৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৮৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৮৮১
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) হতে উবায়দুল্লাহর বর্ণিত হাদীসের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৫৮৮২
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের সম্মুখে একটা হাউয হবে যার প্রশস্ততা জারবা ও আযরুহার মাঝামাঝি ব্যবধানের সমান। সেখানে আকাশে তারকার ন্যায় অনেক পাত্র থাকবে। যে লোক এখানে এসে ঐ হাউজের পানি পান করবে, পরবর্তীতে সে কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না।
৫৮৮৩
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার গিফারী (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে প্রশ্ন করেছি, হে আল্লাহর রাসূল! হাউযের পাত্র কত হবে? তিনি বললেন, “যাঁর কব্জায় আমার জীবন তাঁর শপথ! সে হাউযের পাত্র মেঘবিহীন আঁধার রাতের আকাশের নক্ষত্র ও তারকারাজির চাইতেও বেশি। সে সব পাত্র জান্নাতেরই পাত্র। যে ঐ পাত্র হতে পান করবে, শেষ পর্যন্ত আর তৃষ্ণার্ত হবে না।ঐ হাউযের মধ্যে জান্নাত হতে প্রবাহিত দুইটি নালার সংমিশ্রণ রয়েছে। যে লোক ঐ হাউয হতে পান করবে, সে আর তৃষ্ণার্ত হবে না, সে হাউযের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান হবে। সে হাউযের প্রশস্ততা ‘আম্মান থেকে আয়লার মাঝামাঝি ব্যবধানের সমতুল্য। তার পানি দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়েও বেশি মিষ্টি।”
৫৮৮৪
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সাওবান (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমি আমার হাউযের পাশে থাকবো। ইয়ামানবাসীদের জন্য সর্বসাধারণ লোককে সরিয়ে দেব। আমি আমার লাঠি দিয়ে হাউযের পানির উপর করাঘাত করবো যাতে তাদের উপর তা প্রবাহিত হয়। এরপর নবী (ﷺ)-কে সে হাউযের প্রশস্ততা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, আমার এ স্থান থেকে ‘আম্মানের ব্যবধানের সমান।পুনরায় সে হাউযের পানি সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, দুধের চেয়ে অধিক শুভ্র ও মধুর চেয়ে অতি মিষ্ট। জান্নাত থেকে প্রবাহিত দুটো নালা দিয়ে সে হাউযের মাঝে পানি আসতে থাকবে। তার একটি (নালা) সোনার এবং অপরটি রূপার।
৫৮৮৫
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ)
কাতাদা (রহঃ) নবী (ﷺ) হতে সাওবান (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে এতটুকু পার্থক্য যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমি কেয়ামতের দিন হাউজের পাশেই থাকব।
৫৮৮৬
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সাওবান (রাঃ)
নবী (ﷺ) হতে হাউজের হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তারপর তিনি ইয়াহিয়া ইবনু হাম্মাদ (রহঃ)-কে বললেন, আমি আবূ আওয়ানাহ (রাঃ) হতেও এ হাদীস শুনেছি। ইয়াহিয়া ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) বললেন, আমি শু’বাহ (রহঃ) হতে এ হাদীস শুনেছি। তারপর আমি বললাম যে, আপনি এ হাদীস সম্বন্ধে আমাকে একটু সময় দিন, তিনি আমাকে সময় দিলেন এবং আমাকে হাদীসটি শুনালেন।
৫৮৮৭
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি আমার হাউজ থেকে কতক সংখ্যক ব্যক্তিকে সরিয়ে দেব, যেরূপে অচেনা উটকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
৫৮৮৮
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) পূর্বের হাদীসের হুবহু হাদীস বলেছেন।
৫৮৮৯
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমার হাউজের প্রশস্ততার পরিমাণ হলো আয়লা এবং ইয়ামানের সানআর ব্যবধানের সমান। আর সেখানে পানির পাত্রগুলো আকাশের নক্ষত্রের ন্যায় অগণিত।
৫৮৯০
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই হাউজের পাশে এমন কতিপয় লোক আসবে যারা পৃথিবীতে আমার সাহচর্য পেয়েছিল। এমনকি যখন আমি তাদের দেখতে পাব এবং তাদেরকে আমার সামনে নিয়ে আসা হবে, তখন আমার কাছে আসতে তাদের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। অতঃপর আমি বলব, হে প্রভু! এরা আমার সঙ্গী, এরা আমার সঙ্গী। তখন আমাকে বলা হবে, নিশ্চয়ই আপনি জানেন না, আপনার পর এরা কিভাবে দ্বীনের মধ্যে নব উদ্ভাবন করেছে।