৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৬৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৬৫১
প্রতিটি রোগের প্রতিকার রয়েছে এবং চিকিৎসা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
আবু কুরায়ব (রহঃ) হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে ইবনু নুমায়ের (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আছে- ‘তার (রোগিনী) ও তার জামার ফাঁকা জায়গার মধ্যে পানি প্রবাহিত করে দিতেন’। আর উসামা (রহঃ)-এর হাদিসে ‘তা জাহান্নামের সঞ্চিত তাপ’ কথাটি তিনি বর্ণনা করেননি।
৫৬৫২
প্রতিটি রোগের প্রতিকার রয়েছে এবং চিকিৎসা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
‘আবায়াহ্‌ ইবনু রিফা‘আহ্‌ (রহঃ)
হান্নাদ ইবনু সারী (রহঃ) ...... আবায়া ইবন রিফাআ (রহঃ)-এর সানাদে তাঁর দাদা রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমি বলতে শুনেছি যে, জ্বর জাহান্নামের তীব্র উত্তাপের অংশ বিশেষ, তাই তোমরা তাকে পানি দ্বারা শীতল করো।
৫৬৫৩
প্রতিটি রোগের প্রতিকার রয়েছে এবং চিকিৎসা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ)
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ...... মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ও আবু বাকর ইবনু নাফি (রহঃ) ...... রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) রিওয়ায়াত করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ হতে (উদ্ভূত)। তাই তোমাদের পক্ষ হতে তাকে পানি দিয়ে শীতল করো। তবে বর্ণনাকারী আবু বাকর (রহঃ) ‘তোমাদের পক্ষ হতে’ অংশটুকু বর্ণনা করেননি।
৫৬৫৪
মুখের কিনারা দিয়ে ঔষধ খাওয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অসুস্থতার সময় তাঁর মুখের কিনারায় ওষুধ ঢেলে দিলাম; তখন তিনি ইঙ্গিত করলেন যে, আমার মুখে ওষুধ দিও না। আমরা বললাম, এটা ওষুধের প্রতি রোগীর অনীহার কারণ। অতঃপর যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন বললেন, তোমাদের সবার মুখের কিনারায় ওষুধ ঢেলে দেয়া হবে- তবে আব্বাস ছাড়া; কেননা তিনি তোমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন না।
৫৬৫৫
ভারতীয় চন্দন দ্বারা চিকিৎসা করা- সেটাই কুস্‌ত পরিচ্ছেদ নাই
উক্কাশাহ্‌ ইবনু মিহ্‌সান-এর ভগ্নি উম্মু কায়স বিনতু মিহ্‌সান (রাঃ)
আমি আমার এক ছেলেকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট গেলাম, সে তখনও (সাধারণ) খাবার গ্রহণের বয়সে পৌঁছেনি। বাচ্চাটি তাঁর শরীরে প্রস্রাব করে দিল। তিনি পানি আনালেন এবং তা ছিটিয়ে দিলেন।
৫৬৫৬
ভারতীয় চন্দন দ্বারা চিকিৎসা করা- সেটাই কুস্‌ত পরিচ্ছেদ নাই
উক্কাশাহ্‌ ইবনু মিহ্‌সান-এর ভগ্নি উম্মু কায়স বিনতু মিহ্‌সান (রাঃ)
আর একবার আমি আমার (এক) ছেলেকে নিয়ে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম- যার গলদেশে ব্যথার কারণে আমি তার (নাসারন্ধ্রে পাকানো নেকড়া দ্বারা) যন্ত্রণা সারানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তিনি বললেন, নেকড়ার এ প্রক্রিয়ায় তোমাদের ছেলে মেয়ের গলার ব্যথার চিকিৎসা করো কেন? তোমরা (বরং) হিন্দুস্তানি চন্দন ব্যবহার করবে। কারণ এতে সাতটি (রোগের) নিরাময় আছে। তন্মধ্যে একটিذَاتُ الْجَنْبِ গলা ব্যথায় নাকে হিন্দি চন্দনের নির্যাস দেয়া হবে, আরذَاتِ الْجَنْبِ চোয়ালের এক পার্শ্ব দিয়ে ঢেলে দেয়া হবে।
৫৬৫৭
ভারতীয় চন্দন দ্বারা চিকিৎসা করা- সেটাই কুস্‌ত পরিচ্ছেদ নাই
উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ্‌ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)
উম্মু কায়স বিনত মিহসান (রাঃ) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাতে বাইআত গ্রহণকারিণী প্রথম পর্যায়ের মুহাজির নারীগণের অন্যতমা। আর তিনি হলেন বনু আসাদ ইবন খুযাইমার একজন সদস্য উক্কাশা ইবন মিহসান (রাঃ)-এর ভগিনী। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (উম্মু কায়স) আমাকে সংবাদ জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর একটি ছেলেকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আসলেন, যে তখনও (সাধারণ) খাদ্য খাওয়ার উপযোগী হয়নি। আর তখন তিনি পাকানো নেকড়া নাসারন্দ্রে ঢুকিয়ে ঐ ছেলেটির গলা ব্যথা সারানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। বর্ণনাকারী ইউনুস (রহঃ) বলেন, أَعْلَقَتْ অর্থغَمَزَتْ অর্থাৎ ঘাড়ের আশেপাশে ব্যথা বা রক্ত জমার আশঙ্কায় নাসিকারন্ধ্রে নেকড়া ঢুকিয়ে নিরাময়ের বন্দোবস্ত করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা পাকানো নেকড়া ঢুকিয়ে তোমাদের বাচ্চাদের নিরাময়ের বন্দোবস্ত করো কেন? তোমরা (বরং) এই ভারতীয় চন্দন ব্যবহার করবে, কেননা তাতে নিশ্চয়ই সাতটি (রোগের) ওষুধ আছে। তার মধ্যে ذَاتُ الْجَنْبِ একটি।
৫৬৫৮
ভারতীয় চন্দন দ্বারা চিকিৎসা করা- সেটাই কুস্‌ত পরিচ্ছেদ নাই
উবাইদুল্লাহ
তিনি আমাকে আরও জানিয়েছেন যে, তাঁর ঐ ছেলেটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কোলে প্রস্রাব করে দিল। সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সামান্য পানি নিয়ে আসতে বললেন এবং তার প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন, কিন্তু একেবারে পুরোপুরি ধুলেন না।
৫৬৫৯
কালো জিরা দিয়ে চিকিৎসাকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
তিনি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, কালো জিরায় সকল প্রকার রোগের উপশম আছে—তবে ‘আস্সাম’ ব্যতীত। আর ‘আস্সাম’ হলো মৃত্যু। ‘আল হাব্বাতুস সাওদা’ হলো (স্থানীয় ভাষায়) ‘শূনীজ’ (অর্থাৎ- কালো জিরা)।
৫৬৬০
কালো জিরা দিয়ে চিকিৎসাকরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
আবূ তাহির (রহঃ) ...... আবু হুরায়রাহ (রাঃ)-এর সানাদে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে (পূর্বোক্ত) উকাইল (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে (দ্বিতীয় সানাদে) সুফিয়ান (রহঃ) ও (প্রথম সূত্রে) ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসে ‘আল হাব্বাতুস সাওদা’ রয়েছে। (তার বিশ্লেষণে) তিনি ‘শূনিয’ শব্দটি বলেননি।