৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৬২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৬১১
যাকে যে মানুষ ভালবাসে সে তার সাথেই থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আসলো। অতঃপর সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বললো, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! সে লোকটি সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন, যে একটি সম্প্রদায়কে মুহাব্বাত করে অথচ সে তাদের সাথে মিলিত হয়নি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যে যাকে মুহাব্বাত করে সে তার সঙ্গেই থাকবে।
৬৬১২
যাকে যে মানুষ ভালবাসে সে তার সাথেই থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (ﷺ) হতে তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৬৬১৩
যাকে যে মানুষ ভালবাসে সে তার সাথেই থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
জনৈক লোক নবী (ﷺ)-এর নিকট আসলেন। অতঃপর তিনি আ‘মাশ (রহঃ)-এর সানাদে জারীর (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস-এর হুবহু উল্লেখ করেন।
৬৬১৪
যদি সৎলোকের গুণ বর্ণনা করা হয় তবে তা সুসংবাদ তার জন্যে ক্ষতি নয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার গিফারী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সমীপে আবেদন করা হলো, ঐ লোক সম্পর্কে আপনার কি মতামত, যে সৎ আমল করে এবং মানুষেরা তার গুণ বর্ণনা করে? তিনি বললেন, এটা মুমিনের জন্যে দ্রুত সুসংবাদ।
৬৬১৫
যদি সৎলোকের গুণ বর্ণনা করা হয় তবে তা সুসংবাদ তার জন্যে ক্ষতি নয় পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাদ ইবনু যায়দ
হাম্মাদ ইবন যায়দ-এর সূত্রে আবু ইমরান আল জাওনি (রহঃ) হতে তার হুবহু হাদীস বর্ণিত। তাছাড়া আবদুস সামাদ (রহঃ) ব্যতীত শুআবা সনদে অন্যান্যদের হাদীসে আছে, ‘এবং লোকেরা তাকে এজন্য মুহাব্বত করে’ উল্লেখ আছে। আর আবদুস সামাদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে হাম্মাদ যেভাবে বলেছেন তেমনি ‘মানুষেরা তার শুকরিয়া করে’ উল্লেখ রয়েছে।
৬৬১৬
মায়ের উদরে মানুষের সৃষ্টি রহস্য, তার ভাগ্যের রিয্‌ক, মুত্যুস্থান, ‘আমাল, হতভাগ্য ও সৌভাগ্য লিপিবদ্ধকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)
সাদিকুল মাসদুক (ন্যায়পরায়ণ ও ন্যায়নিষ্ঠরূপে প্রত্যায়িত) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তোমাদের প্রত্যেকের শুক্রকীট তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ দিন একত্রিত করা হয়। তারপর হুবহু চল্লিশ দিন জমাট রক্তপিণ্ডে পরিণত হয়। তারপর হুবহু চল্লিশ দিনে তা একটি মাংস টুকরায় পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতাকে প্রেরণ করা হয়। সে তাতে রূহ ফুকে দেয়। আর তাকে চারটি কালিমা (বিষয়) লিপিবদ্ধ করার আদেশ করা হয়। রিযক, মৃত্যুক্ষণ, কর্ম, বদকার ও নেক্কার। সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। নিশ্চয়ই তোমাদের মাঝ হতে কেউ জান্নাতীদের ’আমলের ন্যায় আমল করতে থাকে।অবশেষে তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। অতঃপর ভাগ্যের লিখন তার উপর জয়ী হয়ে যায়। ফলে সে জাহান্নামীদের কর্ম শুরু করে। এরপর সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়। আর তোমাদের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তি জাহান্নামের কাজ-কর্ম করতে থাকে। ফলে জাহান্নামের মাঝে ও তার মাঝে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। তারপর ভাগ্যলিপি তার উপর জয়ী হয়। ফলে সে জান্নাতীদের ন্যায় আমল করে। অবশেষে জান্নাতে প্রবিষ্ট হয়।
৬৬১৭
মায়ের উদরে মানুষের সৃষ্টি রহস্য, তার ভাগ্যের রিয্‌ক, মুত্যুস্থান, ‘আমাল, হতভাগ্য ও সৌভাগ্য লিপিবদ্ধকরণ পরিচ্ছেদ নাই
জারীর ইবনু ‘আবদুল হামীদ
তিনি (আ‘মাশ) ওয়াকী‘ বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, নিশ্চয়ই তোমাদের কারো সৃষ্টি (শুক্রকীট) তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ রাত্রি একত্র রাখা হয়। আর তিনি শু‘বা সানাদে মু‘আয বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, চল্লিশ রাত কিংবা চল্লিশ দিন। কিন্তু জারীর ও ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে কেবলমাত্র (চল্লিশ দিবসের) কথা উল্লেখ রয়েছে।
৬৬১৮
মায়ের উদরে মানুষের সৃষ্টি রহস্য, তার ভাগ্যের রিয্‌ক, মুত্যুস্থান, ‘আমাল, হতভাগ্য ও সৌভাগ্য লিপিবদ্ধকরণ পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্ ইবুন আসীদ (রহঃ) হতে মারফূ‘ সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
জরায়ুতে চল্লিশ অথবা পঁয়তাল্লিশ দিন রেণু জমা থাকার পর সেখানে ফেরেশতা গমন করে। অতঃপর সে বলতে থাকে, “হে আমার প্রভু! সে কি হতভাগ্য না সৌভাগ্যবান?” তখন উভয়টা লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর সে বলতে থাকে, “হে আমার রব! সে কি পুরুষ না মহিলা?” তখন আদেশ অনুসারে উভয়টা লিপিবদ্ধ করা হয়। তার আমল, আচরণ, মৃত্যুক্ষণ ও জীবনোপকরণ লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর ফলকটিকে পেঁচিয়ে দেয়া হয়। তাতে কোনো অতিরিক্ত করা হবে না এবং ঘাটতিও হবে না।
৬৬১৯
মায়ের উদরে মানুষের সৃষ্টি রহস্য, তার ভাগ্যের রিয্‌ক, মুত্যুস্থান, ‘আমাল, হতভাগ্য ও সৌভাগ্য লিপিবদ্ধকরণ পরিচ্ছেদ নাই
‘আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)
“দুর্ভাগ্য সে লোক, যে তার মায়ের গর্ভ হতে দুর্ভাগা; আর সৌভাগ্যবান লোক সে, যে অন্যের নিকট হতে উপদেশ লাভ করে।” অতঃপর তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সাহাবীদের মধ্য থেকে একজন সাহাবা, যাঁকে হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী বলা হয়, তাঁর কাছে আসলেন। তখন তিনি তাঁর নিকট ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর কথা বর্ণনা করলেন এবং বললেন, ‘আমলহীন কোন লোক কিভাবে দুর্ভাগ্যবান হতে পারে?’অতঃপর তিনি [হুযাইফাহ্ (রাঃ)] তাঁকে বললেন, “তুমি কি এতে আশ্চর্য হচ্ছ? আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, যখন (মাতৃগর্ভে) শুক্রকীটের উপর বিয়াল্লিশ দিন চলে যায়, তখন আল্লাহ তা‘আলা একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন। তিনি ওটাকে (শুক্রকে) একটি রূপ দান করে, তার কান, চোখ, চামড়া, গোশ্ত ও হাড় সৃষ্টি করে দেন। তারপর ফেরেশতা বলে, ‘হে আমাদের রব! সেটা কি পুরুষ, না মহিলা হবে?’ তখন তোমার প্রভু যা চান সিদ্ধান্ত দেন এবং ফেরেশতা আদেশ অনুসারে তা লিখে ফেলেন। তারপর সে বলতে থাকে, ‘হে আমাদের রব! তার জীবিকা কি হবে?’ তখন তোমার রব তাঁর মর্জি অনুযায়ী ফায়সালা করেন এবং ফেরেশতা তা লিপিবদ্ধ করেন। এরপর ফেরেশতা তাঁর হাতে একটি লিপিবদ্ধ কিতাব নিয়ে বের হন। সে এটাকে বৃদ্ধিও করে না এবং ঘাটতিও করে না।”
৬৬২০
মায়ের উদরে মানুষের সৃষ্টি রহস্য, তার ভাগ্যের রিয্‌ক, মুত্যুস্থান, ‘আমাল, হতভাগ্য ও সৌভাগ্য লিপিবদ্ধকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ তুফায়ল (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)
তিনি আমর ইবনুল হারিস (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন।