৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৯১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৯০১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রগামী পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
কোন এক সময় মদীনায় ভয়ের কারণ সৃষ্টি হয়েছিল। নবী (ﷺ) আবু তালহা (রাঃ)-এর একটি ঘোড়া চেয়ে নিলেন। এটিকে ‘মানদূব’ বলা হত। তিনি তার উপর সওয়ার হলেন। অতঃপর বললেন, “আমি ঘাবড়ানোর কোন কারণ দেখতে পাইনি। আর এ ঘোড়াটিকে সমুদ্রের মতো পেয়েছি।”
৫৯০২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রগামী পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্ (রাঃ)
উপরোক্ত সূত্রে এ হাদিস রিওয়ায়াত করেন। ইবনু জাফরের হাদিসে আমাদের ঘোড়ার কথা বলা হয়েছে, আবূ তালহা (রাঃ)-এর কথা বলা হয়নি। কাতাদা (রহঃ)-এর সূত্রে খালিদ (রহঃ) বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, আমি আনাস (রাঃ) হতে শুনেছি।
৫৯০৩
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মধ্যে প্রবাহমান বায়ু থেকেও শ্রেষ্ঠ দানশীল ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মানুষের মাঝে দানশীলতায় সবচেয়ে বেশি অগ্রগামী ছিলেন। তবে রমজান মাসে তিনি আরও অধিক দানশীল হতেন। কারণ জিবরাইল (আঃ) প্রতি বছর রমজান মাসে তাঁর সাথে দেখা করতেন। রমজান শেষ হওয়া পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সম্মুখে কুরআন পাঠ করে শোনাতেন। যখন জিবরাইল (আঃ) তাঁর সাথে দেখা করতেন তখন তিনি বিক্ষিপ্ত বাতাসের চেয়েও বেশি দানশীল হতেন।
৫৯০৪
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মধ্যে প্রবাহমান বায়ু থেকেও শ্রেষ্ঠ দানশীল ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
আবূ কুরায়ব ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন।
৫৯০৫
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বোত্তম চরিত্রবান ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
আমি দশ বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমত করেছি। আল্লাহর শপথ! তিনি কখনো আমাকে ‘উফ’ শব্দও বলেননি এবং কোন সময় আমাকে ‘এটা কেন করলে’, ‘ওটা কেন করনি’ তাও বলেননি। আবূ রাবী (রহঃ) বর্ধিত বলেছেন, ‘কোন বিষয় সম্পর্কে যা খাদিমের করা ঠিক নয়’ এবং তাঁর রিওয়ায়াতে আল্লাহর শপথের বর্ণনা নেই।
৫৯০৬
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বোত্তম চরিত্রবান ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৯০৭
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বোত্তম চরিত্রবান ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মদীনায় আসেন তখন আবূ তালহা (রাঃ) হাতে ধরে আমাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে উপস্থিত হলেন। অতঃপর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আনাস অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছেলে, সে আপনার সেবা করবে।আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর খিদমত করেছি সফর ও ইকামাত অবস্থায়। আল্লাহর শপথ! আমি যে কোন কাজই করেছি, তিনি আমাকে বলেননি যে, কেন এমনটি করলে? আর যে কোন কাজই আমি করিনি, ‘কেন তুমি এটি করনি’, এ রকমও বলেননি।
৫৯০৮
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বোত্তম চরিত্রবান ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
আমি নয় বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সেবা করেছি। আমার জানা নেই, তিনি কখনো আমায় বলেছেন, কেন তুমি এ কাজ করলে? এবং কোন ব্যাপারে আমাকে কখনো দোষারোপও করেননি।
৫৯০৯
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বোত্তম চরিত্রবান ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সবচেয়ে উত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। একদা তিনি আমাকে একটি কাজে যাওয়ার আদেশ করলেন, তখন আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি যাব না; কিন্তু আমার মনে এ বিশ্বাস ছিল, যে কাজে আমাকে নবী (ﷺ) নির্দেশ দিয়েছেন আমি সে কাজে যাব।অতঃপর আমি বের হয়ে ছেলেদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তারা বাজারে খেলাধুলায় লিপ্ত ছিল। হঠাৎ করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পশ্চাৎদিকে এসে আমার ঘাড় ধরলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর প্রতি দৃষ্টি দিলাম তখন তিনি হাসছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, হে উনাইস! তুমি কি সেখানে গিয়েছিলে যেখানে তোমাকে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলাম? তিনি বলেন, আমি বললাম হ্যাঁ! হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই আমি যাচ্ছি।
৫৯১০
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বোত্তম চরিত্রবান ছিলেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
আল্লাহর শপথ! আমি নয় বছর তাঁর সেবায় ছিলাম। কিন্তু আমার জানা নেই, কোন কাজ আমি করেছি সে ব্যাপারে তিনি বলেননি— ‘এরকম কেন করলে’; অথবা কোন কাজ করিনি, সে ব্যাপারে বলেননি— ‘কেন অমুক অমুক কাজ করলে না?’