৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৫০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৪৯১
‘আবুল কাসিম’ উপনাম নিষিদ্ধ এবং পছন্দনীয় নামসমুহের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আল মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ)
আমি যে সময় নাজরান গমন করলাম, তখন সেখানকার ব্যক্তিরা আমাকে জিজ্ঞেস করল, আপনারা পড়েন يَا أُخْتَ هَارُونَ (হে হারূনের বোন) অথচ মূসা (আঃ) ছিলেন ঈসা (আঃ) এর এত দিন আগে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আমি যখন ফিরে আসলাম তখন এ বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তারা (ইয়াহুদি-খ্রিষ্টানরা) তাদের পূর্ববর্তী নবী সালিহগণের নামে (বাচ্চাদের) নাম রাখতো।
৫৪৯২
মন্দ নাম এবং নাফি’ ইত্যাদি শব্দে নাম রাখা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদাব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের গোলামদের চারটি নাম দ্বারা নামকরণ করতে বারণ করেছেন: আফলাহ, রাবাহ, ইয়াসার ও নাফি।
৫৪৯৩
মন্দ নাম এবং নাফি’ ইত্যাদি শব্দে নাম রাখা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদাব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমার ক্রীতদাসের নাম রাবাহ, ইয়াসার, আফলাহ ও নাফি রেখো না।
৫৪৯৪
মন্দ নাম এবং নাফি’ ইত্যাদি শব্দে নাম রাখা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদাব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহর নিকট বেশি পছন্দনীয় কালাম চারটি।• সুবহানাল্লাহ (আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি)।• আলহামদুলিল্লাহ (যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর)।• লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (এক আল্লাহ ছাড়া আর উপাস্য নেই)।• আল্লাহু আকবার (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ)।এগুলোর যে কোন শব্দ দ্বারা তুমি আরম্ভ কর, এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই এবং কখনো তোমার ক্রীতদাসের নাম ইয়াসার, রাবাহ, নাজীহ ও আফলাহ রাখবে না। কেননা, তুমি হয়তো বা ডাকবে ‘ওখানে সে আছে কি?’ আর সে (তখন) সেখানে নাও থাকতে পারে। তখন কেউ বলবে- ‘না’ এখানে নেই। (এ জবাবে কু-ধারণা তৈরি হতে পারে)।(বর্ণনাকারী বলেন), নবী (ﷺ) কেবল এ চারটি নাম বলেছেন। অতঃপর কেউ যেন আমার চাইতে অধিক সংযোজন না করে।
৫৪৯৫
মন্দ নাম এবং নাফি’ ইত্যাদি শব্দে নাম রাখা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
যুহায়র (রহঃ)
ইসহাক ইবন ইবরাহিম, উমাইয়া ইবন বিসতাম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবন বাশার (রহঃ) মানসুর (রহঃ) হতে যুহাইর (রহঃ)-এর সানাদানুসারে হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর (রহঃ) ও রওহ (রহঃ) কর্তৃক উল্লিখিত হাদিস যুহাইর (রহঃ) বর্ণিত সম্পূর্ণ ঘটনার বর্ণনা সম্বলিত হাদিসের অবিকল। তবে শু’আবা (রহঃ)-এর হাদিসে শুধু সন্তানের নাম রাখার বর্ণনা আছে। তিনি (চার) এর কথাটি বর্ণনা করেননি।
৫৪৯৬
মন্দ নাম এবং নাফি’ ইত্যাদি শব্দে নাম রাখা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইয়া’লা, বারাকাহ, আফলাহ, ইয়াসার ও নাফি ইত্যাদি এ রকম নাম রাখা বারণ করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। অতঃপর তাঁকে আমি লক্ষ্য করলাম যে, এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চুপ রইলেন, কিছু বললেন না। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে উঠিয়ে নেয়া হলো এবং তিনি তা (শক্তভাবে) বারণ করেননি। পরে উমর (রাঃ) তা বারণ করার ইচ্ছা পোষণ করলেন, তারপর তিনিও তা পরিত্যাগ করেন।
৫৪৯৭
উত্তম নামে মন্দ নামের পরিবর্তন এবং ‘বার্‌রাহ’ নামকে যাইনাব, জুওয়াইরিয়াহ্‌ ও অনুরূপ নামে পরিবর্তন করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আসিয়া عَاصِيَةَ এর নাম পরিবর্তন করে দিলেন এবং বললেন, “তুমি جَمِيلَةُ।” বর্ণনাকারী আহমাদ (রহঃ) এর সানাদে أَخْبَرَنِي এর স্থানে عَنْ দিয়ে উল্লেখ করেছেন।
৫৪৯৮
উত্তম নামে মন্দ নামের পরিবর্তন এবং ‘বার্‌রাহ’ নামকে যাইনাব, জুওয়াইরিয়াহ্‌ ও অনুরূপ নামে পরিবর্তন করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
উমর (রাঃ)-এর এক মেয়েকে (আসিয়া) নামে ডাকা হত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর নাম রাখলেন, ‘জামিলা’।
৫৪৯৯
উত্তম নামে মন্দ নামের পরিবর্তন এবং ‘বার্‌রাহ’ নামকে যাইনাব, জুওয়াইরিয়াহ্‌ ও অনুরূপ নামে পরিবর্তন করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
(উম্মুল মুমিনীন) জুওয়াইরিয়া (রাঃ)-এর আসল নাম ছিল বাররা (পুণ্যবতী)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর নাম পরিবর্তন করে রাখলেন জুওয়াইরিয়া (স্নেহময়ী কিশোরী)। কেননা বাররা (পুণ্যবতী)-এর নিকট হতে বের হয়ে এসেছেন- এমন বাক্য তিনি পছন্দ করতেন না। ইবনু আবু উমর (রাঃ)-এর হাদীসে কুরায়ব (রহঃ) সূত্রে عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ এর স্থানে سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ বর্ণিত হয়েছে।
৫৫০০
উত্তম নামে মন্দ নামের পরিবর্তন এবং ‘বার্‌রাহ’ নামকে যাইনাব, জুওয়াইরিয়াহ্‌ ও অনুরূপ নামে পরিবর্তন করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
জয়নাব (রাঃ) এর আসল নাম ছিল ‘বাররাহ’। তাই বলা হল, তিনি আত্মশুদ্ধি করেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর নামকরণ করলেন ‘জয়নাব’। ইবনু বাশার ছাড়া উপরোল্লিখিত রাবীদের বর্ণিত হাদিসের হুবহু শব্দ বর্ণিত হয়েছে। তবে ইবনু আবী শাইবাহ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ এর স্থলে عَنْ شُعْبَةَ বলেছেন।