৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৫৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৫৫১
নির্দোষীকে শাস্তিদাতার প্রতি কঠিন ধমকি পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রহঃ)
তিনি একবার সিরিয়ায় কয়েকজন মানুষের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যাদেরকে উত্তপ্ত সূর্যতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল এবং তাদের মাথার উপর গরম তেল ঢালা হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, এটা কী? তাকে বলা হলো যে, তাদেরকে খারাজের জন্য সাজা দেয়া হচ্ছে। তখন তিনি বললেন, হুশিয়ার! আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সেসব লোকদের সাজা দিবেন, যারা এ জগতে মানুষকে (অন্যায়) সাজা দেয়।
৬৫৫২
নির্দোষীকে শাস্তিদাতার প্রতি কঠিন ধমকি পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রাঃ)
একবার হিশাম ইবনে হাকিম ইবনে হিযাম সিরিয়ার কৃষকদের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এদের কঠিন রৌদ্রে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। তিনি বললেন, এদের কী হয়েছে? তারা বলল, জিযিয়ার জন্যে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতঃপর হিশাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন যারা পৃথিবীতে (অন্যায়ভাবে) মানুষকে শাস্তি দেয়।
৬৫৫৩
নির্দোষীকে শাস্তিদাতার প্রতি কঠিন ধমকি পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রাঃ)
হিশাম (রাঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেছেন, সে যুগে ফিলিস্তীনে তাদের শাসক (গভর্নর) ছিলেন ‘উমায়র ইবন সাদ। তিনি তাঁর নিকট যান এবং তাঁর সঙ্গে কথা-বার্তা বলেন। তিনি তাদের ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিলে তারপর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
৬৫৫৪
নির্দোষীকে শাস্তিদাতার প্রতি কঠিন ধমকি পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম ইবনু হাকীম (রাঃ)
তিনি হিমস এলাকার এক আমিরকে দেখতে পান যে, তিনি জিযিয়া আদায়ের জন্য কৃষকদের সূর্যের তাপে সাজা দিচ্ছেন। তখন তিনি বললেন, এ কী ব্যাপার? আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সেসব মানুষকে সাজা দিবেন, যারা ইহজগতে মানুষকে (অন্যায়ভাবে) সাজা দেয়।”
৬৫৫৫
যে ব্যক্তি মসজিদে, মার্কেটে বা অন্য কোন লোক সভায় অস্ত্র সহ প্রবেশ করে, তার প্রতি তীরের ধারালো অংশ আটকানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র (রাঃ)
তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি তীরসহ মসজিদে আগমন করল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, “এর ফলার দিকটা আঁকড়ে ধরে রেখো।”
৬৫৫৬
যে ব্যক্তি মসজিদে, মার্কেটে বা অন্য কোন লোক সভায় অস্ত্র সহ প্রবেশ করে, তার প্রতি তীরের ধারালো অংশ আটকানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি খোলা তীরসহ মসজিদে প্রবেশ করেছিল। সে তীরগুলোর ফলার দিক বের করে রেখেছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে ফলার দিক আটকে রাখার নির্দেশ দিলেন, যাতে কোনো মুসলিমের গায়ে আঘাত না লাগে।
৬৫৫৭
যে ব্যক্তি মসজিদে, মার্কেটে বা অন্য কোন লোক সভায় অস্ত্র সহ প্রবেশ করে, তার প্রতি তীরের ধারালো অংশ আটকানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ) এর সানাদে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
জনৈক ব্যক্তি মসজিদে তীর সদাকা করছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে এর ফলার দিকটা ধরে রাখার নির্দেশ দেন। ইবনু রুমহ (রহঃ) বলেন, সে তীর (বর্শা) দান করছিলেন।
৬৫৫৮
যে ব্যক্তি মসজিদে, মার্কেটে বা অন্য কোন লোক সভায় অস্ত্র সহ প্রবেশ করে, তার প্রতি তীরের ধারালো অংশ আটকানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবু মুসা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ভাই যদি তার হাতে তীর নিয়ে কোন সভায় কিংবা বাজারে গমন করে তাহলে সে যেন এর ফলাটা ধরে (আটকে) রাখে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আবু মূসা (রাঃ) বলেন, 'আল্লাহর শপথ! আমরা একে অন্যের উপর বর্শা হামলা না করা পর্যন্ত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করব না।'
৬৫৫৯
যে ব্যক্তি মসজিদে, মার্কেটে বা অন্য কোন লোক সভায় অস্ত্র সহ প্রবেশ করে, তার প্রতি তীরের ধারালো অংশ আটকানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবু মুসা (রহঃ) এর সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
তোমাদের কোনো ভাই যখন হাতে বর্শা নিয়ে আমাদের মসজিদে অথবা আমাদের বাজারে গমন করে, সে যেন এর ফলাটা নিজের হাতের মুঠি দিয়ে ধরে রাখে। নতুবা তা দ্বারা কোনো মুসলিমের (শরীরে) খোঁচা লাগতে পারে অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন তার বর্শার ফলাটি আটকে রাখে।
৬৫৬০
কোন মুসলিমের প্রতি অস্ত্র দিয়ে ইঙ্গিত করা নিষিদ্ধকরণ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু সীরীন (রহঃ)
আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আবুল কাসিম (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রতি (লোহা নির্মিত) মরণাস্ত্র দ্বারা ইঙ্গিত করে সে তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত ফেরেশতা তাকে অভিসম্পাত করতে থাকে, যদিও সে তার আপন ভাই হয়।