৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৫২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৫১১
সন্তান জন্ম নিলে নবজাতককে খুরমা (ইত্যাদি) চিবিয়ে তাঁর মুখে দেয়া এবং এ উদ্দেশে তাকে কোন নেককার ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব; জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয; ‘আব্দুল্লাহ এবং ইবরাহীম ও অন্যান্য নবীগণের নামে নামকরণ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)
তিনি আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ)-কে গর্ভে ধারণ করে হিজরত করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরবারে পৌঁছলেন। অতঃপর উসামা (রাঃ)-এর হাদিসের অবিকল উল্লেখ করেন।
৫৫১২
সন্তান জন্ম নিলে নবজাতককে খুরমা (ইত্যাদি) চিবিয়ে তাঁর মুখে দেয়া এবং এ উদ্দেশে তাকে কোন নেককার ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব; জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয; ‘আব্দুল্লাহ এবং ইবরাহীম ও অন্যান্য নবীগণের নামে নামকরণ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দরবারে (নবজাতক) সন্তানদের নিয়ে আসা হত। তাদের জন্য তিনি বরকতের দোয়া করতেন এবং খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখে দিতেন।
৫৫১৩
সন্তান জন্ম নিলে নবজাতককে খুরমা (ইত্যাদি) চিবিয়ে তাঁর মুখে দেয়া এবং এ উদ্দেশে তাকে কোন নেককার ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব; জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয; ‘আব্দুল্লাহ এবং ইবরাহীম ও অন্যান্য নবীগণের নামে নামকরণ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইরকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরবারে (নবজাতক) নিয়ে আসলাম তাকে তাহনীক করার জন্য। অতঃপর আমরা একটি খেজুর চাইলাম। তবে তা সংগ্রহ করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ল।
৫৫১৪
সন্তান জন্ম নিলে নবজাতককে খুরমা (ইত্যাদি) চিবিয়ে তাঁর মুখে দেয়া এবং এ উদ্দেশে তাকে কোন নেককার ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব; জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয; ‘আব্দুল্লাহ এবং ইবরাহীম ও অন্যান্য নবীগণের নামে নামকরণ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ)
মুনজির ইবনে আবু উসাইদ (রাঃ)-কে তাঁর জন্মের সময় রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আনা হলো। নবী (ﷺ) তাঁর রানের উপরে তাকে রাখলেন। আবু উসাইদ (রাঃ) (পাশে) উপবিষ্ট। নবী (ﷺ) তাঁর সামনে কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিলেন। আবু উসাইদ (রাঃ) তার সন্তানের ব্যাপারে (কাউকে) আদেশ করলেন।তাকে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর রানের উপর থেকে উঠিয়ে নিয়ে তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিলো। তারপর রসূলুল্লাহ (ﷺ) সজাগ হলেন এবং বললেন, বাচ্চাটি কোথায়? আবু উসাইদ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন করলেন, তার নাম কী? তারা বলল ‘অমুক’—হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, না; বরং তাঁর নাম মুনজির। এভাবে তিনি সেদিন থেকে তাঁর নাম ‘মুনজির’ রেখে দিলেন।
৫৫১৫
সন্তান জন্ম নিলে নবজাতককে খুরমা (ইত্যাদি) চিবিয়ে তাঁর মুখে দেয়া এবং এ উদ্দেশে তাকে কোন নেককার ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব; জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয; ‘আব্দুল্লাহ এবং ইবরাহীম ও অন্যান্য নবীগণের নামে নামকরণ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মানুষের মাঝে চরিত্রগুণে সর্বোত্তম ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল, যাকে আবু উমাইর বলে সম্বোধন করা হতো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অনুমান করি তিনি বলেছিলেন যে, সে দুধ ছাড়ানো বয়সের ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখনই (আমাদের ঘরে) আসতেন, তখন তাকে দেখে বলতেন, হে আবু উমাইর! কি করেছো নুগাইর (চড়ুইছানা)? এ কথা বলে তিনি তাঁর সঙ্গে খেলা করতেন।
৫৫১৬
নিজের ছেলে ছাড়া অন্যকে ‘হে বৎস! বলা জায়িজ এবং আদর প্রকাশের উদ্দেশ্যে তা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, হে বৎস!
৫৫১৭
নিজের ছেলে ছাড়া অন্যকে ‘হে বৎস! বলা জায়িজ এবং আদর প্রকাশের উদ্দেশ্যে তা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আল-মুগীরাহ্‌ ইবনু শু‘বাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট দাজ্জাল সম্বন্ধে আমার চেয়ে বেশি কেউ প্রশ্ন করেননি যত প্রশ্ন আমি করেছি। তিনি আমাকে বলেন, হে বৎস! তার কোন বিষয় তোমাকে অস্থির করেছে? সে কিছুতেই তোমার অনিষ্ট করতে পারবে না।মুগীরা বলেন, আমি বললাম, তারা তো ধারণা করে যে, তার সাথে পানির নহরসমূহ এবং রুটির পাহাড়সমূহ থাকবে। তিনি বললেন, তা আল্লাহর নিকট তার থেকেও সহজ।
৫৫১৮
নিজের ছেলে ছাড়া অন্যকে ‘হে বৎস! বলা জায়িজ এবং আদর প্রকাশের উদ্দেশ্যে তা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইসমাঈ’ল (রহঃ)
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও ইবনু নুমাইর, সুরাইজ ইবনু ইউনুস, ইসহাক ইবনু ইবরাহিম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... ইসমাঈল (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তাঁদের মাঝে ইয়াজিদ (রহঃ) বর্ণিত হাদিস ছাড়া কারো হাদিসে মুগীরা (রাঃ)-এর প্রতি নবী (ﷺ)-এর উক্তিটি “হে বৎস” শব্দের উল্লেখ নেই।
৫৫১৯
অনুমতি গ্রহন প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
বুস্‌র ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ)
আমি আবু সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমরা মদিনার আনসারদের একটি বৈঠকে উপবিষ্ট ছিলাম। সে সময় আবু মূসা (রাঃ) অস্থির হয়ে, অথবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে আমাদের নিকট এলেন। আমরা বললাম, আপনার সমস্যা কি? তিনি বললেন, উমর (রাঃ) আমার নিকট লোক প্রেরণ করলেন, যেন আমি তাঁর নিকট যাই। আমি তাঁর চৌকাঠে তিনবার সালাম করলাম। তিনি আমাকে উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে আসলাম। পরে আমাকে (ডেকে নিয়ে) তিনি বললেন, আমাদের নিকট আসতে কোন বিষয় তোমাকে নিষেধ করলো?অতঃপর আমি বললাম, আমি আপনার নিকট এসেছিলাম এবং আপনার চৌকাঠে (দাঁড়িয়ে) তিনবার সালাম করেছিলাম। তবে তারা (গৃহের কেউ) আমাকে সালামের উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে গেলাম। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যদি কেউ তিনবার অনুমতি চায়, আর তাকে অনুমতি দেয়া না হয়, তাহলে সে যেন ফিরে আসে। সে সময় উমর (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে প্রমাণ দাও। নতুবা তোমাকে প্রহার করব।সে সময় উবাই ইবনু কাব (রাঃ) বললেন, তার সাথে গোত্রের সবচেয়ে অল্প বয়সের সন্তানই যাবে। আবু সা‘ঈদ (রাঃ) বললেন, আমি বললাম, আমি গোত্রের কনিষ্ঠতম। তিনি বললেন, তবে একে নিয়ে যাও।
৫৫২০
অনুমতি গ্রহন প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্‌ (রহঃ)
কুতাইবাহ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ... ইয়াজিদ ইবনু খুসাইফা (রহঃ) হতে উপরোল্লেখিত সূত্রে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং আবু উমর (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদিসে বাড়তি বলেছেন যে, আবু সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় আমি তার সাথে উঠে দাঁড়ালাম এবং উমর (রাঃ) এর নিকট গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলাম।