৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬১৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬১৫১
হাসান এবং হুসায়ন (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
দিনের এক প্রহরে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেননি। আমিও তাঁর সঙ্গে কথা বলছিলাম না। অবশেষে বানু কুইনাকা’র বাজারে পৌঁছলেন, তারপর তিনি ফিরে চললেন এবং ফাতিমা (রাঃ)-এর গৃহে ঢুকলেন। বললেন, এখানে কি শিশু আছে, এখানে কি শিশু আছে, অর্থাৎ হাসান (রাঃ)। আমরা অনুমান করলাম যে, তাঁর মা তাকে ধরে রেখেছেন গোসল করানো এবং সুগন্ধি মালা পরানোর জন্য। কিন্তু অল্পক্ষণের মধ্যেই হাসান (রাঃ) দৌড়ে চলে এলেন এবং তাঁরা পরস্পরের গলায় জড়িয়ে ধরলেন। সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি তাঁকে পছন্দ করি, তুমিও তাঁকে পছন্দ কর, আর পছন্দ কর সে সব ব্যক্তিকে যে তাঁকে পছন্দ করে।
৬১৫২
হাসান এবং হুসায়ন (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
আমি হাসান ইবন আলী (রাঃ)-কে নবী (ﷺ)-এর ঘাড়ের উপর দেখেছি। তিনি বলছেন, “হে আল্লাহ! আমি একে ভালবাসি, তুমিও তাকে ভালবেসো।”
৬১৫৩
হাসান এবং হুসায়ন (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
বারা (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখলাম, হাসান ইবনে আলীকে তাঁর ঘাড়ে বসিয়ে রেখেছেন। তিনি বলছেন: হে আল্লাহ! আমি একে ভালোবাসি, তুমিও তাকে ভালোবাসো।
৬১৫৪
হাসান এবং হুসায়ন (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু রূমী ইয়ামামী ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আদুল ‘আযীম আম্বারী (রহঃ)
আমি তাঁর শুভ্র খচ্চরটিকে টেনেহিঁচড়ে নবী (ﷺ)-এর কামরা পর্যন্ত নিয়ে গেলাম। এর উপর আরোহী ছিলেন নবী (ﷺ), হাসান ও হুসাইন। একজন সম্মুখে, একজন পশ্চাতে।
৬১৫৫
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আহ্‌লে বায়তের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সকালে বের হলেন। তাঁর পরনে ছিল কালো নকশী দ্বারা আবৃত একটি পশমী চাদর। হাসান ইবন আলী (রাঃ) এলেন, তিনি তাঁকে চাদরের ভেতর প্রবেশ করিয়ে নিলেন। হুসাইন ইবন আলী (রাঃ) এলেন, তিনিও চাদরের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়লেন। ফাতিমা (রাঃ) এলেন, তাঁকেও ভেতরে ঢুকিয়ে ফেললেন। তারপর আলী (রাঃ) এলেন তাঁকেও ভেতরে ঢুকিয়ে নিলেন। তারপর বললেনঃ হে আহলে বাইত! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের হতে অপবিত্রতাকে দূরীভূত করে তোমাদের পবিত্র করতে চান- (সূরা আল আহযাব ৩৩:৩৩)।
৬১৫৬
যায়দ ইবনু হারিসাহ্ ও তাঁর পুত্র উসামাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমরা যায়দ ইবন হারিসা কে কিছুই বলতাম না, তবে যায়দ ইবন মুহাম্মাদ বলতাম যতক্ষণ না কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয়: ‘তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃ পরিচয়ে ডাক। আল্লাহর দৃষ্টিতে এটাই অধিক ন্যায়সঙ্গত।’ (সূরা আল আহযাব ৩৩:৫)। শায়খ আবু আহমাদ ইবন ঈসা (রহঃ) বললেন যে, আমাদেরকে আবু আব্বাস আস সাররাজ ও মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইউসুফ দুওয়াইরী উভয়েই বলেছেন, এ সানাদে কুতাইবা ইবন সাঈদ আমাদেরকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
৬১৫৭
যায়দ ইবনু হারিসাহ্ ও তাঁর পুত্র উসামাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) হতে এর অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন।
৬১৫৮
যায়দ ইবনু হারিসাহ্ ও তাঁর পুত্র উসামাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদল সৈন্য পাঠালেন, এতে উসামা ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে আমীর নিযুক্ত করলেন। মানুষেরা তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে বললেনঃ এর নেতৃত্বের যদি তোমরা সমালোচনা করো তাহলে তোমরা এর পিতার নেতৃত্ব নিয়েও পূর্বে সমালোচনা করেছিলে। আল্লাহর কসম! তাঁর পিতা নেতৃত্বের যোগ্য ছিল। সে আমার নিকট সর্বাধিক পছন্দের ছিল। আর যায়দের পর এখন আমার নিকট সর্বাধিক প্রিয় হলো উসামা (রাঃ)।
৬১৫৯
যায়দ ইবনু হারিসাহ্ ও তাঁর পুত্র উসামাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সালিম (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলেছেন: যদি তোমরা তাঁর নেতৃত্বের বিষয়ে সমালোচনা করো (এখানে উসামা ইবন যায়দকে বুঝাতে চেয়েছেন), তবে তোমরা ইতোমধ্যে এর পিতার নেতৃত্ব নিয়েও সমালোচনা করেছিলে। আল্লাহর কসম! সে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্য ছিল। সে আমার সবচেয়ে পছন্দেরও ছিল। আল্লাহর কসম! এ-ও খুব যোগ্য (এখানেও উসামাকে বুঝাতে চেয়েছেন); তারপরে এ-ই আমার সবচেয়ে বেশি প্রিয়। অতএব আমি তোমাদের উপদেশ দিচ্ছি, উসামার সাথে সুন্দর আচরণ করো। সে তোমাদের মতই একজন সৎকর্মপরায়ণ।
৬১৬০
‘আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফার (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মূলাইকাহ্ (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবন জা’ফার (রাঃ) আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ)-কে বললেন, তোমার স্মরণ আছে কি যখন আমি, তুমি এবং ইবন আব্বাস রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে একত্রিত হয়েছিলাম? সে সময় তিনি আমাকে আরোহণ করালেন, আর তোমাকে ছেড়ে দিলেন। তিনি বললেন, হ্যাঁ।