৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৮৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৮৩১
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্বপ্ন পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ)
নবী (ﷺ) ফজরের সালাত আদায়ান্তে লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন এবং বলতেন, “তোমাদের কেউ কি গত রাতে কোন স্বপ্ন দেখেছ?”
৫৮৩২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বংশে ফযীলত এবং নুবূওয়াত প্রাপ্তির আগে (তাঁকে) পাথরের সালাম করা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ‘আম্মার শাদ্দাদ (রহঃ)
তিনি ওয়াসিলা ইবন আসকাআ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতেনঃ মহান আল্লাহ ইসমাঈল (আঃ)-এর সন্তানদের থেকে কিনানা-কে চয়ন করে নিয়েছেন, আর কিনানা (বংশ) হতে কুরাইশ-কে বাছাই করে নিয়েছেন আর কুরাইশ (বংশ) হতে বনু হাশিমকে বাছাই করে নিয়েছেন এবং বনু হাশিম হতে আমাকে বাছাই করে নিয়েছেন।
৫৮৩৩
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বংশে ফযীলত এবং নুবূওয়াত প্রাপ্তির আগে (তাঁকে) পাথরের সালাম করা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি মক্কায় একটি পাথরকে জানি, যে আমার (নবীরূপে) প্রেরিত হওয়ার আগেও আমাকে সালাম করত; আমি এখনও তাকে সন্দেহাতীতভাবে চিনতে পারি।
৫৮৩৪
আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সমুদয় সৃষ্টির উপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি কেয়ামতের দিন আদম সন্তানদের সরদার হব এবং আমিই প্রথম ব্যক্তি যার কবর খুলে যাবে এবং আমিই প্রথম সুপারিশকারী ও প্রথম সুপারিশ গৃহীত ব্যক্তি।
৫৮৩৫
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
একবার নবী (ﷺ) পানি আনতে বললেন, তখন একটি প্রশস্ত তলবিশিষ্ট অগভীর পাত্র নিয়ে আসা হলো। (তিনি তাতে হাত রেখে বরকতের দোয়া করলেন) এবং লোকেরা ওজু করতে লাগল। আমি তাদের সংখ্যা ষাট থেকে আশির মাঝে ধারণা করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমি পানির দিকে চেয়ে থাকলাম- যা তাঁর আঙুলসমূহের মাঝ থেকে ফোয়ারের মতো বেরিয়ে আসছিল।
৫৮৩৬
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে লক্ষ্য করলাম, তখন আসরের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল আর লোকেরা ওজুর পানি সন্ধান করছিল; কিন্তু তারা খুঁজে পেল না। এ সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে কিছু ওজুর পানি আনা হলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সে পানির পাত্রে তাঁর হাত রেখে দিলেন এবং লোকদের তা হতে ওজু করতে বললেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখলাম, পানি তাঁর অঙ্গুলিসমূহের নিচ থেকে উচ্ছ্বল তরঙ্গের মত বেরিয়ে আসছে। তখন লোকেরা ওজু করল, এমনকি তাদের শেষ লোক পর্যন্ত সবাই ওজু করতে সক্ষম হলো।
৫৮৩৭
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীগণ ‘যাওরা’ নামক স্থানে ছিলেন। রাবী বলেন, ‘যাওরা’ হলো মদীনার বাজার ও মসজিদের সন্নিকটে একটি স্থান। সে সময় তিনি একটি পাত্র নিয়ে আসতে বললেন, যাতে অল্প পানি ছিল। তিনি তাঁর (হাতের) মুষ্ঠি তাতে রাখলেন। তখন তাঁর অঙ্গুলিসমূহের মধ্য হতে (পানি) উতড়িয়ে বের হতে লাগল আর তাঁর সাহাবীগণ সবাই ওজু করলেন। বর্ণনাকারী কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আবূ হামজা (রাঃ)। তাঁরা কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, তাঁরা ছিলেন তিনশ জনের মতো।
৫৮৩৮
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) ‘যাওরা’য় ছিলেন। সে সময় একটি পানির পেয়ালা নিয়ে আসা হলো, যার পানিতে তাঁর অঙ্গুলিসমূহ ডুবছিল না অথবা ঐ পরিমাণ, যা তাঁর অঙ্গুলিসমূহ ডুবাতে পারে। তারপর (পূর্বোল্লিখিত হাদীসের) বর্ণনাকারী হিশাম (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন।
৫৮৩৯
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
উম্মু মালিক (রাঃ) তাঁর একটি চামড়ার পেয়ালায় নবী (ﷺ)-এর জন্য ঘি উপঢৌকন পাঠাতেন। (কোনো কোনো সময়) তাঁর ছেলেরা তাঁর নিকট এসে (রুটি মাখাবার জন্য) তরকারি চাইত। কিন্তু তখন তাদের নিকট কিছু থাকত না। তাই তিনি (উম্মু মালিক) সে পেয়ালাটির নিকট যেতেন যাতে তিনি নবী (ﷺ)-এর জন্য উপঢৌকন প্রেরণ করতেন। তখন তিনি তাতে কিছু ঘি পেয়ে যেতেন। তারপর তা তাঁর ঘরের (রুটি মাখাবার) তরকারির কাজ দিতে থাকল—যে পর্যন্ত না সেটি (আঙুল দিয়ে মুছে) নিংড়ে ফেললেন। তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট আসলে তিনি বললেনঃ তুমি সেটি নিংড়ে ফেলেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ! তিনি (ﷺ) বললেন, তুমি সেটিকে (না মুছে) যথাবস্থায় রেখে দিলে তা কিছু মওজুদ থেকেই যেত।
৫৮৪০
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) জাবির (রাঃ)
জনৈক লোক খাবার চাইতে নবী (ﷺ)-এর নিকট আসলেন। তিনি তাকে অর্ধ ওয়াসক যব খাবার জন্য দিলেন। লোকটি তা থেকে আহার করতে থাকল, তার স্ত্রী এবং তাদের মেহমানরাও। পরিশেষে সে একদিন তা মেপে দেখল। ফলে তা ফুরিয়ে গেল। তারপরে সে নবী (ﷺ)-এর নিকট অভিযোগ নিয়ে আসল। তিনি বললেন, যদি তুমি তা মেপে না দেখতে, তাহলে তোমরা তা থেকে আহার করতে থাকতে এবং তা তোমাদের জন্য দীর্ঘ সময় বিদ্যমান থাকত।