৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬০৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬০৭১
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু আস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে যাতুস সালাসিলের সেনা বাহিনীর সঙ্গে পাঠালেন, তখন আমি রাসূলের নিকট এসে বললাম, আপনার নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, ‘আয়িশা। আমি বললাম, পুরুষদের মাঝে কে? তিনি বললেনঃ আয়িশার পিতা (আবু বকর)। আমি বললাম, তারপর? তিনি বললেনঃ ‘উমর। তারপর তিনি আরো কিছু সংখ্যক ব্যক্তির নাম বর্ণনা করলেন।
৬০৭২
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ) হতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যদি কাউকে খলীফা বা প্রতিনিধি বানাতেন তাহলে কাকে নিযুক্ত করতেন? আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আবু বকরকে। জিজ্ঞাসা করা হল, আবু বকরের পর কাকে? বললেনঃ উমরকে। পুনরায় জিজ্ঞেস করা হল, উমরের পর কাকে? তিনি বললেন আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহকে- এটুকু বলেই তিনি সমাপ্ত করলেন।
৬০৭৩
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ)
জনৈকা মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট কিছু চাইলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে অন্য এক সময় আসার জন্য বললেন। মহিলাটি বলল, যদি আমি এসে আপনাকে আর না পাই তবে? রাবী বলেন, আমার পিতা বলেছেন, (মহিলাটি মৃত্যুর ব্যাপারেই বলেছিলেন)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যদি আমাকে না পাও তবে আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট এসো।
৬০৭৪
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ)
তার পিতা মুত'ইম তাকে বলেছেন যে, একজন স্ত্রীলোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এসে তাকে কিছু বললেন, তিনি মহিলাটিকে আব্বাদ ইবন মূসা (রহঃ) এর হাদিসের হুবহু আদেশ করলেন।
৬০৭৫
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে তাঁর রোগ শয্যায় বললেনঃ তোমার আব্বা ও ভাইকে তুমি আমার কাছে ডাকো। আমি একটা পত্র লিখে দিই। কারণ আমি আশঙ্কা করছি যে, কোন উচ্চাভিলাষী ব্যক্তি আকাঙ্ক্ষা পোষণ করবে, আর কেউ দাবি করে বসবে যে, আমিই হকদার। অথচ আবু বকর ব্যতীত ভিন্ন কাউকে আল্লাহ তা‘আলা মেনে নেবেন না এবং মুমিনরাও মেনে নেবে না।
৬০৭৬
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “আজ তোমাদের মাঝে কে সিয়াম পালনকারী?” আবু বকর (রাঃ) বললেন, “আমি।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “আজ তোমাদের মাঝে কে একটি জানাজাকে অনুসরণ করেছ?” আবু বকর (রাঃ) বললেন, “আমি।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তোমাদের মাঝে কে একজন মিসকিনকে আজ খাবার দিয়েছ?” আবু বকর (রাঃ) বললেন, “আমি।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “আজ তোমাদের মাঝে কে একজন অসুস্থকে দেখতে গিয়েছ?” আবু বকর (রাঃ) বললেন, “আমি।” তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “যার মধ্যে এ কাজগুলোর সংমিশ্রণ ঘটেছে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
৬০৭৭
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জনৈক লোক পিঠে বোঝা দিয়ে একটি গাভীকে হাঁকাচ্ছিল। গাভীটি ব্যক্তিটির দিকে দৃষ্টিপাত করে বললঃ আমাকে তো এজন্য সৃষ্টি করা হয়নি, আমার সৃষ্টি তো হালচাষ করার জন্য। লোকেরা বিস্ময়কর ও ভীত হয়ে বলে উঠল, সুবহানআল্লাহ! গাভী কথা বলে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এটা আমি বিশ্বাস করি এবং আবু বকর, উমরও বিশ্বাস করে।আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এক রাখাল ছাগল চরাচ্ছিল। এমন সময় একটি নেকড়ে এসে একটা ছাগল কেড়ে নিয়ে গেলে রাখাল নেকড়ের কবল থেকে ছাগলটিকে মুক্ত করল। সে সময় নেকড়ে এসে রাখালটির দিকে তাকিয়ে বলল, যেদিন তুমি ব্যতীত আর কোন রাখাল থাকব না, সেদিন কে বকরীগুলোকে মুক্ত করবে? লোকেরা বলে উঠল, সুবহানআল্লাহ! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমি, আবু বকর এবং উমর এ বিষয়টি বিশ্বাস করি।
৬০৭৮
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ... এ সূত্রে ইবনু শিহাব (রহঃ)
হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন। এতে রাখাল ও ভেড়ার ঘটনা রয়েছে, তবে গাভীর ব্যাপারটি তিনি বর্ণনা করেননি।
৬০৭৯
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) এর সনদ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যুহরী (রহঃ) সূত্রে ইউনুস বর্ণিত হাদীসের সমার্থক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তাঁদের হাদীসে একই সঙ্গে গাভী ও ছাগলের কাহিনী আছে। তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এ বিষয়টি আমি, আবু বকর এবং উমর বিশ্বাস করি। তাঁরা কেউই তখন সেখানে ছিলেন না।
৬০৮০
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন।