৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬২৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬২২১
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান হতে পদার্পণ করি। অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ।
৬২২২
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আসলাম, আমার মনে হচ্ছিল যে, আব্দুল্লাহ তাঁরই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, কিংবা তিনি অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
৬২২৩
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবুল আহ্ওয়াস (রাঃ)
ইবনু মাসউদের ইন্তিকালের সময় আমি আবু মাসউদ ও আবু মূসা (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তাঁরা একজন অপরজনকে বললেন, কি মনে হয়, তাঁর মতো আর কাউকে কি ছেড়ে গেছেন? অন্যজন বললেন, তুমি এ কথা বলছো, তার অবস্থায় এমন ছিল যে, যখন আমাদের বাধা দেয়া হতো তখনও তাকে অনুমতি দেয়া হতো; আমরা উপস্থিত থাকতাম না আর সে উপস্থিত থাকতো।
৬২২৪
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবুল আহ্ওয়াস (রাঃ)
আমরা আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর কতিপয় সাহাবীর সাথে ছিলাম। তাঁরা একটি কুরআন মাজিদ দেখছিলেন। আবদুল্লাহ উঠে দাঁড়ালেন। তখন আবূ মাসউদ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর নাজিলকৃত কিতাব সম্বন্ধে দণ্ডায়মান লোকের চেয়ে অধিক পরিজ্ঞাত কোন লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রেখে গেছেন বলে আমি জানি না।আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, যদি আপনি এ কথা বলেন, তবে তার কারণ তাঁর অবস্থা এই ছিল যে, আমরা যখন উপস্থিত থাকতাম না তখন সে থাকতো উপস্থিত, আর যখন আমাদের বাধা দেয়া হতো, তখন তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হতো।
৬২২৫
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ)
আমি হুযাইফা ও আবু মূসার সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তারপর হাদিসের অবশিষ্টাংশ রিওয়ায়াত করেছেন এবং কুতবা বর্ণিত হাদিস পরিপূর্ণ ও বেশি আস্থাশীল।
৬২২৬
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
“আর যে লোক কোনো কিছু আত্মসাৎ করবে কেয়ামতের দিন তা নিয়ে সে উপস্থিত হবে”- (সূরা আলে ইমরান ৩:১৬১)। তারপর বললেন, তোমরা আমাকে কার মতো তিলাওয়াতের কথা বলো? আমি তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখে সত্তরের ঊর্ধ্বে সূরা তিলাওয়াত করেছি। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীগণ জানেন যে, আমি তাঁদের মাঝে কুরআন সম্বন্ধে সর্বাধিক জানি। যদি আমি জানতাম যে, আর কেউ আমার তুলনায় অধিক কুরআন জানে তবে আমি তাঁর দিকে উটে সওয়ার হয়ে তার কাছে যেতাম। শাকীক (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবীদের একাধিক বৈঠকে বসেছি। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদের এ কথাকে বাতিল করতে কাউকে শুনিনি এবং তাঁর উপর দোষারোপ করতেও শুনিনি।
৬২২৭
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)
যিনি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই তাঁর কসম! আল্লাহর কিতাবে এমন কোন সূরা নেই যা নাজিল হওয়ার জায়গার ব্যাপারে আমি না জানি, এরূপ কোন আয়াত নেই যার নাজিল হওয়ার স্পষ্ট কারণ আমার অজানা। যদি আমি এমন কোন লোককে জানতাম যিনি আমার তুলনায় অধিক কুরআন জানেন এবং তাঁর নিকট উট যেতে পারে, তবে আমি তার নিকট যাওয়ার জন্য উটে আরোহণ করতাম।
৬২২৮
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
মাসরূক (রহঃ)
আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌রের নিকট গিয়ে তাঁর সাথে কথোপকথন করতাম। একদা আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদের বর্ণনা করলাম, তিনি বললেন, “তোমরা এরূপ এক লোকের বর্ণনা করেছ, যাঁকে এ হাদীস শোনার পর হতে আমি ভালোবেসে আসছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমি বলতে শুনেছি, তোমরা চারজনের নিকট কুরআন শিখ। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ, মু‘আয ইবনু জাবাল, উবাই ইবনু কা‘ব ও আবূ হুযাইফাহ্‌র ক্রীতদাস সালিমের নিকট হতে। এখানে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) সর্বপ্রথম ‘আবদুল্লাহ্‌র নাম বর্ণনা করেন।”
৬২২৯
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
মাসরূক (রাঃ)
আমরা আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। তখন আমরা ইবন মাসউদ (রাঃ)-এর একটি হাদিসের বর্ণনা করি। এমন সময় আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) বললেন, “তিনি ঐ লোক, যাঁকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একটি কথা শোনার পর থেকে ভালোবেসে আসছি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তোমরা চার লোকের নিকট থেকে কুরআন শিক্ষা গ্রহণ কর—আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ, তাঁর নামই প্রথমে বললেন—এবং উবাই ইবন কাব, সালিম আবু হুযাইফার ক্রীতদাস ও মুয়াজ ইবন জাবাল (রাঃ)।” যুহাইর ইবন হারব (রহঃ)-এর বর্ণনায় يَذْكُرْهُ শব্দটি উল্লেখ নেই।
৬২৩০
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে জারীর ও ওয়াকী
আবু মু‘আবিয়া (রহঃ) হতে আবু বকর (রাঃ)-এর বর্ণিত সূত্রে মু‘আজ ইবন জাবাল (রাঃ)-কে উবাই (রাঃ)-এর আগে এনেছে। আর আবু কুরায়বের বর্ণনায় উবাই (রাঃ)-এর নাম মু‘আজ (রাঃ)-এর নামের আগে এসেছে।