৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬২৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬২৪১
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্ (রহঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সা’দ বিন মু’আযের জানাজা যখন রাখা হয়েছিল, তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ তাঁর জন্য পরম করুণাময় আল্লাহর ‘আরশ কেঁপে উঠেছে।
৬২৪২
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ইসহাক্ (রহঃ)
আমি বরাআ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এক জোড়া রেশমি পোশাক উপহার দেওয়া হলো। তখন সাহাবীরা তা ছুঁয়ে তার কোমলতায় বিস্মিত হতে লাগলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা এর কোমলতায় অবাক হচ্ছো? জান্নাতে সা‘দ ইবন মু’আয (রাঃ)-এর রুমালগুলো হবে এর তুলনায় অধিক উত্তম ও নরম।
৬২৪৩
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে রেশমি কাপড় দেয়া হলো . . . তারপর পূর্ববর্তী হাদিসের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেন। ইবনু আব্দাহ্ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও অনুরূপ হাদিস রিওয়ায়াত করেন।
৬২৪৪
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্ (রহঃ)
এ দুইটি সূত্রেই আবু দাউদের ন্যায় রিওয়ায়াত করেন।
৬২৪৫
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে মিহি রেশমের একটি জুব্বা উপহার দেয়া হলো। অথচ নবী (ﷺ) রেশম পরিধান করতে বারণ করতেন। তখন লোকেরা তাতে বিস্ময়বোধ করলো! অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ঐ সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রাণ রয়েছে। নিঃসন্দেহে জান্নাতে সা‘দ ইবন মু‘আয (রাঃ)-এর রুমালগুলো এর তুলনায় অধিক উত্তম।
৬২৪৬
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
দাওমাতুল জান্দালের বাদশাহ উকাইদির রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে একজোড়া বস্ত্র উপঢৌকন পাঠালেন . . . এরপর অনুরূপ রিওয়ায়াত করলেন। কিন্তু তাতে “তিনি রেশম পরিধান করতে বারণ করতেন” এ বক্তব্যটি উল্লেখ করেননি।
৬২৪৭
আবূ দুজানাহ্ সিমাক ইবনু খারাশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উহুদ যুদ্ধের দিন একটি তলোয়ার হাতে নিয়ে বললেন, এটা আমার কাছ থেকে কে নিবে? তখন তাঁদের উপস্থিত প্রত্যেকেই হাত বাড়িয়ে বলতে লাগল আমি নিব, আমি নিব। তিনি বললেন, আর এ তরবারির উপযুক্ত হক কে আদায় করতে পারবে? এ কথা শুনেই লোকেরা থমকে গেল। কিন্তু সিমাক ইবন খারশা আবু দুজানাহ (রাঃ) বললেন, আমিই তার হক আদায় করতে পারব। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি তা নিয়েই মুশরিকদের মাথার খুলি টুকরো টুকরো করলেন।
৬২৪৮
জাবির (রাঃ)-এর বাবা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু হারাম (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
উহুদ যুদ্ধের দিন যখন আমার বাবাকে বস্ত্রে ঢেকে আনা হলো এমতাবস্থায় যে, তাঁর অঙ্গচ্ছেদন করা (নাক-কান, হাত-পা কেটে ফেলা) হয়েছে। আমি তাঁর কাপড় সরাতে চাইলে লোকেরা আমায় বারণ করল। আমি আবারও কাপড় সরাতে চাইলে আমার সম্প্রদায় আমাকে বারণ করল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজেই তাঁর বস্ত্র সরালেন কিংবা তিনি সরানোর নির্দেশ দেয়ায় সরানো হলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একজন ক্রন্দনরতা নারীর শব্দ শুনে প্রশ্ন করলেন, ইনি কে? লোকেরা বলল, ‘আমর-এর মেয়ে কিংবা বলল, ‘আমর-এর বোন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি কান্নাকাটি করছো কেন? অথচ ফেরেশতারা তাঁকে তুলে নেয়া পর্যন্ত পাখা মেলে ছায়া দিচ্ছিল।
৬২৪৯
জাবির (রাঃ)-এর বাবা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু হারাম (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমার বাবা উহুদের দিন শহীদ হলেন, আমি তাঁর মুখমণ্ডল হতে বস্ত্র তুলি আর কাঁদি। ব্যক্তিরা আমাকে নিষেধ করল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বারণ করেননি। আর আমর এর মেয়ে ফাতিমাও তাঁর জন্য কান্নাকাটি করতে থাকলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তুমি কাঁদো কিংবা না-ই কাঁদো, ফেরেশতাগণ তাঁর উপর আপন পাখার ছায়া বিস্তার করে রেখেছিল, যতক্ষণ না তোমরা তাকে তুলে নিয়েছো।
৬২৫০
জাবির (রাঃ)-এর বাবা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু হারাম (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে জুরায়জের বর্ণনায় ফেরেশতা ও ক্রন্দনকারীর কান্নার বর্ণনা নেই।