৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৩৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৩৫১
কুরায়শ নারীদের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁর বর্ণনায় একটু আলাদা আছে- “শৈশবে তারা তাদের শিশুদের প্রতি অত্যন্ত দয়াশীল” এবং তিনি ‘ইয়াতীম’ শব্দটি বলেননি।
৬৩৫২
কুরায়শ নারীদের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, উটের পিঠে আরোহণকারিণী মহিলাদের মধ্যে কুরাইশী মহিলারা সর্বোত্তম নারী। তারা শিশুদের প্রতি স্নেহশীল এবং স্বামীর ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত রক্ষক। রাবী বলেন, আবু হুরায়রা (রাঃ) এভাবেই বলতেন। আর মারইয়াম বিনত ইমরান (আঃ) কখনো উটে সওয়ার হননি।
৬৩৫৩
কুরায়শ নারীদের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাঃ)-এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি তো বার্ধক্যে পৌঁছে গেছি এবং আমার সন্তানও রয়েছে।তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ উটে আরোহণকারিণীদের মধ্যে (তুমি) সর্বোত্তম নারী। তারপর মামার (রাবী) ইউনুস বর্ণিত হাদিসের হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তাঁর বর্ণনায় এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেন, অর্থাৎ -“তারা শৈশবে সন্তানের প্রতি খুবই স্নেহশীল ও যত্নশীল”।
৬৩৫৪
কুরায়শ নারীদের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ উটে আরোহণকারিণী নারীদের মধ্যে কুরাইশী সৎ নারীরাই উত্তম। তাঁরা তাঁদের সন্তানদের প্রতি শৈশবে যত্নবান এবং স্বামীর ধন-সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল।
৬৩৫৫
কুরায়শ নারীদের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণিত মামারের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৬৩৫৬
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ (রাঃ) ও আবু তালহা (রাঃ)-এর মাঝে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছিলেন।
৬৩৫৭
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আলিম ইবনুল আহওয়াল (রাঃ)
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরায়শ ও আনসারদের মাঝে তাঁর গৃহে বসেই বন্ধুত্ব–চুক্তি করেছিলেন।
৬৩৫৮
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরায়শ ও আনসারদের মাঝে মাদীনায় তাঁর গৃহে বসেই সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন।
৬৩৫৯
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ইসলামে অবৈধ চুক্তির কোন অবকাশ নেই। তবে জাহিলী যুগে ভাল কাজের উদ্দেশ্যে যে সব চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা ইসলাম আরও মজবুত ও শক্তিশালী করে দিয়েছে।
৬৩৬০
রাসূলুল্লাহ্ এর উপস্থিতি তাঁর সহাবাদের নিরাপত্তা ছিল এবং সহাবাগণের উপস্থিতি সমগ্র উন্মাতের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ামক ছিল পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বুরদাহ (রাঃ)
আমরা বললাম, আমরা যদি তাঁর সাথে ইশার সালাত আদায় করা পর্যন্ত উপবিষ্ট হতে পারতাম (তা হলে কতই না ভালো হতো)। রাবী বলেন, আমরা বসে থাকলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা এখনো পর্যন্ত এখানে উপবিষ্ট আছ? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমরা আপনার সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করেছি। তারপর আমরা বললাম যে, ইশার সালাত আপনার সাথে আদায় করার জন্য বসে অপেক্ষা করি। তিনি বললেনঃ তোমরা অনেক ভালো করেছ কিংবা তোমরা ঠিক করেছ।তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তিনি (ﷺ) আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই আকাশের পানে তাঁর মাথা তুলতেন। অতঃপর তিনি বললেন, তারকারাজি অবস্থানের কারণেই আকাশ স্থিতিশীল রয়েছে। তারকারাজি যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে তখন আকাশের জন্য ওয়াদাকৃত বিপদ আসন্ন হবে (অর্থাৎ কেয়ামত এসে যাবে এবং আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে)। আর আমি আমার সাহাবীদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা স্বরূপ। আমি যখন বিদায় নেব তখন আমার সাহাবীদের উপর ওয়াদাকৃত সময় এসে সমুপস্থিত হয়ে যাবে (অর্থাৎ ফিতনা-ফাসাদ ও দ্বন্দ সংঘাত লেগে যাবে)। আর আমার সাহাবীরা সকল উম্মতের জন্য রক্ষাকবচ স্বরূপ। আমার সাহাবীগণ যখন বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার উম্মতের উপর ওয়াদাকৃত বিষয় উপস্থিত হবে ।