৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৫৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৫৩১
মিথ্যার নিন্দা এবং সত্যের সৌন্দর্যতা ও তার উপকারিতা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই সততা সৎকর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর সৎকর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন মানুষ সত্য কথা বলায় সত্যবাদী হিসাবে (তার নাম) লিপিবদ্ধ হয়। আর অসত্য পাপের পথপ্রদর্শন করে এবং পাপ জাহান্নামের দিকে পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি মিথ্যায় রত থাকলে পরিশেষে মিথ্যাবাদী হিসেবেই (তার নাম) লিপিবদ্ধ করা হয়।
৬৫৩২
মিথ্যার নিন্দা এবং সত্যের সৌন্দর্যতা ও তার উপকারিতা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সত্যবাদিতা তো পুণ্যের কাজ; আর পুণ্যময় কাজ জান্নাতের পথ দেখিয়ে দেয়। কোন বান্দা সৎ বলার ইচ্ছা করলে অবশেষে আল্লাহর নিকট তার নাম সত্যবাদী বলে লিপিবদ্ধ হয়। আর মিথ্যা তো অপরাধ, এ অপরাধ জাহান্নামের পথপ্রদর্শন করে। আর কোন বান্দা মিথ্যা বলার চিন্তা করার কারণে অবশেষে সে মিথ্যাবাদী হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়। ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) তাঁর অপর বর্ণিত হাদীসটি ‘আন ‘আন সূত্রে নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন।
৬৫৩৩
মিথ্যার নিন্দা এবং সত্যের সৌন্দর্যতা ও তার উপকারিতা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সত্যকে ধারণ করা তোমাদের একান্ত কর্তব্য। কেননা সততা নেক কর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর নেককর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বললে ও সত্য বলার চেষ্টায় রত থাকলে, অবশেষে আল্লাহর নিকট সে সত্যবাদী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়। আর তোমরা মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকো! কেননা মিথ্যা পাপের দিকে পথপ্রদর্শন করে। আর পাপ নিশ্চিত জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা মিথ্যা কথা বললে এবং মিথ্যার উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করলে, অবশেষে সে আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদীরূপে লিপিবদ্ধ হয়।
৬৫৩৪
মিথ্যার নিন্দা এবং সত্যের সৌন্দর্যতা ও তার উপকারিতা পরিচ্ছেদ নাই
মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী (রহঃ)
এ সনদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে “সত্য বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে” কথাটি উল্লেখ করেননি। আর ইবনু মুসহির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে “অবশেষে আল্লাহ তা লিখবেন” কথাটি উল্লেখ আছে।
৬৫৩৫
রাগের মুহুর্তে যে নিজেকে বশ করে তার মর্যাদা এবং কিসের সাহায্যে রাগ দূরীভূত হয় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: তোমরা তোমাদের মাঝে কাউকে নিঃসন্তান বলে মনে করো? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, যার সন্তান জন্মায় না তাকেই নিঃসন্তান মনে করি। তিনি বললেন, সে ব্যক্তি মূলত নিঃসন্তান নয়। বরং সে লোকই নিঃসন্তান, যে তার কোন সন্তানকে আগে পাঠায়নি (অর্থাৎ- যার জীবিতাবস্থায় তার সন্তান মৃত্যুবরণ করেনি)। তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের মাঝে কাকে বীর বিক্রম বলে গণ্য করো? আমরা বললাম, যাকে মানুষেরা কুস্তিতে ঠকাতে পারে না। তিনি বললেন, মূলত সে বীর বিক্রম নয়; বরং (প্রকৃত বীর সে-ই) যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
৬৫৩৬
রাগের মুহুর্তে যে নিজেকে বশ করে তার মর্যাদা এবং কিসের সাহায্যে রাগ দূরীভূত হয় পরিচ্ছেদ নাই
আ‘মাশ (রাঃ)
আ'মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৬৫৩৭
রাগের মুহুর্তে যে নিজেকে বশ করে তার মর্যাদা এবং কিসের সাহায্যে রাগ দূরীভূত হয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে জয়ী হয়; বরং প্রকৃত বীর বিক্রম সে-ই; যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
৬৫৩৮
রাগের মুহুর্তে যে নিজেকে বশ করে তার মর্যাদা এবং কিসের সাহায্যে রাগ দূরীভূত হয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে সফল হয়। লোকেরা জানতে চাইল, হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে প্রকৃত বীর কে? তিনি বললেন, প্রকৃত সাহসী বীর সে-ই, যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে।
৬৫৩৯
রাগের মুহুর্তে যে নিজেকে বশ করে তার মর্যাদা এবং কিসের সাহায্যে রাগ দূরীভূত হয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী (ﷺ) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৬৫৪০
রাগের মুহুর্তে যে নিজেকে বশ করে তার মর্যাদা এবং কিসের সাহায্যে রাগ দূরীভূত হয় পরিচ্ছেদ নাই
সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে দুইজন ব্যক্তি কথা কাটাকাটিতে প্রবৃত্ত হলো এবং তাদের একজনের দুই চোখ (রাগে) লাল হয়ে গেল এবং তার রগ রেশা খাড়া হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি এমন একটা কালিমা জানি, যা যে কেউ পাঠ করলে তার রাগ দূর হয়ে যায়। আর তা হচ্ছে أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ (আমি বিতাড়িত শয়তানের থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই)। (এ কথা শুনে) সে ব্যক্তি বলল, আপনি কি আমাকে পাগল মনে করেছেন? ইবনুল ‘আলা (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন, তারপর তিনি বললেন, তুমি কি মনে করেছ? الرَّجُلَ শব্দটি তিনি উল্লেখ করেননি।