৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৩৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৩৬১
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) এর সনদে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
লোকদের উপর এমন সময় আসবে, তখন তাদের একদল জিহাদে লিপ্ত থাকবে। তারপর তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ আছেন যিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা সমস্বরে বলবে, জি হ্যাঁ। তখন তারা বিজয়ী হবে। তারপর মানুষের মাঝখান থেকে একদল জিহাদ করতে থাকবে। তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীগণকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা তখন সমস্বরে বলে উঠবে, জি হ্যাঁ। তখন তারা জয়ী হবে। অতঃপর লোক অপর একটি দল যুদ্ধ করতে থাকবে। তখন তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ কি আছেন, যিনি সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারী অর্থাৎ- তাবিঈকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন লোকেরা বলবে, জি হ্যাঁ। তখন তাদের বিজয় আসবে।
৬৩৬২
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ লোকদের উপর এমন সময় আসবে, যখন তাদের মাঝখান থেকে কোন অভিযাত্রী দল পাঠানো হবে। তারপর মানুষেরা কথোপকথন করবে, সন্ধান করো, তোমাদের মাঝে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের কাউকে পাও কি না। তখন কোন একজন সাহাবি পাওয়া যাবে। তারপর তাঁর কারণে তাদের বিজয় অর্জিত হবে।এরপর দ্বিতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন মানুষেরা বলবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন একজন (তাবেঈ)-কে পাওয়া যাবে। এরপর তাদের বিজয় লাভ হবে। তারপর তৃতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন প্রশ্ন করা হবে, খোঁজ করে দেখ, তাদের মাঝে তাদের কাউকে দেখতে পাও কি না, যারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের সাহচর্য লাভকারী অর্থাৎ তাবেঈদের অন্তর্ভুক্ত।তারপর চতুর্থ সেনাদল যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে। তখন জিজ্ঞেস করা হবে, দেখ, তোমরা এদের মাঝে এমন কাউকে পাও কি-না, যারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারীদের সাহচর্য লাভ করেছে অর্থাৎ কোন তাবি-তাবেঈকে প্রত্যক্ষ করেছে? তখন এক লোককে পাওয়া যাবে। অতঃপর তার কারণে তাদের বিজয় লাভ করবে।
৬৩৬৩
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের মাঝে সর্বাধিক উত্তম তারাই, আমার যুগের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকেরা (অর্থাৎ সাহাবীগণ), তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী সংযুক্ত যুগের লোক (অর্থাৎ তাবি‘ঈগণ), তারপর তাদের সংযুক্ত যুগ (অর্থাৎ তাবি-তাবি‘ঈগণ)।অতঃপর এমন সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা শপথের পূর্বে সাক্ষী দিবে এবং সাক্ষীর পূর্বে শপথ করবে। আর হান্নাদ তার হাদীসে (যুগ বা সময়) কথাটি বর্ণনা করেননি এবং কুতাইবা বলেছেন, অতঃপর অনেক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে।
৬৩৬৪
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে প্রশ্ন করা হলো সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেন: আমার যুগের লোক, তারপর তাদের নিকটবর্তী যুগ, তারপর তাদের নিকটবর্তী যুগ। তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে, যাদের সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ ত্বরান্বিত হবে এবং শপথের পূর্বে সাক্ষ্য সংঘটিত হবে। ইব্রাহিম বলেছেন: আমাদের শৈশবে লোকেরা আমাদেরকে শপথ এবং সাক্ষ্য দান হতে বারণ করেছেন।
৬৩৬৫
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবুল আহওয়াস ও জারীরের সনদ হতে
মানসূর হতে অবিকল বর্ণিত। তবে তাদের উভয়ের হাদীসেঃ (রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে প্রশ্ন করা হয়েছিল) বর্ণনা নেই।
৬৩৬৬
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
সর্বোত্তম লোক আমার যুগের লোক (অর্থাৎ সাহাবীগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থাৎ তাবেয়ীগণ। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট (অর্থাৎ তাবে-তাবেয়ীগণ)। তারপর তিনি বলেন, তৃতীয় অথবা চতুর্থটি সম্পর্কে আমি অজ্ঞাত। তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন লোক আসবে যাদের কেউ কেউ শপথের পূর্বে সাক্ষ্য দেবে এবং সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ করবে।
৬৩৬৭
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সর্বোত্তম লোক তারা, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থাৎ সাহাবীগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকজন (অর্থাৎ তা’বিঈগণ)। আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তৃতীয়টি বর্ণনা করেছেন কি-না আমার মনে নেই। রাবী বলেনঃ তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা মোটা-সোটা হওয়া পছন্দ করবে এবং সাক্ষ্য দিতে ডাকার আগেই সাক্ষ্য প্রদান করবে।
৬৩৬৮
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বিশর (রাঃ)
অনুরূপ বর্ণিত। তবে শুবাহ বর্ণিত হাদীসে এতটুকু আলাদা রয়েছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন আমার স্মরণ নেই যে, তিনি দুইবার নাকি তিনবার বলেছেন।
৬৩৬৯
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম আমার যুগের লোকেরা। তারপর তাদের নিকটবর্তী যুগ। তারপর তাদের নিকটবর্তী যুগ। ইমরান (রাঃ) বলেন: আমি স্মরণে নেই যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি তাঁর যুগের পর দুই যুগের নাকি তিন যুগের কথা বলে বর্ণনা করেছেন।তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন এক জাতির উদ্ভব হবে যারা সাক্ষ্য প্রদান করবে, অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য তলব করা হবে না। আর তারা খিয়ানত করতে থাকবে, আমানতদারি রক্ষা করবে না। তারা মানত করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না। আর তাদের দেহে মোটা-সোটা হওয়া প্রকাশ পাবে।
৬৩৭০
সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ (রাঃ)
অবিকল বর্ণিত। আর ইয়াহিয়া ইবনু সাঈদ, বাহজ ও শাবাবা বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, “আমি স্মরণে নেই যে, তিনি কি তাঁর যুগের পর দু’যুগ কিংবা তিন যুগের কথা বর্ণনা করেছেন কিনা।” শাবাবা বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, “আমি যাহদাম ইবনু মুদার্‌রিব হতে শুনেছি। তিনি আমার নিকট ঘোড়ার পৃষ্ঠে সওয়ার হয়ে এক বিশেষ দরকারে এসেছিলেন। তারপর তিনি আমাকে হাদীস শুনান যে, তিনি ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে শুনেছেন।” আর ইয়াহিয়া ও শাবাবা বর্ণিত হাদীসে বর্ণনা রয়েছে – “তারা মানত করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না।” আর বাহজ বর্ণিত হাদীসে ইবনু জাফর-এর বর্ণনানুযায়ী শব্দটার বর্ণনা রয়েছে। (শাব্দিক পার্থক্য থাকলেও হাদীসের মূল কথা একই)