় করবে।” এরপর সে প্রতি সালাতের সময়ই গোসল করত।রাবী লাইস ইবনু সা’দ বলেন, ইবনু শিহাব এ কথা উল্লেখ করেননি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উম্মু হাবিবা-কে প্রত্যেক সালাতের সময়ই গোসলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বরং এটা সে নিজের থেকেই করত। ইবনু রুমহ তাঁর বর্ণনায় জাহশের কন্যার কথা বলেছেন, উম্মু হাবিবার নাম উল্লেখ করেননি।
৬৪৩
ইসতিহাযাহ [৮৯] বা রক্তপ্রদর রোগগ্রস্ত মহিলার গোসল ও তার সালাত প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়িশা (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর শ্যালিকা এবং আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-এর স্ত্রী হাবিবা বিনতু জাহশ (রাঃ) সাত বছর যাবৎ ইসতিহাজার রোগী ছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এ ব্যাপারে মাসআলা জানতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এটা হায়িজ নয়; বরং ধমনী (রগের) রক্ত। তাই তুমি গোসল করে ফেল এবং সালাত আদায় কর।আয়িশা (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি তার বোন যায়নাব বিনতু জাহশ (রাঃ)-এর ঘরে একটি পাত্রের মধ্যে বসে গোসল করতেন। এমনকি পানি রক্তে লাল হয়ে যেত।ইবন শিহাব বলেন, আমি এই হাদিসটি আবু বকর ইবন আবদুর রহমান ইবনে হারিস ইবনে হিশাম-এর কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ হিন্দ-এর ওপর রহমত করুন। সে যদি এ ফাতওয়ার (মাসআলা) শুনতে পেত! আল্লাহর কসম! সে শুধু কাঁদত। কারণ সে সালাত আদায় করত না (এ মাসআলা তার জানা ছিল না। ফলে সালাত আদায় করতে না পারার কারণে কাঁদত)।
৬৪৪
ইসতিহাযাহ [৮৯] বা রক্তপ্রদর রোগগ্রস্ত মহিলার গোসল ও তার সালাত প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
উম্মু হাবীবা বিনতু জাহশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এলেন। আর সাত বছর ধরে তাঁর ইসতিহাযা চলছিল। এরপর রাবী আবু ইমরান আমর ইবনুল হারিসের অনুরূপ “এমনকি পানি রক্তে লাল হয়ে যেত” পর্যন্ত বর্ণনা করেন। এর পরবর্তী অংশ তিনি উল্লেখ করেননি।
৬৪৫
ইসতিহাযাহ [৮৯] বা রক্তপ্রদর রোগগ্রস্ত মহিলার গোসল ও তার সালাত প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাযিঃ)
জাহশের কন্যার সাত বছর যাবত ইসতিহাযা ছিল। এরপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
৬৪৬
ইসতিহাযাহ [৮৯] বা রক্তপ্রদর রোগগ্রস্ত মহিলার গোসল ও তার সালাত প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশা (রাযিঃ)
উম্মু হাবীবা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। এরপর আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর পাত্র দেখেছি রক্তে পরিপূর্ণ। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, তোমার হায়িয যে কয়দিন হয়, সে কয়দিন পরিমাণ তুমি অপেক্ষা কর। তারপর গোসল করে ফেল এবং সালাত আদায় কর।
৬৪৭
ইসতিহাযাহ [৮৯] বা রক্তপ্রদর রোগগ্রস্ত মহিলার গোসল ও তার সালাত প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাযিঃ)
আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবা বিনত জাহশ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে তার রক্ত প্রদরের অসুবিধার কথা বললেন। তিনি তাকে বললেনঃ তুমি তোমার মাসিক ঋতুর মেয়াদ পরিমাণ অপেক্ষা কর (অর্থাৎ) এ সময়ে সালাত আদায় করবে না। এ সময় পার হলে তুমি গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে। তাই তিনি প্রত্যেক সালাতের সময়েই গোসল করতেন।
৬৪৮
ঋতুবতী মহিলার উপর সওম কায়া করা জরুরী, সলাত নয় পরিচ্ছেদ নাই
মু’আযাহ্‌ (রহঃ)
জনৈক মহিলা ‘আয়িশা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করল, আমাদের কেউ কি তার হায়িযের দিনগুলোর সালাত কাযা করবে? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তুমি কি হারুরিয়্যা (খারেজী)? রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে আমাদের কারো হায়িয হলে পরে তাকে (সালাত) কাযা করার নির্দেশ দেওয়া হতো না।
৬৪৯
ঋতুবতী মহিলার উপর সওম কায়া করা জরুরী, সালাত নয় পরিচ্ছেদ নাই
মু’আযাহ্‌ (রহঃ)
তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, ঋতুবতী মহিলা কি সালাত কাজা করবে? আয়িশা (রাঃ) বললেন, তুমি কি হারুরিয়্যা? রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পত্নীগণের হায়েয হতো, তিনি কি তাঁদেরকে (সালাত) কাজা করার হুকুম দিয়েছেন? মুহাম্মাদ ইবন জাফার বলেন يَجْزِينَ সালাত কাজা করা।
৬৫০
ঋতুবতী মহিলার উপর সওম কায়া করা জরুরী, সালাত নয় পরিচ্ছেদ নাই
মু’আযাহ্‌ (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, ঋতুবতী মহিলা সাওম কাযা করবে এবং সালাত কাযা করবে না এটা কেমন কথা? তুমি কি হারুরিয়্যা? আমি বললাম, আমি হারুরিয়্যা নই; বরং আমি (জানার জন্যই কেবল) জিজ্ঞেস করছি। তিনি [আয়িশা (রাঃ)] বললেন, আমাদের এরূপ হত। তখন আমাদেরকে কেবল সাওম কাযা করার নির্দেশ দেওয়া হত, সালাত কাযা করার নির্দেশ দেওয়া হত না।