৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৯৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৯৪১
খারাপ কাজ হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দূরে অবস্থান এবং মুবাহ্‌ কাজের মাঝে সহজটিকে গ্রহণ করা এবং আল্লাহ্‌র মর্যাদা হানি হয় এমন বিষয়ে প্রতিশোধ নেয়া পরিচ্ছেদ নাই
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ)
উপরোল্লিখিত একাধিক সূত্রের বর্ণনাকারীগণ এ সূত্রে মালিকের হাদিসের হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৯৪২
খারাপ কাজ হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দূরে অবস্থান এবং মুবাহ্‌ কাজের মাঝে সহজটিকে গ্রহণ করা এবং আল্লাহ্‌র মর্যাদা হানি হয় এমন বিষয়ে প্রতিশোধ নেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখে এমন দুটো বিষয়ের স্বাধীনতা দেওয়া হত যার একটি অপরটির তুলনায় সহজ তখন তিনি সহজটিকেই গ্রহণ করতেন, যদি সেটি দোষের না হত। আর দূষণীয় হলে তিনি তা হতে সর্বাধিক দূরে থাকতেন।
৫৯৪৩
খারাপ কাজ হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দূরে অবস্থান এবং মুবাহ্‌ কাজের মাঝে সহজটিকে গ্রহণ করা এবং আল্লাহ্‌র মর্যাদা হানি হয় এমন বিষয়ে প্রতিশোধ নেয়া পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রাঃ)
উপরোক্ত সূত্রে বর্ণিত দুইটির মাঝে সহজটি পর্যন্ত উল্লেখ করেন। তবে তিনি পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি।
৫৯৪৪
খারাপ কাজ হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দূরে অবস্থান এবং মুবাহ্‌ কাজের মাঝে সহজটিকে গ্রহণ করা এবং আল্লাহ্‌র মর্যাদা হানি হয় এমন বিষয়ে প্রতিশোধ নেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্বহস্তে কোনো দিন কাউকে আঘাত করেননি, কোনো নারীকেও না, খাদিমকেও না, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ ব্যতীত। আর যে তাঁর অনিষ্ট করেছে তার থেকেও প্রতিশোধ নেননি। তবে আল্লাহর মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় এমন বিষয়ে তিনি তাঁর প্রতিশোধ নিয়েছেন।
৫৯৪৫
খারাপ কাজ হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দূরে অবস্থান এবং মুবাহ্‌ কাজের মাঝে সহজটিকে গ্রহণ করা এবং আল্লাহ্‌র মর্যাদা হানি হয় এমন বিষয়ে প্রতিশোধ নেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, আবূ কুরায়ব (রহঃ)
একই সূত্রে হিশাম হতে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাঁদের একে অন্য হতে কিছু বর্ধিত রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৯৪৬
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর শরীরের সুরভি ও কোমলতা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে যুহরের সালাত আদায় করলাম। এরপর তিনি তাঁর বাড়ির উদ্দেশে বের হলেন, আমিও তাঁর সাথে বের হলাম। সম্মুখে কয়েকটি শিশু আসল। তিনি একজন একজন করে এদের সবার গালে হাত স্পর্শ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার গালেও হাত বুলালেন। আমি তাঁর হাতে এমন ঠান্ডা পরশ ও সুগন্ধি পেয়েছি (মনে হলো) যেন তিনি খুশবুওয়ালার পাত্র হতে হাত বের করেছেন।
৫৯৪৭
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর শরীরের সুরভি ও কোমলতা পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর (দেহের) চেয়ে অধিক সুগন্ধময় কোন আম্বর, মিশক বা ভিন্ন কোন বস্তুর ঘ্রাণ আমি গ্রহণ করিনি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর (দেহের) চাইতে কোমল রেশম বা নরম বস্ত্র আমি ছুঁয়ে দেখিনি।
৫৯৪৮
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর শরীরের সুরভি ও কোমলতা পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছিলেন শুভ্র উজ্জ্বল বর্ণের। তাঁর ঘাম যেন মুক্তার মতো। তিনি চলার সময় সম্মুখ পানে ঝুঁকে চলতেন। আমি নরম কাপড় বা রেশমকেও তাঁর হাতের তালুর মতো নরম পাইনি এবং মিশ্‌ক ও আম্বরের মাঝেও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর শরীরের চেয়ে অধিক সুগন্ধ পাইনি।
৫৯৪৯
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘামের সুগন্ধ এবং তা থেকে বারাকাত লাভ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের গৃহে আসলেন এবং আরাম করলেন। তিনি ঘর্মাক্ত হলেন, আর আমার মা একটি ছোট বোতল নিয়ে মুছে তাতে ভরতে লাগলেন। নবী (ﷺ) জাগ্রত হলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, “হে উম্মু সুলায়ম! একি করছ?” আমার মা বললেন, “এ হচ্ছে আপনার ঘাম, যা আমরা সুগন্ধির সাথে মেশাই, আর এ তো সব সুগন্ধির সেরা সুগন্ধি।”
৫৯৫০
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘামের সুগন্ধ এবং তা থেকে বারাকাত লাভ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) উম্মু সুলাইমের গৃহে যেতেন এবং তার বিছানায় আরাম করতেন, আর উম্মু সুলাইম তখন গৃহে থাকত না। আনাস (রাঃ) বলেন, একদিন তিনি এলেন এবং তার বিছানায় ঘুমালেন। উম্মু সুলাইমকে বলা হলো, ইনি নবী (ﷺ) তোমার গৃহে, তোমার বিছানায় ঘুমিয়ে গেছেন। আনাস (রাঃ) বলেন, উম্মু সুলাইম গৃহে প্রবেশ করলেন, নবী (ﷺ) তখন ঘর্মাক্ত হয়েছেন, আর তাঁর ঘাম চামড়ার বিছানার উপর জমে গেছে, উম্মু সুলাইম তার কৌটা খুললেন এবং সে ঘাম মুছে মুছে ছোট একটি বোতলে ভরতে লাগলেন। নবী (ﷺ) হঠাৎ উঠে গেলেন এবং বললেন, “হে উম্মু সুলাইম! তুমি কি করছ?” তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের শিশুদের জন্য তার বরকত নিচ্ছি।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “ভাল করেছ।”