৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৮৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৮৬১
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
জুনদাব (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৮৬২
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি ‘হাওয’ (কাওসার)-এর নিকট তোমাদের জন্য অগ্রগামী হব। যে সেখানে আসবে সে তা পান করবে এবং যে তা পান করবে, সে কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না। আর আমার নিকট এমন কতিপয় দল আসবে, যাদের আমি চিনতে পারব এবং তারাও আমাকে চিনতে পারবে। অতঃপর আমার ও তাদের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হবে। বর্ণনাকারী আবূ হাযিম (রহঃ) বলেন, আমি যখন তাঁদের নিকট এ হাদিস পেশ করি, তখন নু’মান ইবনু আবূ আইয়্যাশ শুনে বললেন, তুমি কি সাহল (রাঃ)-কে এমনই বলতে শুনেছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ!
৫৮৬৩
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
নু’মান (রহঃ)
আর আমি আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমি অবশ্যই তাঁকে বর্ধিত বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলবেন, এরা তো আমার উম্মত! তখন বলা হবে, আপনি তো জানেন না, তারা আপনার পরে কি আমল করেছে। তখন যারা আমার পরে (দ্বীনে) পরিবর্তন-পরিবর্ধন করেছে; আমি তাদের বলবঃ দূর হও, দূর হও।
৫৮৬৪
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হাযিম (রহঃ)-এর মাধ্যমে সাহল (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে এবং নু’মান ইবন আবু আইয়্যাশ (রহঃ)-এর মাধ্যমে আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর সানাদে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে (পূর্ববর্তী) ইয়াকুব (রহঃ)-এর হাদিসের অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৮৬৫
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার ‘হাউজ’-এর ব্যবধান এক মাসের রাস্তা, তার সকল কোণ সমান, তার পানি রূপার চেয়ে শুভ্র, তার ঘ্রাণ মিশকের চেয়ে সুগন্ধযুক্ত এবং তার পাত্রের পরিমাণ আকাশের তারকার ন্যায়। যে লোক তা থেকে পান করবে, সে তার পরে কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না।
৫৮৬৬
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আবূ মুলাইকাহ
আর আসমা বিনত আবু বকর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি হাউজের সন্নিকটে থাকব, যাতে দেখতে পারি যে, তোমাদের মাঝে কারা আমার নিকট আসল। আর আমার সম্মুখ থেকে কতক ব্যক্তিকে আটকানো হবে, তখন আমি বলব- ইয়া রব্ব! এরা তো আমার লোক এবং আমার উম্মত। তখন বলা হবে, আপনি কি জানেন না যে, আপনার পরে এরা কি করেছে? আল্লাহর শপথ! এরা আপনার পরে এদের পিছনের দিকেই প্রত্যাবর্তন করেছে।বর্ণনাকারী (নাফি) বলেন, তাই বর্ণনাকারী ইবনু আবু মুলাইকা (রহঃ) বলতেন, হে আল্লাহ! আমরা আপনার আশ্রয় চাচ্ছি, আমাদের পশ্চাতে ফিরে যাওয়া হতে এবং আমাদের দ্বীনের সম্পর্কে ফিতনায় আপতিত হওয়া থেকে।
৫৮৬৭
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর সাহাবীদের সামনে বলতে শুনেছি যে, আমি হাউজের নিকট তোমাদের মধ্য হতে যারা আমার নিকট আসবে তাদের প্রতীক্ষায় থাকব। আল্লাহর শপথ! আমার কাছ থেকে অবশ্যই কিছু ব্যক্তিকে আলাদা করে দেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে রব! (এরা তো) আমারই এবং আমার উম্মতেরই (লোক)। আল্লাহ বলবেন, আপনি অবশ্যই জানেন না, তারা আপনার পরে কি আমল করেছে। তারা তো তাদের পশ্চাতে দিকেই প্রত্যাবর্তন করেছে।
৫৮৬৮
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
আমি হাউজের (কাওসারের) ব্যাপারে লোকদেরকে আলোচনা করতে শুনতাম। কিন্তু আমি (নিজে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে এ সম্পর্কে কিছু শুনিনি। পরে যখন একদিন ঐ ব্যাপারে আলোচনা আসলো- এ সময় একটি মেয়ে আমার চুল আঁচড়ে দিচ্ছিল, তখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সম্বোধন করতে শুনলাম, হে লোক সকল …..!তখন স্ত্রীলোকটিকে আমি বললাম, তুমি আমার হতে দূরে চলে যাও। সে বলল, তিনি তো পুরুষদের ডাক দিয়েছেন এবং স্ত্রীলোকদের ডাকেননি। আমি বললাম, আমিও তো লোকদের একজন।তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি তোমাদের জন্য ‘হাউজ’-এর নিকট অগ্রগামী হব। তাই হুঁশিয়ার! আমার নিকট তোমাদের এমন কেউ যেন না আসে, যাকে আমার নিকট হতে দূরে সরিয়ে দেয়া হয়, যেমন হারানো উটকে ভাগিয়ে দেয়া হয়। আর আমি বলতে থাকব, কেন তাদের তাড়ানো হচ্ছে? তখন বলা হবে- আপনি তো জানেন না, তারা আপনার পরে কী নতুন বিষয়ের আবিষ্কার করেছে? তখন আমিও বলব, দূর হও!
৫৮৬৯
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু রাফি
উম্মু সালামা (রাঃ) বর্ণনা করতেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনলেন, “হে লোক সকল!” এ সময় উম্মু সালামা (রাঃ) চুল আঁচড়াচ্ছিলেন, তখন তিনি কেশবিন্যাসকারিণীকে বললেন, “আমার মাথা আঁচড়ানো বন্ধ রাখো।” অবশিষ্টাংশ বর্ণনাকারী কাসিম ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর সানাদে বুকাইর (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবিকল।
৫৮৭০
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য ‘হাওয’ (কাওসার) প্রমাণিত হওয়া এবং হাওযের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
উকবাহ্‌ ইবনু ‘আমির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন বাইরে এসে উহুদবাসীদের জন্য জানাজার সালাতের মতো সালাত আদায় করলেন। তারপর মিম্বারের দিকে ফিরে এসে বললেন, “আমি তোমাদের জন্য অগ্রগামী এবং তোমাদের ব্যাপারে সাক্ষী। আল্লাহর শপথ! আমি এ মুহূর্তে আমার ‘হাওয’ দেখতে পাচ্ছি। আর আমাকে অবশ্যই দুনিয়ার ধন-ভাণ্ডারসমূহের চাবিকাঠি কিংবা বলেছেন, দুনিয়ার চাবিসমূহ দেয়া হয়েছে। আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের সম্বন্ধে এ আশঙ্কা করি না যে, তোমরা আমার পরে শির্কে জড়িয়ে পড়বে। তবে, আমি তোমাদের সম্বন্ধে এ সংশয় করি যে, তোমরা দুনিয়ার প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়বে।”