৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৮৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৮৪১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)
তাবুক যুদ্ধের বছর আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে (যুদ্ধে) বের হলাম। (এ সফরে) তিনি দুই রাকাত সালাত একসাথে আদায় করতেন। অর্থাৎ, যুহর ও আসর একসাথে আদায় করতেন, আর মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। পরিশেষে একদিন (এমন) হলো যে, সালাত দেরিতে আদায় করলেন।তারপর বের হয়ে এসে যুহর ও আসর একসাথে আদায় করলেন, তারপর (তাঁবুতে) ঢুকলেন। অতঃপর আবার বেরিয়ে এলেন এবং মাগরিব ও ইশা একসাথে আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, “ইনশাআল্লাহ তোমরা আগামীকাল তাবুক জলাশয়ে পৌঁছবে, তবে চাশতের সময় না হওয়া পর্যন্ত তোমরা সেখানে পৌঁছতে পারবে না। তোমাদের মাঝে যে সেখানে (প্রথমে) পৌঁছবে সে যেন তার পানির কিছুই স্পর্শ না করে- যতক্ষণ না আমি এসে পৌঁছি।”আমরা (ঠিক সময়েই) সেখানে পৌঁছলাম। (কিন্তু) ইতোমধ্যে দুইজন আমাদের পূর্বে সেখানে পৌঁছে গিয়েছিল। আর প্রস্রবণটিতে জুতার ফিতার ন্যায় ক্ষীণ ধারায় সামান্য পানি বের হচ্ছিল। মু’আয (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঐ দুইজনকে প্রশ্ন করলেন, “তোমরা তা হতে কিছু পানি ছুঁয়েছো কি?”তারা উভয়ে বলল, “হ্যাঁ!” তখন নবী (ﷺ) তাদের দুইজনকে ভর্ৎসনা করলেন। আর আল্লাহর যা ইচ্ছা তাই তাদের বললেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লোকেরা তাদের হাত দিয়ে অঞ্জলি ভরে ভরে প্রস্রবণ হতে অল্প অল্প করে (পানি) তুলল, পরিশেষে তা একটি পাত্রে কিছু পরিমাণ জমা হলো।বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার মাঝে তাঁর দুইহাত এবং মুখ ধুলেন এবং তারপরে তা (পানি) তাতে (প্রস্রবণে) উল্টিয়ে (ঢেলে) দিলেন। ফলে পানির প্রসবণটি প্রবল পানি ধারায় কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, অধিক পরিমাণে প্রবাহিত হতে লাগল। আবু আলী (রহঃ) সন্দেহ করেছেন যে, বর্ণনাকারী এর মধ্যে কোনটি বলেছেন। এবার লোকেরা প্রয়োজন মতো পানি পান করল।পরে নবী (ﷺ) বললেন, “হে মু’আয! তুমি যদি দীর্ঘায়ু হও, তবে আশা করা যায় যে, তুমি দেখতে পাবে প্রস্রবণের এ জায়গাটি বাগানে ভরে গেছে।”
৫৮৪২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুমায়দ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে তাবূক যুদ্ধের জন্য বের হলাম। আমরা ওয়াদিল কুরা এলাকায় এক মহিলার একটি বাগানের নিকট পৌঁছলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা এর পরিমাণ ধারণা করো। আমরা এর পরিমাণ অনুমান করলাম। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দশ ওয়াসক (প্রায় পঞ্চাশ মণ) পরিমাণ ধারণা করলেন এবং (মহিলা লোকটিকে) বললেন, ইনশাআল্লাহ আমরা তোমার এখানে ফিরে আসা পর্যন্ত এ পরিমাণ ধরে রাখো।তারপরে আমরা অগ্রসর হলাম এবং তাবুকে পৌঁছে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আজ রাতে প্রচণ্ড বায়ু প্রবাহ তোমাদের উপর দিয়ে বয়ে যাবে। তাই তোমাদের কেউ যেন তার মধ্যে দাঁড়িয়ে না থাকে এবং যার উট আছে সে যেন তার দড়ি মজবুত করে বেঁধে রাখে। অতঃপর দেখা গেল, অনেক বাতাস প্রবাহিত হলো। জনৈক লোক দাঁড়ালে বাতাস তাকে তুলে নিয়ে পরিশেষে তাই নামক পাহাড়ে ফেলে দিল। আর (ঐ সময় নিকটবর্তী) আয়লাত অঞ্চলের প্রধান (শাসক) ইবনুল আলমা-এর দূত রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট একটি পত্র নিয়ে আসলো এবং তিনি তাঁকে একটি সাদা খচ্চর উপঢৌকন পাঠালেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তার নিকট চিঠি লিখে পাঠালেন এবং তাকে একটি চাদর উপঢৌকন হিসেবে প্রেরণ করলেন।এরপর আমরা এগিয়ে চলতে চলতে ওয়াদিল কুরা পৌঁছলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মহিলা লোকটিকে (বাগানের মালিক) তার বাগান সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন যে, তার ফল কি পরিমাণে পৌঁছেছে? সে বলল, দশ ওয়াসক। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি দ্রুত যাচ্ছি। তোমাদের মাঝে যার ইচ্ছা হয় সে আমার সাথে অবিলম্বে যেতে পারে। আর যার ইচ্ছা সে থেকে যেতে পারে।অতঃপর আমরা বেরিয়ে গেলাম। পরিশেষে মদীনার নিকটবর্তী এলাকায় পৌঁছলাম। সে সময় তিনি বললেন, এ (মদীনা) হলো তাবা-পবিত্র ও উত্তম জায়গা। আর এ হলো উহুদ। আর তা এমন পর্বত, যে আমাদের ভালোবাসে এবং আমরাও তাকে ভালোবাসি।এরপর বললেন, আনসারদের শ্রেষ্ঠ পরিবার বানু নাজ্জার, এরপর বানু আবদুল আশহাল, তারপর বানু হারিস ইবন খাযরাজ, অতঃপর বানু সাঈদাহ পরিবার। আর আনসারদের প্রতিটি সম্প্রদায়ই ভালো।সাদ ইবন উবাদাহ (রাঃ) আমাদের সঙ্গে এসে একত্রিত হলে (তাঁর সম্প্রদায়ের) আবূ উসাইদ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনি কি দেখেননি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনসার সম্প্রদায়গুলোর মাঝে ধারাবাহিকভাবে শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেছেন এবং আমাদের সম্প্রদায়কে তালিকার শেষে রেখেছেন।তখন সাদ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকটে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আনসার সম্প্রদায়গুলোর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেছেন এবং আমাদের শেষে রেখেছেন! তখন তিনি বললেন, শ্রেষ্ঠ তালিকাতে অন্তর্ভুক্ত হওয়াও কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট নয়?
৫৮৪৩
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ)
উল্লেখিত সূত্রে আনসারদের প্রতিটি সম্প্রদায়ের কল্যাণ আছে’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। তিনি পরবর্তী অংশ—সাদ ইবন উবাদা (রাঃ) সম্বন্ধে বর্ণনা উল্লেখ করেননি। তবে উহাইব (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদিসে বেশি উল্লেখ করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার (ইবনুল আলমা)-র জন্য তাদের জনপদগুলো লিখে দিলেন। উহাইব (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-ও তার নিকট চিঠি লিখে প্রেরণ করলেন—উক্তিটি বর্ণনা করেননি।
৫৮৪৪
আল্লাহ তা‘আলার উপরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তাওয়াক্কুল এবং তাঁকে লোকদের (অনিষ্ট) হতে আল্লাহ তা‘আলার হিফাযাত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
জাবির (রাঃ) বলেন, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে নাজদের দিকে একটি জিহাদে গেলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (পেছন হতে এসে) একটি কাঁটাবন যুক্ত উপত্যকায় আমাদের পেলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি গাছের তলায় অবতরণ করলেন এবং তাঁর তলোয়ারটি সে বৃক্ষের একটি শাখায় লটকিয়ে রাখলেন। আর লোকেরা গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেয়ার জন্য প্রান্তরে ছড়িয়ে পড়ল। পরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: জনৈক লোক আমার নিকট আসলো তখন আমি ঘুমন্ত। সে তলোয়ারটি হাতে নিল। আমি জেগে উঠলাম, আর সে আমার মাথার কাছে দণ্ডায়মান। আমি কিছু বুঝে না উঠতেই (দেখি) উন্মুক্ত তলোয়ারটি তার হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে। অতঃপর সে আমাকে বলল, কে তোমাকে আমার হাত থেকে রক্ষা করবে? তিনি বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ! সে দ্বিতীয় বার বলল, তোমাকে আমার হাত থেকে কে রক্ষা করবে? তিনি বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, সে তখন তলোয়ারটি ভিতরে ঢুকিয়ে রাখল। আর ওই যে সে বসে আছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে কিছুই বললেন না।
৫৮৪৫
আল্লাহ তা‘আলার উপরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তাওয়াক্কুল এবং তাঁকে লোকদের (অনিষ্ট) হতে আল্লাহ তা‘আলার হিফাযাত পরিচ্ছেদ নাই
সিনান ইবনু আবূ সিনান দুওয়ালী ও আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
জাবির ইবন আবদুল্লাহ আনসারি (রাঃ) ..... তিনি ছিলেন নবী (ﷺ)-এর একজন সাহাবি। তিনি নবী (ﷺ)-এর সাথে নাজদ অভিমুখে একটি মিশনে গেলেন। নবী (ﷺ) যখন ফিরে এলেন তখন তিনিও তাঁর সাথে ফিরে আসেন। এরপর দুপুরের বিশ্রামকালে সকলে উপস্থিত হলো .....। তারপর ইব্রাহিম ইবন সা‘দ ও মা‘মার (রহঃ) বর্ণিত হাদিসের হুবহু উল্লেখ করেছেন।
৫৮৪৬
আল্লাহ তা‘আলার উপরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তাওয়াক্কুল এবং তাঁকে লোকদের (অনিষ্ট) হতে আল্লাহ তা‘আলার হিফাযাত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমরা নবী (ﷺ)-এর সাথে এগিয়ে চললাম। পরিশেষে আমরা যখন যাতুর রিকাআ-এ পৌঁছলাম...। এরপর যুহরী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে আর কোন কিছু বলেননি- উক্তটি বর্ণনা করেননি।
৫৮৪৭
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে হিদায়াত ও ‘ইলম সহ প্রেরিত হয়েছেন তা দৃষ্টান্তের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বুরদাহ্ (রাঃ) ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর সনদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আল্লাহ আমাকে যে হিদায়াত ও ইলম (জ্ঞান) সহকারে প্রেরণ করেছেন; তার দৃষ্টান্ত সে বৃষ্টির মত যা কোন ভূমিতে বর্ষিত হলো, আর সে ভূমির উৎকৃষ্ট কতকাংশ পানি গ্রহণ করে এবং প্রচুর তরতাজা ঘাস-পাতা উৎপাদন করে। আর কতকাংশ হলো শক্ত মাটি, যা পানি আবদ্ধ রাখে, ফলে আল্লাহ তা দ্বারা মানুষের উপকার করেন এবং তারা তা থেকে পান করেন, (অন্যদের) পান করায় ও পশু চড়ায়। আর বৃষ্টি সে জমির আরও কিয়দংশ বর্ষিত হলো- যা শুধুই অনুর্বর, যা কোন পানি আবদ্ধ করে রাখে না আর কোন লতা-পাতাও উৎপাদিত করে না।সে উদাহরণ হলো সেসব লোকের- যারা আল্লাহর দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করে এবং আল্লাহ তাদের সেসব বস্তু দিয়ে উপকৃত করেন যা নিয়ে আল্লাহ আমাকে প্রেরণ করেছেন। ফলে সে ইলম (জ্ঞান) অর্জন করে অন্যকেও শিক্ষা দেয়। আর তৃতীয় উদাহরণ হলো ঐ লোকদের যারা তার প্রতি মাথা উঁচু করেও তাকায় না এবং আল্লাহর ঐ হিদায়াতও কবুল করে না, যা নিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি।
৫৮৪৮
উম্মাতের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্নেহ এবং তাদের জন্য ক্ষতিকর বিষয় থেকে গুরুত্ব সহকারে সতর্কীকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উদাহরণ এবং আল্লাহ যা দিয়ে আমাকে প্রেরণ করেছেন তার উদাহরণ সে ব্যক্তির উপমার মতো যে তার স্বজাতির নিকট এসে বলে, হে আমার গোত্র! আমি আমার দুই চোখে (শত্রু) সেনা দেখে এসেছি, আর আমি (সুস্পষ্ট) সতর্ককারী।সুতরাং আত্মরক্ষা করো। তখন তার গোত্রের একদল তার কথা মেনে নিল এবং রাতের অন্ধকারে সুযোগে (জায়গা ত্যাগ করে) চলে গেল। আর একদল তাকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করে ভোর পর্যন্ত স্ব-স্থান হতে চলে গেল। ফলে (শত্রু) বাহিনী সকালে তাদের হামলা করল এবং তাদের সমূলে ধ্বংস করে দিল।সুতরাং এ হলো তাদের উপমা যারা আমার আনুগত্য করল এবং আমি যা নিয়ে এসেছি তার অনুসরণ করল এবং ওদের উদাহরণ যারা আমার অবাধ্য হলো এবং যে সত্য আমি নিয়ে এসেছি তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল।
৫৮৪৯
উম্মাতের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্নেহ এবং তাদের জন্য ক্ষতিকর বিষয় থেকে গুরুত্ব সহকারে সতর্কীকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উপমা ও আমার উম্মতের উপমা সে ব্যক্তির উপমার মতো, যে অগ্নি প্রজ্জ্বলন করেছে ফলে মাকড় ও কীট-পতঙ্গ তাতে জ্বলতে লাগল। আমি তোমাদের কোমরবন্ধ ধরে (তোমাদের রক্ষার জন্যে) টানছি আর তোমরা সবাই যেন তাতে পড়তে যাচ্ছো।
৫৮৫০
উম্মাতের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্নেহ এবং তাদের জন্য ক্ষতিকর বিষয় থেকে গুরুত্ব সহকারে সতর্কীকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যিনাদ (রহঃ)
হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন।