৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬১০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬০৯১
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবু বকর ও উমর (রাঃ) সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্বপ্ন তাঁদের হাদিসের একই রকম রিওয়ায়াত করলেন।
৬০৯২
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম, ওখানে একটা বাড়ি বা অট্টালিকা প্রত্যক্ষ করলাম। বললাম, এটা কার? লোকেরা বলল, উমর ইবনুল খাত্তাবের। আমি এতে প্রবেশের আগ্রহ প্রকাশ করলাম। তখনই তোমার আত্মসম্মানবোধের কথা আমার মনে পড়ল। এ কথা শুনে উমর (রাঃ) কেঁদে দিলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার প্রতিও কি আত্মমর্যাদাবোধ চলে?
৬০৯৩
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির (রাঃ) থেকে, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ..... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। আ’মর আন নাকিদ (রহঃ) ..... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু নুমায়র ও যুহায়রের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৬০৯৪
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি শুয়ে ছিলাম। স্বপ্নে আমাকে আমি জান্নাতে দেখতে পাই। ওখানে একটি অট্টালিকার কিনারে একজন নারী ওযু করছিল। আমি জানতে চাইলাম এটি কার? তারা বলল, ‘উমর ইবনুল খাত্তাবের। তখন উমর-এর আত্মসম্মানবোধের কথা আমার স্মরণ হলে, আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম।আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে উমর (রাঃ) কেঁদে দিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে আমরা সকলে এ মজলিসে ছিলাম। তারপর উমর (রাঃ) বললেন, আপনার উপর আমার মা-বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আপনার প্রতি আত্মসম্মানবোধ দেখাবো?
৬০৯৫
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
উপরোক্ত সূত্রে হুবহু রিওয়ায়াত করেন।
৬০৯৬
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ (রাঃ)
উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে প্রবেশের সম্মতি চাইলেন। তখন কুরাইশ নারীরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট কথোপকথনে লিপ্ত ছিল এবং তারা উচ্চস্বরে বেশি বেশি কথা বলছিল। যখন উমর (রাঃ) অনুমতি চাইলেন, এরা উঠে অভ্যন্তরে চলে গেল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে অনুমতি দিলেন এবং তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাসছিলেন। উমর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনার মুখকে হাস্যোজ্জ্বল রাখুন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “আমি তাদের ব্যাপারে অবাক হচ্ছি যারা আমার নিকট উপবিষ্ট ছিল; আর তোমার শব্দ শুনামাত্রই তারা অভ্যন্তরে চলে গেল।”উমর (রাঃ) বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকেই তো এদের অধিক ভয় করা উচিত।” তারপর উমর (রাঃ) বললেন, “ওহে! নিজের প্রাণের শত্রুরা! তোমরা আমাকে ভয় করো এবং আল্লাহর রাসূলকে ভয় করো না।” তারা বলল, “হ্যাঁ, তুমি তো আল্লাহর রাসূলের চাইতে অধিক তেজস্বী এবং রাগী।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “যাঁর হাতে আমার জীবন তাঁর কসম! যখন শয়তান তোমাকে কোন রাস্তায় চলতে দেখে তখন সে তোমার রাস্তা বাদ দিয়ে ভিন্ন পথ ধরে চলে।”
৬০৯৭
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট উমর (রাঃ) আসলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে কতিপয় মহিলা উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছিল। যখন উমর প্রবেশের অনুমতি চাইলেন, মেয়েরা সব সাথে সাথে ভিতরে চলে গেল। অবশিষ্টাংশ যুহরী (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন।
৬০৯৮
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলতেন: তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতসমূহের মাঝে কতিপয় ব্যক্তি ছিলেন মুহাদ্দাস, আমার উম্মতের মাঝে যদি কেউ এমন থেকে থাকে তবে সে উমর ইবনুল খাত্তাবই হবে। ইবনু ওহ্‌ব (রাঃ) বলেন, ‘মুহাদ্দাস’-এর ব্যাখ্যা হলো যিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে গোপনে প্রত্যাদেশপ্রাপ্ত হন।
৬০৯৯
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ ইবনু ইব্‌রাহীম (রহঃ)
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন।
৬১০০
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
উমর (রাঃ) বলেছেন যে, তিনটি বিষয়ে আমি আল্লাহর ইচ্ছার অবিকল আগের মতোই উল্লেখ করেছি। মাকামে ইব্রাহিমে সালাত আদায় সম্পর্কে, মেয়েদের পর্দা এবং বদরের যুদ্ধবন্দীদের প্রসঙ্গে।