৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৬৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৬৪১
আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ)-এর বাক-বিতণ্ডা পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা সকল মাখলুকের তাকদীর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে লিখেছেন। সে সময় আল্লাহর ‘আরশ পানির উপরে ছিল।
৬৬৪২
আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ)-এর বাক-বিতণ্ডা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হানী (রাঃ)
আবু হানী (রাঃ)-এর সানাদে তাঁর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়ে তাঁদের হাদীসে “তাঁর ‘আরশ পানির উপর ছিল” কথাটি উল্লেখ করেননি।
৬৬৪৩
আল্লাহ তা‘আলা যেভাবে চান হৃদয়সমূহ পরিবর্তন করেন পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, আদম সন্তানের কলবসমূহ পরম দয়াময় আল্লাহ তাআলার দুই আঙ্গুলের মধ্যে এমনভাবে আছে যেন তা একটি কলব। তিনি যেভাবে চান সেভাবেই তা উলটপালট করেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “কলবসমূহের পরিচালক হে আল্লাহ! আপনি আমাদের কলবসমূহকে তোমার বশ্যতার উপর স্থির রাখুন।”
৬৬৪৪
সকল বিষয় নির্ধারিত পরিচ্ছেদ নাই
তাউস (রহঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক সাহাবীকে দেখতে পেয়েছি। তারা বলতেন যে, সকল বিষয় নির্ধারিত (সৃষ্ট)। আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সকল বিষয় নির্দিষ্ট পরিমাণে সৃষ্ট; এমনকি অক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা অথবা বুদ্ধিমত্তা ও অক্ষমতাও।
৬৬৪৫
সকল বিষয় নির্ধারিত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
কুরাইশ গোত্রের মুশরিকরা ভাগ্যলিপির ব্যাপারে বিবাদ করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আগমন করলো। তারপর এ আয়াত নাযিল হলো- “যেদিন তাদেরকে নিম্নমুখী করে জাহান্নামে টেনে আনা হবে এবং (বলা হবে) জাহান্নামের আগুনের ছোঁয়া আস্বাদন করো। নিশ্চয়ই আমি সকল বিষয়বস্তু পরিমিত পরিমাণে সৃষ্টি করেছি।”
৬৬৪৬
আদাম সন্তানের উপর ব্যভিচার ও অন্যান্য বিষয়ের অংশ পরিমিত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) যা বলেছেন ‘লামাম’ (আকর্ষণীয় বড় গুনাহ) বিষয়ে তার চেয়ে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ কোন বিষয় আমি দেখিনি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের যে ভাগ লিখেছেন, নিঃসন্দেহে তা সে পাবে। দুই চোখের ব্যভিচার দেখা, জিভের ব্যভিচার পরস্পর কথোপকথন, মনের ব্যভিচার কামনা-বাসনা করা। আর লজ্জাস্থান তা সত্যায়িত করে অথবা মিথ্যা সাব্যস্ত করে। আব্দুল্লাহ (রহঃ) তাউস-এর বর্ণনায় বলেছেন যে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে শুনেছেন।
৬৬৪৭
আদাম সন্তানের উপর ব্যভিচার ও অন্যান্য বিষয়ের অংশ পরিমিত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের যে অংশ লিখিত রয়েছে, তা অবশ্যই সে প্রাপ্ত হবে। নিঃসন্দেহে দুই চোখের ব্যভিচার হলো তাকানো, দুই কানের ব্যভিচার হলো শোনা, জিহ্বার ব্যভিচার হলো কথোপকথন, হাতের ব্যভিচার হলো শক্ত করে ধরা, পায়ের ব্যভিচার হলো হেঁটে যাওয়া, হৃদয়ের ব্যভিচার হচ্ছে কামনা-বাসনা করা। আর লজ্জাস্থান তা সত্যায়িত করে বা মিথ্যা সাব্যস্ত করে।
৬৬৪৮
প্রত্যেক শিশু ইসলামী স্বভাবের উপর জন্মানোর মর্মার্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের মৃত শিশুর বিধান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, প্রতিটি নবজাতক স্বভাবজাত ইসলাম নিয়ে জন্মলাভ করে। অতঃপর তার বাবা-মা তাকে ইহুদি বানিয়ে দেয়, খ্রিস্টান বানিয়ে দেয় এবং আগুনপূজারি বানিয়ে দেয়, যেমন চতুষ্পদ প্রাণী পূর্ণাঙ্গ চতুষ্পদ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাতে কোন অঙ্গ কর্তিত বাচ্চা উপলব্ধি করছ? তারপর আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পাঠ করতে পারো: “আল্লাহর ফিতরাতে যার উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই”- (সূরা আর রুম ৩০:৩০)।
৬৬৪৯
প্রত্যেক শিশু ইসলামী স্বভাবের উপর জন্মানোর মর্মার্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের মৃত শিশুর বিধান পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। মা’মার (রহঃ) বলেন, যেমন চতুষ্পদ প্রাণী চতুষ্পদ বাচ্চা জন্ম দিতে হয় এবং তিনি جَمْعَاءَ (পূর্ণাঙ্গ) শব্দটি উল্লেখ করেননি।
৬৬৫০
প্রত্যেক শিশু ইসলামী স্বভাবের উপর জন্মানোর মর্মার্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের মৃত শিশুর বিধান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রতিটি বাচ্চা স্বভাবজাত ইসলামের উপর জন্মলাভ করে। তারপর তিনি বলেছেন, তোমরা পাঠ করঃ “আল্লাহর ফিতরাত যার উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টিতে কোন পরিবর্তন নেই। এ-ই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন”-(সূরা আর রূম ৩০:৩০)।