৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৮১
ঋতুবতী মহিলাদের জন্যে তার স্বামীর মাথা ধুয়ে দেয়া, তার চুল আঁচড়িয়ে দেয়া জায়িয; তার উচ্ছিষ্ট পবিত্র; তার কোলে মাথা রেখে হেলান দেয়া ও সেখানে কুরআন পাঠ করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
ইয়াহুদীরা তাদের মহিলাদের হায়িয হলে তার সাথে এক সঙ্গে খাবার খেত না এবং এক ঘরে বাস করত না। সাহাবায়ে কিরাম এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত নাযিল করলেন, “তারা তোমার কাছে হায়িয সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দাও যে, তা হলো নাপাক। সুতরাং হায়েয অবস্থায় তোমরা মহিলাদের থেকে পৃথক থাক....”(সূরা আল-বাকারা ২ : ২২২)।এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তোমরা (সে সময় তাদের সাথে) শুধু সহবাস ছাড়া অন্যান্য সব কাজ কর। এ খবর ইয়াহুদীদের কাছে পৌঁছলে তারা বলল, এ লোকটি সব কাজেই কেবল আমাদের বিরোধিতা করতে চায়। অতঃপর উসাইদ ইবন হুদাইর (রাঃ) ও আব্বাদ ইবন বিশর (রাঃ) এসে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! ইয়াহুদীরা এমন এমন বলছে। আমরা কি তাদের সাথে (হায়েয অবস্থায়) সহবাস করব না?রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর চেহারা মুবারক বিবর্ণ হয়ে গেল। এতে আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি তাদের ওপর ভীষণ রাগান্বিত হয়েছেন। তারা (উভয়ে) বেরিয়ে গেল। ইতোমধ্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে দুধ হাদিয়া এলো। তিনি তাদেরকে ডেকে আনার জন্যে লোক পাঠালেন। (তারা এলে) তিনি তাদেরকে দুধ পান করালেন। তখন তারা বুঝল যে, তিনি তাদের ওপর রাগ করেননি।
৫৮২
মাযীর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আলী (রাঃ)
তিনি বললেন, আমার বেশি বেশি মযী বের হত। আমি এ সম্পর্কে নবী (ﷺ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করতাম। কারণ তাঁর কন্যা ছিল আমার স্ত্রী। তাই আমি মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদকে (এ সম্পর্কে জানতে) বললাম, তিনি নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি বললেন, এ তার পুরুষাঙ্গ ধুয়ে ফেলবে এবং ওজু করে নেবে।
৫৮৩
মাযীর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আলী (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ) এর কাছে মযী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছিলাম ফাতিমা (রাঃ) এর কারণে। তাই আমি মিকদাদ (রাঃ) কে বললাম, তখন তিনি তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ তাতে (মযী বের হলে) শুধু ওজু করতে হয়।
৫৮৪
মাযীর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) বলেন, আমি একবার মিকদাদ ইবনু আসওয়াদকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে পাঠালাম। তিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলেন যে, কোন লোকের মযী বের হলে সে তখন কি করবে? তিনি বললেনঃ “ওজু করবে এবং তোমার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে।”
৫৮৫
ঘুম থেকে জেগে মুখ এবং দু’হাত ধুয়ে নিবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
একদা নবী (ﷺ) রাতে ঘুম থেকে জেগে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারলেন (প্রস্রাব-পায়খানা), তারপর তাঁর মুখমণ্ডল এবং উভয় হাত ধুয়েছেন। এরপর ঘুমিয়ে গেলেন।
৫৮৬
নাপাক অবস্থায় ঘুমানো জায়িয; তবে খাদ্যগ্রহণ, শয়নকালে অথবা স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করতে চাইলে তার জন্যে ওযূ করা এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাপাকী অবস্থায় যখন ঘুমাতে ইচ্ছা করতেন তখন ঘুমাবার আগে সালাতের জন্য যেমন ওজু করতে হয় তেমন ওজু করতেন।
৫৮৭
নাপাক অবস্থায় ঘুমানো জায়িয; তবে খাদ্যগ্রহণ, শয়নকালে অথবা স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করতে চাইলে তার জন্যে ওযূ করা এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন নাপাক থাকতেন তখন কিছু খেতে অথবা ঘুমানোর ইচ্ছা করলে ওজু করে নিতেন; যেমন সালাতের ওজু করতেন।
৫৮৮
নাপাক অবস্থায় ঘুমানো জায়িয; তবে খাদ্যগ্রহণ, শয়নকালে অথবা স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করতে চাইলে তার জন্যে ওযূ করা এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও ‘উবাইদুল্লাহ্ ইবনু মু‘আয (রহঃ)
উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।ইবনু আল মুসান্না তাঁর হাদীসে বলেছেন: আমাকে হাকাম বর্ণনা করে বলেন যে, আমি ইবরাহিমকে এ হাদীস বলতে শুনেছি।
৫৮৯
নাপাক অবস্থায় ঘুমানো জায়িয; তবে খাদ্যগ্রহণ, শয়নকালে অথবা স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করতে চাইলে তার জন্যে ওযূ করা এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
একদিন উমর (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ (ﷺ)! আমাদের কেউ নাপাক অবস্থায় কি ঘুমাতে পারবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, যখন সে ওজু করে নিবে।
৫৯০
নাপাক অবস্থায় ঘুমানো জায়িয; তবে খাদ্যগ্রহণ, শয়নকালে অথবা স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করতে চাইলে তার জন্যে ওযূ করা এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
উমর (রাঃ) একবার নবী (ﷺ) এর কাছে ফাতওয়া জিজ্ঞেস করলেন যে, আমাদের কেউ কি নাপাক অবস্থায় ঘুমাতে পারবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, সে যেন ওজু করে তারপর ঘুমায়; এরপর যখন ইচ্ছা গোসল করে নেয়।