৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৩৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৩৮১
সহাবাগণকে গালি দেয়া বা কুৎসা রটনা করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা আমার সাহাবীগণকে কুৎসা করো না। তোমরা আমার সাহাবীদের কুৎসা করবে না। সে সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার জীবন, তোমাদের মাঝে কেউ যদি উহুদ পর্বতের ন্যায় স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাঁদের কারোর এক মুদ কিংবা অর্ধ মুদের সমতুল্য হবে না।
৬৩৮২
সহাবাগণকে গালি দেয়া বা কুৎসা রটনা করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)
একবার খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ) ও আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-এর মাঝে (অপ্রীতিকর) একটা কিছু ঘটেছিল। তখন খালিদ (রাঃ) তাঁকে গালমন্দ করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা আমার সাহাবীদের কাউকে গালমন্দ করবে না। কারণ, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পর্বতের সমতুল্য স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাঁদের এক মুদ অথবা অর্ধ মুদের ন্যায় হবে না।
৬৩৮৩
সহাবাগণকে গালি দেয়া বা কুৎসা রটনা করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ ও আবূ কুরায়ব (রাঃ)
অপর সূত্রে উবাইদুল্লাহ ইবন মু’আয (রাঃ) ... অন্য সূত্রে ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশ্‌শার (রাঃ) ... আ‘মাশ (রহঃ) হতে জারীর ও আবু মু‘আবিয়া-র সানাদে তাঁদের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে শু‘বাহ ও ওয়াকী‘-এর হাদিসে আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) ও খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ)-এর বর্ণনা নেই।
৬৩৮৪
উওয়াইস আল কারানী (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ)
কুফার একটি প্রতিনিধি দল উমর (রাঃ)-এর কাছে আগমন করলো। তাঁদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তিও ছিল, যে উওয়াইস (রাঃ)-কে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। তখন উমর (রাঃ) বললেন, এখানে কারানী গোষ্ঠীর কোন ব্যক্তি আছে কি? তখন সে লোকটি আসলো। এরপর উমর (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামান থেকে এক ব্যক্তি আগমন করবে, যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত।ইয়ামানে তাঁর মা ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। সে আল্লাহর নিকট দোয়া করলে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ দূর করে দেন। কিন্তু কেবল মাত্র এক দিনার কিংবা এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা অবশিষ্ট থাকে। তোমাদের মাঝখান থেকে কেউ যদি তাঁর দেখা পায় সে যেন নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাতের দোয়া প্রার্থনা করে।
৬৩৮৫
উওয়াইস আল কারানী (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, অবশ্যই তাবেঈনদের মধ্যে সে লোক শ্রেষ্ঠ যে উওয়াইস নামে খ্যাত। তাঁর একমাত্র মা আছেন এবং তাঁর কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। তোমরা তাঁর নিকট অনুরোধ করবে যেন সে তোমাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করবে।
৬৩৮৬
উওয়াইস আল কারানী (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ)
উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর অভ্যাস ছিল, যখন ইয়ামানের কোনো সাহায্যকারী ফৌজ তাঁর নিকট আসত তখন তিনি তাঁদের প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উওয়াইস ইবনু আমির রয়েছে? পরিশেষে তিনি উওয়াইসকে পান। তখন তিনি বললেন, “তুমি কি উওয়াইস ইবনু আমির?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” তিনি প্রশ্ন করলেন, “মুরাদ গোত্রের কারান কাওমের?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” জানতে চাইলেন, “তোমার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল এবং তা নিরাময় হয়েছে, শুধুমাত্র এক দিরহাম জায়গা ছাড়া?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” প্রশ্ন করলেন, “তোমার মা আছেন কি?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” তখন উমর (রাঃ) বললেন, “আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন : “তোমাদের নিকট মুরাদ গোত্রের কারান বংশের উওয়াইস ইবনু আমির ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে আসবে। তাঁর কুষ্ঠরোগ ছিল। পরে তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। কেবলমাত্র এক দিরহাম ব্যতীত। তাঁর মা রয়েছেন। সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। এমন লোক আল্লাহর উপর শপথ করে নিলে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। সুতরাং তুমি যদি তোমার জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাতের দোয়া প্রার্থনার সুযোগ পাও তাহলে তা করবে।” কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দোয়া কামনা করুন।তখন উওয়াইস (রাঃ) তাঁর মাগফিরাতের জন্য দোয়া প্রার্থনা করলেন। তারপর উমর (রাঃ) তাকে বললেন, “তুমি কোথায় যেতে চাও?” তিনি বললেন, “কুফা অঞ্চলে।” উমর (রাঃ) বললেন, “আমি কি তোমার জন্য কুফার প্রশাসকের নিকট চিঠি লিখে দিব?” তিনি বললেন, “আমি বিনীত ও দারিদ্র-পীড়িত লোকদের মধ্যে অবস্থান করাই পছন্দ করি।” রাবী বলেন, পরবর্তী বছরে তাঁদের অভিজাত লোকেদের মাঝে এক লোক হজ্জ করতে আসলো এবং উমর (রাঃ)-এর সাথে তাঁর দেখা হলো। তখন তিনি তাকে উওয়াইস কারানি (রাঃ)-এর অবস্থা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, “আমি তাঁকে নিঃস্ব দরিদ্র অবস্থায় রেখে এসেছি।” তিনি বললেন, “আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন : “তোমাদের নিকট কারান বংশের মুরাদ গোত্রের উওয়াইস ইবনু আমির (রাঃ) ইয়ামানের একদল সাহায্যকারীদের সাথে আসবে। তাঁর ছিল কুষ্ঠরোগ। সে তা থেকে নিরাময় লাভ করে, এক দিরহাম জায়গা ছাড়া। তাঁর মা আছেন, সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তাহলে আল্লাহ তা’আলা তা পূরণ করে দেন। তোমরা নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাত-এর দোয়া কামনা করুন।”তিনি বললেন, “আপনি তো নেক সফর থেকে সবেমাত্র এসেছেন। কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দোয়া প্রার্থনা করুন।” সে লোক বলল, “আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দোয়া কামনা করুন।” উওয়াইস (রাঃ) বললেন, “আপনি সদ্য নেক সফর থেকে এসেছেন, আপনি আমার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করুন।” অতঃপর তিনি প্রশ্ন করলেন, “আপনি কি উমর (রাঃ)-এর দেখা পেয়েছেন?” সে বলল, “হ্যাঁ।” তখন তিনি তাঁর জন্য মাগফিরাতের দোয়া কামনা করলেন। তখন লোকেরা তাঁর মর্যাদা সম্বন্ধে অবগত হলেন। এরপর তিনি তাঁর সামনে চললেন। উসায়র বলেন, “আমি তাঁকে একটি ডোরাদার চাদর পরিয়ে দিলাম। অতঃপর কোনো লোক যখন তাঁকে দেখতো তখন জানতে চাইতো, উওয়াইসের নিকট এ চাদরটি কোত্থেকে আসলো?”
৬৩৮৭
মিসরবাসীদের জন্য নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়াসীয়াত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার গিফারী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা এমন একটি ভূখণ্ড বিজয় লাভ করবে, সেখানে কীরাতের (দিরহাম বা দীনারের অংশবিশেষ) প্রচলন আছে। তোমরা সেখানকার অধিবাসীদের সঙ্গে সদাচরণ করবে। কেননা তোমাদের উপর তাদের প্রতি আছে জিম্মাদারি এবং আত্মীয়তা। তোমরা যদি সেখানে দুইজন লোককে একটি ইটের জায়গার ব্যাপারে বিবাদ করতে দেখো তাহলে সেখান থেকে চলে আসবে। রাবী বলেন, তারপর শুরাহবিল ইবন হাসানার পুত্রদ্বয় রাবীআ ও আব্দুর রহমানের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখলেন। তিনি তখন সেখান থেকে চলে আসলেন।
৬৩৮৮
মিসরবাসীদের জন্য নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়াসীয়াত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার গিফারী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা মিশর বিজয় লাভ করবে। সেটা এমন একটি দেশ, যেখানে ‘কীরাত’ নামে মুদ্রা খ্যাত। তোমরা যখন সে দেশ বিজয় লাভ করবে তখন সেখানকার অধিবাসীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে। কারণ তাদের জন্য দায়িত্ব ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। কিংবা তিনি বলেছেনঃ যিম্মাদারী ও বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। তোমরা যখন সেখানে দুইজন লোককে একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখবে তখন সেখান থেকে চলে আসবে। আবূ যার (রাঃ) বলেন, তারপর আমি যখন আবদুর রহমান ইবনু শুরাহবীল ইবনু হাসানা ও তাঁর ভাই রবীআকে একটি ইটের স্থান নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ করতে দেখলাম তখন আমি সেখান থেকে চলে আসলাম।
৬৩৮৯
‘উমানের (ওমান দেশের) অধিবাসীগণের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বারযাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে কোন এক আরব গোত্রের নিকট প্রেরণ করলেন। তারা তাকে গালি-গালাজ ও মারধর করল। সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে তাঁকে কাহিনী বর্ণনা করল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তুমি ওমানের বংশধরদের নিকট যেতে তাহলে তারা তোমাকে গালিও দিত না এবং মারধরও করত না।
৬৩৯০
সাকীফ গোত্রের মিথ্যাবাদী ও নির্বিচার হত্যাকারীর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ নাওফিল (রাঃ)
আমি (মক্কায়) উকবাতুল মদিনা নামে ঘাঁটিতে আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে (শূলীকাষ্ঠে ঝুলতে) দেখতে পেলাম। রাবী বলেন, তখন অন্যান্য লোকজন তাঁর কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। পরিশেষে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) তাঁর কাছ দিয়ে যাওয়াকালে বললেন, “আসসালামু আলাইকা ইয়া আবু খুবায়ব! আসসালামু আলাইকা ইয়া আবু খুবায়ব! আসসালামু আলাইকা ইয়া আবু খুবায়ব! আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে বিরত থাকতে বলেছিলাম। আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করছিলাম, আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করছিলাম। আল্লাহর শপথ! আমি যতদূর জানি আপনি ছিলেন সর্বাধিক সাওম পালনকারী, সর্বাধিক সালাত আদায়কারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক সম্মিলনকারী।আল্লাহর শপথ, শ্রেষ্ঠ উম্মতের দৃষ্টিতে আজ আপনি (আপনার মতো মহৎ ব্যক্তিত্ব) নিকৃষ্ট মানুষে গণ্য হয়েছেন।” তারপর আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) সেখান হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-এর এ অবস্থান (থামা) ও তাঁর বক্তব্য হাজ্জাজের নিকট পৌঁছল। তখন সে আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রের নিকট লোক প্রেরণ করল এবং তাঁকে শূলীর উপর থেকে নামানো হলো। তারপর ইহুদীদের কবরস্থানে তাঁকে নিক্ষিপ্ত করা হলো। তারপর সে তাঁর মা আসমা বিনত আবু বকর (রাঃ)-কে ডেকে নেয়ার জন্য দূত পাঠায়। তিনি তাঁর নিকট আসতে অস্বীকৃতি জানালেন।হাজ্জাজ আবার তাঁর নিকট লোক পাঠাল তাঁকে তাঁর নিকট আসার জন্য এই বলে যে, “তোমাকে অবশ্যই আসতে হবে। অন্যথায় তোমার নিকট এমন লোক পাঠাব যে, তোমাকে চুল ধরে টেনে নিয়ে আসবে।” রাবী বললেন, এরপরও তিনি অস্বীকৃতি জানালেন এবং বললেন, “আল্লাহর শপথ! আমি সে পর্যন্ত তোমার নিকট আসব না যতক্ষণ না তুমি আমার নিকট এমন লোক পাঠাবে যে, আমার চুলে ধরে টেনে নিয়ে আসবে।”রাবী বলেন, তারপর হাজ্জাজ বলেন, “আমার জুতা নাও।” তারপর সে জুতা পরল এবং সদর্পে আসমা বিনত আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট পৌঁছল এবং সে বলল, “তুমি তো দেখলে আল্লাহর শত্রুর সাথে আমি কী ব্যবহার করেছি।” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, আমি তোকে দেখছি, তুই তাঁর দুনিয়া বরবাদ করে দিয়েছিস। আর সে তোর আখিরাত নষ্ট করে দিয়েছে। আমি জানতে পেরেছি যে, তুই তাকে (তিরস্কার স্বরূপ) দুইটি কোমরবন্ধনীর ছেলে বলে সম্বোধন করে থাকিস।আল্লাহর শপথ! আমিই দুই কোমরবন্ধ ব্যবহারকারিণী। এর একটির মাঝে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এবং আবু বকর (রাঃ)-এর খাদ্যদ্রব্য বেঁধে তুলে রাখতাম যাতে বাহনের পশু থেকে খেয়ে ফেলতে না পারে। অপরটি হলো যা স্ত্রীলোকের জন্য প্রয়োজন। জেনে রাখো, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, সাকীফ সম্প্রদায়ে এক মিথ্যুকের এবং নরহত্যাকারীর অভ্যুদয় হবে। মিথ্যুককে তো আমরা সকলে দেখেছি, আমি রক্ত প্রবাহকারী তোমাকে ব্যতীত আর কাউকে মনে করছি না।” এ কথা শুনে হাজ্জাজ উঠে দাঁড়াল এবং আসমা (রাঃ)-এর কথার কোন প্রত্যুত্তর করল না।