৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৭৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৭৭১
খারাপ সিদ্ধান্ত, (মুসীবাতে) দুঃখ পাওয়া ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
খাওলা বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যে লোক কোন ঘাঁটিতে নেমে এ দোয়া পড়ে, "আউযু বিকালিমাতিল্‌ লা-হিত তা-মা-তি মিন্‌ শাররি মা- খলাক"। অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালাম দিয়ে তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী হতে আশ্রয় চাই।” সে ঐ ঘাঁটি হতে অন্য ঘাঁটিতে রওনা না হওয়া পর্যন্ত তাকে কোন কিছুই কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।
৬৭৭২
খারাপ সিদ্ধান্ত, (মুসীবাতে) দুঃখ পাওয়া ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
খাওলাহ্ বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন ঘাঁটিতে নামেন তখন সে যেন এ দোয়া পড়ে- "আউযু বিকালিমাতিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শারি মা- খলাক”। অর্থাৎ- ‘আমি পরিপূর্ণ কালিমার মাধ্যমে আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। এতে সে লোক এ ঘাঁটি হতে অন্যত্র রওনা হওয়া পর্যন্ত কোন কিছু তাকে ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।
৬৭৭৩
খারাপ সিদ্ধান্ত, (মুসীবাতে) দুঃখ পাওয়া ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
এক লোক নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! গত রাতে একটি বিচ্ছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি।’ তিনি বললেন, “যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দোয়াটি পড়তে "আউযু বিকালিমাতিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা- খলাক" অর্থাৎ— ‘আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমার মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে পানাহ চাই’, তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না।”
৬৭৭৪
খারাপ সিদ্ধান্ত, (মুসীবাতে) দুঃখ পাওয়া ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাকে একটি বিচ্ছু দংশন করেছে। এরপর ইবনু ওয়াহ্‌বের হাদীসের অবিকল।
৬৭৭৫
বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয় পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তুমি তোমার বিছানা গ্রহণ করবে তখন সালাতের ওজুর মতো তুমি ওজু করে নিবে। এরপর তুমি তোমার ডান কাতে শুয়ে পড়বে। তারপর তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারাকে তোমার প্রতি সমর্পণ করলাম, আমার কাজ-কর্ম তোমার নিকট অর্পণ করলাম। আমি প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশায় এবং শাস্তির ভয় পূর্বক তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম। তুমি ব্যতীত নেই কোন আশ্রয়স্থল ও নেই কোন মুক্তির স্থান। তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছ তার উপর বিশ্বাস আনলাম, তুমি যে নবীকে পাঠিয়েছ তাঁর প্রতি বিশ্বাস আনলাম।” আর এ বাক্যগুলোকে তোমার শেষ কথা বলে গণ্য করে নাও। এরপর যদি তুমি ঐ রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে।বারা (রাঃ) বলেন, আমি এ দোয়াগুলো মনে রাখার জন্যে বার বার পড়তে গিয়ে আমি বললাম, (হে আল্লাহ) আমি আপনার রাসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন। অর্থাৎ- (‘তোমার নবীর’ স্থানে ‘তোমার রাসূল’ বললাম)। তিনি বললেন, তুমি বলো, আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি তোমার নবীর প্রতি যাকে তুমি প্রেরণ করেছ।
৬৭৭৬
বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয় পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
তিনি মানসুরের বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ বর্ণনা করেছেন। আর হুসাইন-এর হাদীসে ‘যদি সে সকালে উপনীত হয় তাহলে সে কল্যাণপ্রাপ্ত হবে’ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন।
৬৭৭৭
বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয় পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে আদেশ করলেন, রাতে সে শয্যা গ্রহণকালে বলবে- “আল্ল-হুম্মা আসলামতু নাফসী ইলাইকা ওয়া ওয়াজজাহ্‌তু ওয়াজহি ইলাইকা ওয়া আল জা’তু যাহরী ইলাইকা ওয়াফাও ওয়ায্‌তু আমরী ইলাইকা রাগবাতান ওয়া রাহবাতান ইলাইকা লা- মালজাআ ওয়ালা- মান্‌জা- মিনকা ইল্লা-ইলাইকা আ-মানতু বিকিতা-বিকাল্লাযী আন্‌যালতা ওয়াবি রসূলিকাল্লাযী আরসালতা, ফা-ইন মা-তা মা-তা ’আলাল ফিতরাহ”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আমার আত্মাকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম, আমার মুখমণ্ডল আপনার দিকে ফিরালাম, আমার পিঠকে আপনার নিকট সোপর্দ করলাম, পুরস্কারের আশায় ও শাস্তির ভয়ে; আপনি ভিন্ন নেই কোন আশ্রয়স্থল আর নেই কোন মুক্তির পথ। আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি আপনার কিতাবের উপর, যা আপনি অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনার রাসূলের প্রতি (বিশ্বাস স্থাপন করেছি) যাঁকে আপনি পাঠিয়েছেন।” এরপর যদি সে লোক ঐ রাতে মারা যায়, তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করেছে (বলে গণ্য হবে)। ইবনু বাশশার (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে مِنَ اللَّيْلِ ‘রাত্রিকালে’ কথাটি বর্ণনা করেননি।
৬৭৭৮
বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয় পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে বললেন, ‘হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করবে।’ এরপর আমর ইবন মুররাহ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করলেন। কিন্তু পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, “ওয়াবি নাবিয়্যিকাল্লাযী আর্সাল্তা” অর্থাৎ- “এবং আপনার সে নবীর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছি, যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন।” যদি তুমি সে রাত্রে মৃত্যুবরণ করো তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করবে। আর যদি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে।
৬৭৭৯
বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয় পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে আদেশ করলেন। তারপর তার অবিকল (বর্ণনা করলেন)। কিন্তু তিনি “যদি তুমি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে” কথাটি বর্ণনা করেননি।
৬৭৮০
বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয় পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
নবী (ﷺ) যখন শয্যাগ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্লা-হুম্মা বিসমিকা আহইয়া- ওয়া বিসমিকা আমুতু” অর্থাৎ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নামেই জীবিত আছি আর তোমার নামেই মৃত্যুবরণ করছি।” আর যখন তিনি ঘুম হতে সজাগ হতেন তখন বলতেন, “আলহামদু লিল্লা-হিল্লায়ী আহইয়া-না- বা’দা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন নুশুর” অর্থাৎ “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই যিনি আমাদেরকে মৃত্যুবরণের পর জীবিত করেছেন। আর তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন।”