৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৫৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৫৭১
কোন লোককে নারীদের সঙ্গে একাকী দেখা পেলে এবং সে মহিলা তার স্ত্রী বা তার মাহরাম হলে কু-ধারণা কে দমনের জন্য এ স্ত্রীলোক অমুক বলে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীগণের কোনো একজনের সাথে ছিলেন, সে সময় তাঁর নিকট দিয়ে এক লোক যাচ্ছিল। তিনি তাকে ডাকলেন। সে (কাছে) আসলে তিনি বললেন, “ওহে! এটা আমার অমুক স্ত্রী।” সে বলল, “হে আল্লাহর রাসূল! অপর কারো সম্বন্ধে আমি মন্দ ধারণা করলেও হয়ত করতাম, কিন্তু আপনার সম্বন্ধে তো মন্দ ধারণা করতাম না।” সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ শয়তান মানুষের রক্ত সঞ্চারণের শিরায় শিরায় চলাফেরা করে থাকে।
৫৫৭২
কোন লোককে নারীদের সঙ্গে একাকী দেখা পেলে এবং সে মহিলা তার স্ত্রী বা তার মাহরাম হলে কু-ধারণা কে দমনের জন্য এ স্ত্রীলোক অমুক বলে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সাফিয়্যাহ্‌ বিনতু হুয়াই (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইতিকাফরত ছিলেন। আমি রাত্রিতে তাঁর সাথে দেখা করতে এলাম। (কিছু সময়) তাঁর সাথে কথা বললাম, এরপর ফিরে যাওয়ার জন্যে উঠলাম। তিনিও আমাকে বিদায় দেয়ার জন্যে আমার সঙ্গে উঠলেন।(বর্ণনাকারী বলেন), সে সময় তার [সাফিয়া (রাঃ)] বাসস্থান ছিল উসামা ইবনে যায়দ (রাঃ)-এর ঘরে। তখন (সেখান দিয়ে) আনসারীদের দুই জন লোক গমন করছিলেন। তারা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে (এক মহিলার সঙ্গে) দেখতে পেয়ে জলদি যেতে লাগল।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন বললেনঃ তোমরা দুই জন আস্তে আস্তে যাও। এ কিন্তু সাফিয়া বিনতে হুয়াই (আমার স্ত্রী)। তারা দুই জন বলল, সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)!তিনি বললেন, শয়তান মানুষের শিরায় শিরায় চলাফেরা করে। আর আমি আশঙ্কা করলাম যে, শয়তান তোমাদের দুই জনের মনে কোন মন্দ ধারণা ঢেলে দিবে অথবা (বর্ণনা সন্দেহ) এ বিষয়ে কোন কিছু তৈরি করতে পারে।
৫৫৭৩
কোন লোককে নারীদের সঙ্গে একাকী দেখা পেলে এবং সে মহিলা তার স্ত্রী বা তার মাহরাম হলে কু-ধারণা কে দমনের জন্য এ স্ত্রীলোক অমুক বলে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আলী ইবনু হুসায়ন (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর স্ত্রী সাফিয়্যাহ্‌ (রাঃ) তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রমাদানের শেষ দশকে মাসজিদে (নাবাবীতে) রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর ই’তিকাফের সময় তিনি তাঁর সাথে দেখা করতে গেলেন। তিনি তাঁর সাথে কিছু সময় আলোচনা করলেন, তারপর প্রত্যাবর্তনের জন্যে উঠে দাঁড়ালেন। নবী (ﷺ)-ও তাঁকে বিদায় দিতে উঠে দাঁড়ালেন। অতঃপর (পূর্ববর্তী হাদীসের রাবী) মা’মার (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি বলেছেন, নবী (ﷺ) বললেন, শাইতান মানুষের রক্ত সঞ্চারণের শিরায় শিরায় পৌঁছে। “প্রবাহিত হয়” বলেননি। বরং তিনি এ বর্ণনায়يَبْلُغُ مَبْلَغَ الدَّمِ বলেছেন, তিনিيَجْرِي বলেননি।
৫৫৭৪
কোন মজলিসে উপস্থিত হয়ে ফাঁকা স্থান পেলে সেখানে বসে পড়া; নচেৎ সবার পিছনে বসা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ওয়াকিদ লায়সী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে আমাদের মধ্যে বসা ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে সাহাবীদের এক দলও ছিল। এ সময় তিনজনের একটি জামা’আত সামনে আসলো। এদের দুইজন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দিকে অগ্রসর হলো, আর একজন চলে গেল।বর্ণনাকারী বলেন, তারা দুইজন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখে থেমে গেল। তারপর তাদের একজন সমাবেশের মধ্যে একটু খোলা জায়গা দেখতে পেয়ে সেখানে বসে গেল, দ্বিতীয়জন তাদের (মজলিসের) পিছনে বসল আর তৃতীয় লোক পেছনে ফিরে চলে গেল।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (মজলিস) সমাপ্ত করে বললেন, “শুন! তিনজনের ক্ষুদে দলটি সম্বন্ধে কি আমি তোমাদের সংবাদ দিব না? তাদের একজন তো আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিল, আল্লাহ তা’আলা তাকে আশ্রয় দিলেন। আর একজন লজ্জা সংকোচ করল, আল্লাহ তার লজ্জা-(এর মর্যাদা) রক্ষা করলেন। আর তৃতীয়জন মুখ ফিরিয়ে নিলো, আল্লাহ তা’আলাও তার হতে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিলেন।
৫৫৭৫
কোন মজলিসে উপস্থিত হয়ে ফাঁকা স্থান পেলে সেখানে বসে পড়া; নচেৎ সবার পিছনে বসা পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ)
ইসহাক ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবু তালহা (রহঃ) এ সূত্রে তার নিকট হুবহু অর্থের হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৫৭৬
আগে এসে বসা বৈধ অবস্থান থেকে কোন মানুষকে উঠিয়ে দেয়া হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু উমার (রাঃ)
ইবন উমর (রাঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন কখনো কোন লোককে তার বসার জায়গা হতে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে না বসে।
৫৫৭৭
আগে এসে বসা বৈধ অবস্থান থেকে কোন মানুষকে উঠিয়ে দেয়া হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু উমার (রাঃ)
ইবন উমর (রাঃ) -এর সানাদে নবী (ﷺ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কোন লোক কোন লোককে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেথায় বসবে না; বরং তোমরা (বলবে) প্রশস্ত করে দাও, জায়গা বিস্তার করে দাও।
৫৫৭৮
আগে এসে বসা বৈধ অবস্থান থেকে কোন মানুষকে উঠিয়ে দেয়া হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু 'উমার (রাঃ)
ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সনদে নবী (ﷺ) হতে (উপরোক্ত হাদীসের বর্ণনাকারী) লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এদের বর্ণিত হাদীসে "বরং তোমরা বিস্তৃত করে দাও, প্রশস্ত করে দাও" (কথাটি) বর্ণনা করেননি। আর (তৃতীয় সানাদের) বর্ণনাকারী ইবনু জুরায়জ বর্ধিত রিওয়ায়াত করেছেন যে, আমি নাফি'কে প্রশ্ন করলাম- (এ বিধান) জুম্মার দিনের জন্য? তিনি বললেন, জুম্মা ও অন্যান্য (সকল) দিবসের জন্যে।
৫৫৭৯
আগে এসে বসা বৈধ অবস্থান থেকে কোন মানুষকে উঠিয়ে দেয়া হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু 'উমার (রাঃ)
ইবন উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যেন তার ভাইকে তার বসার জায়গা হতে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে না বসে। আর ইবন উমর (রাঃ)-এর আচরণ ছিল যে, কোন লোক তাঁর জন্যে নিজের বসার স্থান থেকে উঠে গেলে তিনি সেথায় বসতেন না।
৫৫৮০
আগে এসে বসা বৈধ অবস্থান থেকে কোন মানুষকে উঠিয়ে দেয়া হারাম পরিচ্ছেদ নাই
মা'মার (রহঃ)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ), আবদুর রায্জাক ও মা‘মার (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।