৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৭৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৭৫১
বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা বা ইসতিগ্‌ফার করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী আগার আল মুযানী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার অন্তরে কখনো কখনো অলসতা দেখা দেয়, তাই আমি দৈনিক একশ বার আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকি।
৬৭৫২
বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা বা ইসতিগ্‌ফার করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বুরদাহ্ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-এর সাহাবি আগর (রাঃ) হতে শুনেছি, তিনি ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবা করো। কেননা আমি আল্লাহর নিকট প্রতিদিন একশ বার তাওবা করে থাকি।”
৬৭৫৩
বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা বা ইসতিগ্‌ফার করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্ (রহঃ)
এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৬৭৫৪
বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা বা ইসতিগ্‌ফার করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে লোক পশ্চিম আকাশে সূর্যোদয় হওয়ার আগে তওবা করবে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন।
৬৭৫৫
যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
আমরা কোন এক সফরে নবী (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। তখন মানুষেরা উচ্চৈঃস্বরে তাকবির পাঠ করছিল। নবী (ﷺ) বললেনঃ হে মানবজাতি! তোমরা জীবনের উপর সদয় হও। কেননা তোমরা তো কোন বধির অথবা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছো না। নিশ্চয়ই তোমরা ডাকছো সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী সত্তাকে যিনি তোমাদের সাথেই আছেন। আবু মূসা (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর পিছে ছিলাম। তখন আমি বলছিলাম, আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কোন ভাল কাজের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এবং মন্দ কর্ম থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য নেই। তখন তিনি (ﷺ) বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি কি তোমাকে জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের মধ্যে কোন একটি গুপ্তধনের কথা জানিয়ে দিব? আমি বললাম, অবশ্যই হে আল্লাহর রসূল! অতঃপর তিনি বললেন, তুমি বলো, لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ ‘আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কারো (ভাল কর্মের দিকে) এগিয়ে যাওয়া এবং (খারাপ কর্ম থেকে) ফিরে আসার সামর্থ্য নেই’।
৬৭৫৬
যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আসিম (রহঃ)
এ সূত্রে তিনি হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৬৭৫৭
যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
তারা (সাহাবীগণ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলেন এবং তারা একটি উঁচু টিলায় আরোহণ করছিলেন। যখনই কোনো লোক টিলার উপরে উঠত তখনই উচ্চকণ্ঠে "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াল্ল-হু আকবার" (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো ইলাহ নেই এবং আল্লাহ মহান) বলত। তিনি (রাবী) বলেন, তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ তোমরা তো অবশ্যই কোনো বধির কিংবা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছো না। এরপর নবী (ﷺ) বললেনঃ হে আবু মূসা অথবা হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি কি তোমাকে এমন এক কালিমা সম্পর্কে জানিয়ে দিব না যা জান্নাতের গুপ্তধন? আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী (ﷺ)! তা কি? তিনি বললেন, "লা- হাওলা ওয়ালাকুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ" অর্থাৎ আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কারো ভাল কর্ম করার এবং খারাপ কর্ম থেকে বিরত থাকার সামর্থ্য নেই।
৬৭৫৮
যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট আগমন করলেন। এরপর তিনি তার হুবহু হাদীস উল্লেখ করেন।
৬৭৫৯
যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
কোন এক সফরে আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। এরপর তিনি ‘আসিমের হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন।
৬৭৬০
যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে কোন এক যুদ্ধাভিযানে ছিলাম। তারপর তিনি সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি তার বর্ণনায় বলেছেন, “ঐ সত্তার শপথ, তোমরা যাঁকে ডাকছো তিনি তোমাদের উটের গর্দানের চেয়েও অতি নিকটবর্তী।” তবে তাঁর হাদীসে “লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লাহ” কথাটির উল্লেখ নেই।