৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৪০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৩৯১
পারস্যবাসীর (ইরান অধিবাসীদের) ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
দীন যদি আকাশের দূরবর্তী সুরাইয়া তারকারাজির নিকট থাকত তবে ইরানের যে কোন লোক তা নিয়ে আসত; কিংবা তিনি বলেছেন, কোন ইরানী সন্তান তা নিয়ে নিত।
৬৩৯২
পারস্যবাসীর (ইরান অধিবাসীদের) ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন। তখন তাঁর উপর সূরাতুল জুমু‘আহ নাযিল হলো। যখন তিনি এ আয়াত পড়লেন- “আর (এ রসূলের আগমন) অপরাপর ব্যক্তিদের জন্যও যারা এখনো তাদের (মুমিনদের) সাথে এসে একত্রিত হয়নি”- (সূরা জুমু‘আহ ৬২:৩)। তখন এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! এ লোকেরা কারা? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার কোন প্রত্যুত্তর করলেন না। এমন কি সে একবার অথবা দুইবার অথবা তিনবার তাঁকে প্রশ্ন করল। বর্ণনাকারী বলেন, আমাদের মাঝে তখন সালমান ফারিসি (রাঃ) ছিলেন।রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর হাত সালমান (রাঃ)-এর উপর রাখলেন; তারপর বললেন, ঈমান যদি সুরাইয়া নক্ষত্ররাজির নিকট (অর্থাৎ- বহু দূরে) থাকত তবে অবশ্যই তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা সেখানে পৌঁছে যেত।
৬৩৯৩
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ “মানুষ সে একশ’ উটের ন্যায়, যার মাঝে সওয়ারীর উপযুক্ত একটিও নেই” পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা মানুষদের মধ্যেও উটের দৃষ্টান্ত খুঁজে পাবে। আর তা হচ্ছে কোন লোক একশ উটের মধ্যে একটি আরোহণের উপযুক্ত উটের সন্ধান পাবে না। (অনুরূপভাবে মানুষের মাঝেও একজন যথেষ্ট দায়িত্ববান মানুষ পাওয়া যাবে না)।
৬৩৯৪
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, “হে আল্লাহর রাসূল! মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা হকদার ব্যক্তি কে?” তিনি বললেন, “তোমার মা।” সে বলল, “এরপর কে?” তিনি বললেন, “এরপরেও তোমার মা।” সে বলল, “তারপর কে?” তিনি বললেন, “তারপরও তোমার মা।” সে বলল, “এরপর কে?” তিনি বললেন, “এরপর তোমার পিতা।” আর কুতাইবা বর্ণিত হাদীসে “আমার সদ্ব্যবহার পাওয়ার সর্বাপেক্ষা যোগ্য কে”–এর উল্লেখ আছে। তিনি (কুতাইবা) তাঁর রিওয়ায়াতে “মানুষ” শব্দটি উল্লেখ করেন নি।
৬৩৯৫
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! (মানুষের মধ্যে) সদ্ব্যবহার পাওয়ার সর্বাধিক অধিকারী ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, “তোমার মা। তারপরও তোমার মা। তারপরও তোমার মা। তারপর তোমার পিতা। অতঃপর তোমার নিকটবর্তী জন। এরপর তোমার নিকটবর্তী জন।”
৬৩৯৬
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট আগমন করলো। এরপর তিনি জারীর বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। এতে তিনি অতিরিক্ত বলেছেন, এরপর সে বলল, হ্যাঁ। ‘তোমার পিতার শপথ!’ তুমি অবশ্যই অবগত হবে।
৬৩৯৭
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শুব্‌রুমাহ (রহঃ)
এ সনদে ওহায়ব বর্ণিত হাদীসে (সর্বাপেক্ষা সদ্ব্যবহার পাওয়ার যোগ্য কে?) উল্লেখ রয়েছে এবং মুহাম্মাদ ইবন তালহার হাদীসে মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা বেশি অধিকার কার রয়েছে, এরপর তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসের মতোই উল্লেখ করেছেন।
৬৩৯৮
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট আসলেন। এরপর সে তাঁর নিকট জিহাদে অংশগ্রহণের অনুমতি চাইল। তখন তিনি বললেন, “তোমার মাতা-পিতা কি জীবিত আছেন?” সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, “তাহলে তাঁদের উভয়ের (খিদমত করে) সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা কর।”
৬৩৯৯
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার পরিচ্ছেদ নাই
আবুল ‘আব্বাস
আমি আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর দরবারে আসলো! এরপর বর্ণনাকারী আগের মতো উল্লেখ করেন। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, আবুল আব্বাস-এর আসল নাম সায়েব ইবনু ফাররুখ আল মাক্কী (রহঃ)।
৬৪০০
মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কুরায়ব (রহঃ)
এ সনদে হুবহু বর্ণনা করেন।