৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬১৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬১২১
‘আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু হাইয়্যান (রহঃ)
এ সূত্রেই ইসমাঈলের হাদিসের হুবহু রিওয়ায়াত করেন। জারীরের হাদিসে বর্ধিত বর্ণনা রয়েছে, আল্লাহর কিতাব, তাতে আছে হিদায়াত ও আলো, যে এটাকে আঁকড়ে রাখবে হিদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে আর যে এটা ছেড়ে দেবে সে পথ হারিয়ে ফেলবে (পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে)।
৬১২২
‘আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু আরকাম (রহঃ)
আমরা তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, আপনি তো অনেক কল্যাণ লক্ষ্য করেছেন, আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পাশে ছিলেন, তাঁর পেছনে সালাত আদায় করেছেন। তারপর আবূ হাইয়্যানের হাদিসের অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু এ হাদিসে আছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সাবধান! আমি তোমাদের মাঝে দুটো ভারী জিনিস ছেড়ে যাচ্ছি। তন্মধ্যে থেকে একটি আল্লাহর কিতাব- এটি আল্লাহর রশি, যে এর অনুসরণ করবে হিদায়েতের উপর থাকবে আর যে একে ছেড়ে দেবে সে পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত হবে।এ বর্ণনায় আরো আছে যে, আমরা বললাম, রাসুলের আহলে বায়তের মাঝে কি তাঁর বিবিরা সংযুক্ত রয়েছেন? যায়দ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! স্ত্রীরা একটা সময় পুরুষদের সাথে থাকে, তারপর তাঁকে স্বামী তালাক দিলে সে তার পিতা এবং গোষ্ঠীর নিকট ফিরে যায়। আহলে বায়ত হলো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মূল বংশ এবং তাঁর স্বগোত্রীয়রা, যাঁদের জন্য নবীর ইন্তিকালের পর যাকাত গ্রহণ নিষিদ্ধ।
৬১২৩
‘আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)
মারওয়ানের বংশের এক লোক মদীনার শাসনকর্তা নিযুক্ত হলো। সে সাহল (রাঃ)-কে ডেকে আনল এবং আলী (রাঃ)-কে গালি দিতে বলল। সাহল (রাঃ) অস্বীকৃতি জানালেন। শাসক লোকটি বলল, “তুমি যদি গালি না-ই দাও, তবে অন্তত এটুকু বলো যে, আবু তুরাবের উপর আল্লাহর লানত।” সাহল (রাঃ) বললেন, “আলী (রাঃ)-এর নিকট কোন নামই এর চেয়ে বেশি পছন্দনীয় ছিল না। এ নামে ডাকলে তিনি আনন্দিত হতেন।” সে লোক বলল, “তাহলে আবু তুরাব নাম হওয়ার কাহিনী বর্ণনা করো।”তিনি বললেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফাতিমা (রাঃ)-এর গৃহে আসলেন; কিন্তু আলী (রাঃ)-কে গৃহে পেলেন না। ফাতিমা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, “তোমার চাচাত ভাই কোথায়?” ফাতিমা (রাঃ) বললেন, “তাঁর আর আমার মধ্যে একটা কিছু ঘটেছিল, যার ফলে তিনি রাগ করে বের হয়ে গেছেন, আর তিনি আমার নিকট ঘুমাননি।” তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক লোককে বললেন, “দেখ তো, আলী কোথায়?” লোকটি এসে বলল, “হে আল্লাহর রাসূল! তিনি মসজিদে ঘুমিয়ে আছেন।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর নিকট আসলেন। আলী (রাঃ) শুয়ে ছিলেন। তাঁর এক পাশের চাদর সরে গিয়েছিল, ফলে গায়ে মাটি স্পর্শ করেছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাটি ঝাড়তে শুরু করলেন এবং বললেন, “হে আবু তুরাব! উঠো, হে আবু তুরাব! উঠো।”
৬১২৪
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
এক রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জেগে রইলেন আর তিনি বললেন, “আমার কোন সৎকর্মশীল সাহাবী যদি এ রাতটিতে আমাকে পাহারা দিত!” এমন সময় আমরা অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনতে পেলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “ইনি কে?” উত্তর এলো, “আমি সাদ ইবন আবু ওয়াক্কাস। আপনাকে পাহারা দিতে এসেছি, হে আল্লাহর রাসূল!” আয়িশা (রাঃ) বললেন, “তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘুমিয়ে পড়লেন। এমতাবস্থায় আমি তাঁর নাক ডাকার আওয়াজও শুনতে পেলাম।”
৬১২৫
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
মদীনা আগমনের প্রথম দিকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক রাতে জেগে রইলেন। আর তিনি বললেনঃ আমার সাহাবীদের মধ্য হতে কোন নেক লোক আমাকে এ রাতের পাহারা দিলে কতই না ভাল হতো। আয়িশা (রাঃ) বলেন যে, এমতাবস্থায়ই আমরা অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনতে পেলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ইনি কে? বললেন, সা’দ ইবনু আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ কেন এসেছ? সা’দ (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্পর্কে আমার অন্তরে আশঙ্কা জেগেছে, তাই তাঁকে পাহারা দিতে আসলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর জন্যে দোয়া করলেন, এরপর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন। ইবনু রুমহের বর্ণনায় রয়েছে, ‘আমরা বললাম, ইনি কে’?
৬১২৬
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
এক রাত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জেগে থাকলেন। (অবশিষ্টাংশ) সুলায়মান ইবন বিলালের অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত রয়েছে।
৬১২৭
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আলী (রাঃ)
সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) ব্যতীত আর কারো জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের মাতা-পিতা দু’জনের উৎসর্গের কথা একত্রে বর্ণনা করেননি। উহুদ যুদ্ধের দিবসে তিনি সা’দকে বলেছিলেন, তীর মারো, সা’দ! আমার পিতা-মাতা তোমার ওপর উৎসর্গ হোন।
৬১২৮
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশ্শার, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, আবূ কুরায়ব, ইসহাক্ হান্যালী ও ইবনু আবূ উমার (রাঃ) আলী (রাঃ)
নবী (ﷺ) হতে অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত আছে।
৬১২৯
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)
আমার জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পিতা ও মাতাকে একসাথে উৎসর্গ করেছেন উহুদ যুদ্ধের দিনে।
৬১৩০
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহিইয়া ইবনু সা’ঈদ (রাঃ)
এ সনদে রেওয়ায়াত করেছেন।