৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬০৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬০৮১
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
উমর (রাঃ)-কে তাঁর খাটিয়ায় রাখা হলে লোকেরা তাঁর কাছে জমা হয়ে দোয়া, প্রশংসা ও দরুদ পাঠ করছিল, তখনও তাঁর জানাযা হয়নি। আমিও লোকদের সাথে ছিলাম। জনৈক লোক পেছন থেকে আমার কাঁধে হাত রাখলে আমি শঙ্কিত হলাম। ঘুরে দেখি আলী (রাঃ)। তিনি বললেন, আল্লাহ উমর (রাঃ) এর উপর রহম করুন।এরপর উমরকে সম্বোধন করে বললেন, হে উমর! আপনি আপনার চেয়ে অধিক পছন্দের কোন লোক রেখে যাননি যার আমল এমন যে, তার মত আমল নিয়ে আমি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ লাভে ভালবাসি। আমার মনে হত, আল্লাহ আপনাকে আপনার দুই সাথীর সাথেই রাখবেন। কারণ, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রায়ই বলতে শুনেছি, “আমি, আবু বকর ও উমর এসেছি। প্রবেশ করেছি আমি, আবু বকর ও উমর; বেরও হয়েছি আমি, আবু বকর ও উমর।” এজন্যে আমার দৃঢ় প্রত্যয় ও আস্থা এই যে, আপনাকে আল্লাহ তাঁদের সঙ্গেই রাখবেন।
৬০৮২
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনু সা’ঈদ (রাঃ)
একই সূত্রে অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৬০৮৩
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমি শুয়ে ছিলাম, দেখি আমার সম্মুখে লোকদের আনা হচ্ছে, এদের গায়ে কাপড়। কারো জামা বুক পর্যন্ত, কারো বা এর নিচে। উমর (রাঃ)-কে আনা হলো, তাঁর গায়ে একটা লম্বা চওড়া কাপড় মাটিতে গিয়ে ঠেকেছিল অর্থাৎ টেনে টেনে চলছিল। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এর কি বিশ্লেষণ করেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ দ্বীন (দ্বীনের নমুনা)।
৬০৮৪
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হামযাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি ঘুমিয়ে আছি, দেখলাম দুধ ভর্তি একটি পেয়ালা আনা হলো। আমি তা থেকে পান করলাম এমনকি আমি দেখলাম যে, আমার নখের মধ্যেও তৃপ্তি ও সজীবতা প্রবাহিত হচ্ছে। এরপর যা অবশিষ্ট রইল তা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে দিলাম। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এর ব্যাখ্যা কি? তিনি বললেন, ‘ইলম’।
৬০৮৫
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সালিহ (রাঃ)
ইউনুসের সূত্রে অবিকল হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
৬০৮৬
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, আমি ঘুমন্ত অবস্থায় একটি কূপ দেখলাম, তাতে একটি বালতিও আছে। আমি আল্লাহ তাআলার হুকুম মত পানি তুললাম। তারপর আবু কুহাফার ছেলে বালতি হাতে নিল এবং এক বা দুই বালতি পানি তুলল। তাঁর উঠানোর কাজে দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ তাকে মাফ করে দিন। বালতিটি এবার বড় হয়ে গেল। ইবন খাত্তাব সেটি নিল। আমি উমর ইবন খাত্তাবের মতো পারদর্শী পানি উত্তোলনকারী আর কাউকে দেখিনি। তখন লোকেরা নিজেদের উটগুলোকে পানি পান করিয়ে বিশ্রামের জায়গায় নিয়ে গেল।
৬০৮৭
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
সালিহ্ (রহঃ) হতে ইউনুস (রাঃ)
অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৬০৮৮
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ইবনু আবূ কুহাফাকে পানি উঠাতে দেখেছি। অবশিষ্টাংশ যুহরীর হাদীসের মতই।
৬০৮৯
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ঘুমের মাঝে আমি দেখলাম, আমার হাউজ হতে পানি উঠাচ্ছি এবং লোকদের পানি দিচ্ছি। আবূ বকর (রাঃ) এসে আমাকে আরাম করার জন্য আমার হাত হতে বালতি নিয়ে দুই বালতি পানি উত্তোলন করলেন এবং তাঁর উত্তোলনে শক্তি পাচ্ছিলেন না। আল্লাহ তাঁকে মাফ করুন।তারপর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এসে তাঁর হাত থেকে বালতি নিলেন, তাঁর তুলনায় বেশি শক্তিশালী উত্তোলনকারী আমি আর কোনদিন দেখিনি। লোকেরা আত্মতৃপ্তি সহকারে প্রত্যাবর্তন করল। আর তখনও হাউজ পরিপূর্ণ ছিল যেন তা উপচিয়ে পড়ছে।
৬০৯০
‘উমার (রাঃ) এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: আমি স্বপ্নে লক্ষ্য করলাম যেন এক ছোট বালতি দিয়ে একটি কুয়া হতে পানি উত্তোলন করছি। তখন আবু বকর এসে এক বালতি বা দুই বালতি উঠালেন। তাঁর উত্তোলনে দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ তাঁকে মাফ করুন। তারপর উমর এসে পানি তোলা আরম্ভ করলেন। আর বালতিটি বৃহদাকার ধারণ করলো। মানুষদের মধ্যে এত বড় শক্তিশালী যুবক আমি আর দেখিনি যে তাঁর ন্যায় কাজ করে। এমনকি মানুষেরা পরিতৃপ্তি লাভ করলো এবং তথায় উটশালা বানিয়ে ফেললো।