৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬১৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬১৮১
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট পুতুল নিয়ে খেলা করতেন। তখন আমার নিকট আমার সঙ্গীরা আসত। তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখে আড়ালে যেত। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে আমার নিকট পাঠিয়ে দিতেন।
৬১৮২
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
উপরোক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন। জারীর (রাঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, “আমি কন্যাদের নিয়ে তাঁর গৃহে খেলা করতাম, আর কন্যার অর্থ হলো খেলনা।”
৬১৮৩
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
লোকেরা হাদিয়াসমূহ পাঠানোর জন্য আয়েশা (রাঃ)-এর পালার প্রতীক্ষা করতো। যেদিন আয়েশা (রাঃ)-এর পালা হতো, সেদিন তারা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সন্তুষ্ট করার জন্য উপহার প্রেরণ করতো।
৬১৮৪
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
নবী সহধর্মিণীগণ রাসূল কন্যা ফাতিমাকে তাঁর নিকট প্রেরণ করলেন। সে এসে অনুমতি প্রার্থনা করল। তখন তিনি আমার চাদর গায়ে আমার সাথে ঘুমিয়ে ছিলেন। তিনি তাঁকে অনুমতি প্রদান করলেন। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার স্ত্রীগণ আমাকে পাঠিয়েছেন, আবূ কুহাফার কন্যার সম্বন্ধে তাঁরা আপনার ন্যায়-বিচার চান।’ আমি চুপ করে রইলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, ‘হে আদরের কন্যা! আমি যা ভালবাসি, তা-কি তুমি ভালোবাসো না?’ সে বললেন, ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।’ (ﷺ) বললেন, ‘তবে একে ভালোবাসো।’ (ﷺ)-এর নিকট এ কথা শুনে ফাতিমা (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর স্ত্রীদের নিকট ফিরে গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তিনি যা বলেছেন, আর তিনি তাঁকে যা উত্তর দিয়েছেন তা তাঁদেরকে বললেন। সহধর্মিণীগণ বললেন, ‘তুমি আমাদের কোন লাভ করতে পারলে না। তুমি পুনরায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে বলো, আপনার স্ত্রীগণ আবূ কুহাফার কন্যার সম্বন্ধে আপনার নিকট সুবিচার চাচ্ছেন।’ ফাতিমা (রাঃ) বললেন, ‘আল্লাহর শপথ! ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ব্যাপারে আমি কোন দিন কথা বলতে যাব না।’ তারপর রাসূল সহধর্মিণীগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্ত্রী যায়নাবকে তাঁর নিকট প্রেরণ করলেন। তিনিই ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আমার সমমর্যাদার অধিকারিণী। যায়নাবের চেয়ে দীনদার, আল্লাহভীরু, সত্যভাষিণী, মায়াময়ী, দানশীলা এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পথে ও দান-খয়রাতের জন্যে নিজেকে দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করার ন্যায় কোন নারী আমি দেখিনি। তবে তাঁর মাঝে শুধু একটা ক্ষিপ্ততা ছিল, তবে তিনি খুব দ্রুত ঠাণ্ডাও হয়ে যেতেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে অনুমতি প্রার্থনা করলেন। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আয়িশা (রাঃ)-এর সাথে চাদরে ঢাকা থাকা অবস্থায়ই অনুমতি দিলেন, যে অবস্থায় ফাতিমা (রাঃ) তাঁর নিকট এসে ছিল। তখন তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার স্ত্রীগণ আমাকে পাঠিয়েছেন। আবূ কুহাফার কন্যার সম্বন্ধে তাঁরা আপনার সুবিচার প্রার্থনা করেন।’ ‘আয়িশা (রা.) বলেন, তারপর তিনি আমার সম্পর্কে মন্তব্য করতে লাগলেন এবং বড় বড় কতক কথা শুনালেন। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর চোখের দিকে দেখছিলাম, তিনি আমায় কিছু বলার অনুমতি দেবেন কি-না? আমি বুঝতে পারলাম যে, যায়নাবের কথার জবাব দিলে তিনি কিছু মনে করবেন না। তখন আমিও তাঁর উপর কথা বলতে লাগলাম এবং অল্প সময়ের মাঝে তাঁকে নিশ্চুপ করিয়ে দিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হেসে বললেন: ‘এ তো আবূ বকরের কন্যা।’
৬১৮৫
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রাঃ)
উপরোক্ত সূত্রে এর মর্মার্থবোধক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তিনি “যখন আমিও তাঁর সঙ্গে কথা বলা আরম্ভ করলাম তখন কিছুক্ষণের মধ্যেই পরাভূত করলাম” এ বাক্যটি বলেননি।
৬১৮৬
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খোঁজখবর নিতেন, বলতেন, “আমি আজ কোথায় থাকব? কাল আমি কোথায় থাকব?” এ কথা ভেবে যে, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর পালা সম্ভবত অনেক দেরী। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যখন আমার নিকট তাঁর অবস্থানের দিন আসলো, তখন আল্লাহ তা’আলা আমার বক্ষ ও পাঁজরের মাঝ থেকে উঠিয়ে নিলেন।
৬১৮৭
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
তিনি মৃত্যুর আগমুহূর্তে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি তাঁর বুকে হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন, আর তিনিও (আয়িশা) তাঁর দিকে কান পেতে রেখেছিলেন; তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মাফ করো, রহম করো এবং আমাকে আমার বন্ধুর সঙ্গে শামিল করো।”
৬১৮৮
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
এ সূত্রেই অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেন।
৬১৮৯
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমি শুনতাম যে, কোনো নবী মৃত্যুবরণ করবেন না, যতক্ষণ না তাঁকে দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝখান হতে কোনো একটি বেছে নেয়ার অধিকার দেয়া হবে। মৃত্যুশয্যায় শায়িতাবস্থায় নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যখন তাঁর উর্ধ্বশ্বাস শুরু হয়ে গিয়েছিল, “ওদের সঙ্গে, যাদের উপর আল্লাহ দয়া করেছেন; তাঁরা হলেন সিদ্দিক, শহীদ ও সৎকর্মশীল, তাঁরা কতই না ঘনিষ্ঠ বন্ধু”- (সূরা আন নিসা ৪:৬৯)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হল তখনই তাঁকে (দুনিয়া ও আখিরাতের মাধ্যমে যা ভাল সেটি গ্রহণ করার) সুযোগ দেয়া হয়েছে।
৬১৯০
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সা‘দ (রাঃ)
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদিস বর্ণনা করেছেন।