৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬০৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬০৬১
খাযির (‘আঃ)-এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)
নবী (ﷺ) لا تخذت এর স্থলে لَتَخِذْتَ عَلَيْهِ أَجْرًا এরূপও পড়েছেন (দুটোর অর্থ একই)।
৬০৬২
খাযির (‘আঃ)-এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) এবং কায়স ইবনু হিসন, মূসা (আঃ)-এর সঙ্গী সম্পর্কে তর্ক করলেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, সঙ্গীটি খিযির (আঃ) ছিলেন। অতঃপর সেখানে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) আসলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আবু তুফাইল! এদিকে আসুন, আমি এবং সে তর্ক করছি- মূসা (আঃ)-এর সঙ্গীর সম্বন্ধে যার নিকট তিনি গিয়েছিলেন। আপনি কি এ সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে কিছু জেনেছেন?উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মূসা (আঃ) এক সমাবেশে কিছু বলেছিলেন, এমতাবস্থায় একটা লোক এসে জিজ্ঞেস করল, আপনার চেয়ে অধিক জ্ঞানী কোন লোক সম্বন্ধে কি আপনার জানা আছে? মূসা (আঃ) বললেন, না। তখন আল্লাহ ওহী প্রেরণ করলেন, আমার বান্দা খিযির তোমার তুলনায় অধিক জানেন। মূসা (আঃ) খিযির (আঃ)-এর সাথে দেখা করার উপায় জানতে চাইলেন। আল্লাহ তা’আলা মাছকে নমুনা হিসাবে চিহ্নিত করলেন এবং আদেশ করা হলো, যখন তুমি মাছটি হারিয়ে ফেলবে তখন ফিরবে আর তাঁর দর্শনও পাবে।মূসা (আঃ) আল্লাহর ইচ্ছা মতো চললেন। তারপর তাঁর সঙ্গীকে বললেন, আমাদের নাস্তা বের করো। খাদিম বলল, আপনার কি জানা আছে যে, যখন আমরা সাখরা (পাথরের নিকট) পৌঁছলাম তখন মাছের কথা ভুলে গিয়েছি; আর শয়তানই আমাদের ভুলে দেয়ার কারণ। মূসা (আঃ) বললেন, এটাই তো আমরা প্রত্যাশা করতাম। সুতরাং দু’জনেই পদাঙ্ক অনুসরণ করে ফিরলেন এবং খিযির (আঃ)-কে পেলেন। পরবর্তী ঘটনা আল্লাহ তা’আলা তাঁর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইউনুস (রহঃ)-এর বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, ‘তারা সমুদ্রগামী মাছটির নিদর্শন অনুসরণ করে ফিরলেন’।
৬০৬৩
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বক্‌র (রাঃ)
আমাদের মাথার উপর মুশরিকদের পা লক্ষ্য করলাম। তখন আমরা গুহায় ছিলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এদের কেউ যদি নিজের পায়ের দিকে তাকায় তাহলে পায়ের তলায়ই আমাদের দেখতে পাবে। রাসূল (ﷺ) বললেনঃ হে আবু বকর! তুমি এ দুইজন সম্পর্কে কী মনে করো, যাদের সঙ্গে আল্লাহ তৃতীয় জন হিসাবে আছেন?
৬০৬৪
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বারের উপর বসে বললেন, “একজন বান্দাকে আল্লাহ তা‘আলা দুইটি বিষয়ের মাঝে ইখতিয়ার (স্বাধীনতা) দিয়েছেন যে, (১) দুনিয়ার সম্পদ (প্রাচুর্য) দান করা, (২) এবং তাঁর নিজস্ব অবস্থায় বহাল থাকা। সুতরাং এ বান্দা আল্লাহর নিকট যা আছে তা বেছে নিলেন।” এ কথা শুনে আবু বকর (রাঃ) কান্নাকাটি করতে লাগলেন এবং বললেন, “আমাদের পিতৃপুরুষ আপনার জন্য উৎসর্গকৃত হোক।” ইখতিয়ারপ্রাপ্ত এ বান্দাটি ছিলেন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ ব্যাপারে আবু বকরই আমাদের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: “আমার উপর সর্বাধিক অনুগ্রহ আবু বকরের— সম্পদের ও সঙ্গ দানেও। আমি যদি কাউকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে গ্রহণ করতাম তাহলে আবু বকরকেই করতাম। এখন তো ইসলামী ভ্রাতৃত্বই রয়েছে। মসজিদের চতুস্পার্শে প্রবেশপথ যেন বন্ধ থাকে, শুধু আবু বকরের দ্বার উন্মুক্ত থাকবে।”
৬০৬৫
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মানুষদের সম্মুখে বক্তৃতা দিলেন ..... তারপর মালিক (রহঃ)-এর হাদিসের অবিকল।
৬০৬৬
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি যদি বন্ধু বানাতাম তাহলে আবু বকরকেই বন্ধু হিসেবে অগ্রাধিকার দিতাম। তবে তিনি আমার ভাই এবং আমার সঙ্গী আর তোমাদের সঙ্গীকে আল্লাহ তা‘আলা বন্ধু বানিয়েছেন।
৬০৬৭
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের মাঝখান হতে যদি আমি বন্ধু বানাতাম তাহলে আবু বকরকেই বন্ধু বানাতাম।
৬০৬৮
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি আমি কোন বন্ধু গ্রহণ করতাম তবে আবু কুহাফার পুত্রকেই গ্রহণ করতাম।
৬০৬৯
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: দুনিয়ার কাউকে যদি আমি ঘনিষ্ঠ বন্ধু বানাতাম তবে আবু কুহাফার পুত্রকেই বন্ধু বানাতাম; কিন্তু তোমাদের সঙ্গী আল্লাহর খলীল (বন্ধু)।
৬০৭০
আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: জেনে রাখো! কারো সাথে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব নেই, যদি কাউকে বন্ধু বানাতাম তবে আবু বকরকেই বানাতাম। তোমাদের সঙ্গী আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু।