৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৪১
কুকুরের পানীয় পাত্র সম্পর্কে বিধান পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্ (রহঃ)
উক্ত সানাদে অবিকল বর্ণিত আছে। তবে ইয়াহিয়া ইবনু সাঈদ-এর বর্ণনায় একটু অতিরিক্ত আছে। তা হল, “তিনি বকরী পাহারা দেওয়ার, শিকার করার এবং চাষাবাদ করার কুকুর রাখার অনুমতি দিয়েছেন।” ইয়াহিয়া ছাড়া আর কারো বর্ণনায় চাষাবাদের কথা উল্লেখ নেই।
৫৪২
স্থির পানিতে প্রস্রাব করা নিষেধ করা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জমা পানিতে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন।
৫৪৩
স্থির পানিতে প্রস্রাব করা নিষেধ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ যেন জমা পানিতে প্রস্রাব করে, তারপর তা দিয়ে যেন গোসল না করে।
৫৪৪
স্থির পানিতে প্রস্রাব করা নিষেধ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, “তুমি এমনটি করো না যে, চলন্ত নয় এমন জমা পানিতে প্রস্রাব করবে তারপর আবার তা থেকে গোসল করবে।”
৫৪৫
(নাপাক অবস্থায়) জমা পানিতে গোসল করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ নাপাক অবস্থায় যেন জমা পানিতে গোসল না করে। তখন আবু সাইব জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু হুরায়রা! তাহলে সে কিভাবে গোসল করবে? জবাবে আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, পানি উঠিয়ে নিয়ে গোসল করবে।
৫৪৬
মসজিদে প্রস্রাব এবং অন্যান্য নাপাকী পড়লে তা ধুয়ে ফেলা জরুরী। আর পানি দ্বারাই মাটি পবিত্র হয়, কুঁড়ে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
(তিনি বলেছেন) এক বেদুঈন এসে মসজিদের মধ্যে প্রস্রাব করতে শুরু করল। উপস্থিত লোকদের মধ্যে কেউ কেউ তাকে বাধা দিতে দাঁড়ালে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ থামো, তাকে প্রস্রাব করতে বাধা দিও না। আনাস (রাঃ) বলেন, লোকটির প্রস্রাব করা শেষ হলে নবী (ﷺ) এক বালতি পানি আনিয়ে তার প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন।
৫৪৭
মসজিদে প্রস্রাব এবং অন্যান্য নাপাকী পড়লে তা ধুয়ে ফেলা জরুরী। আর পানি দ্বারাই মাটি পবিত্র হয়, কুঁড়ে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
একদা জনৈক বেদুঈন এসে মসজিদের এক কোণে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে থাকলে লোকজন চিৎকার করে তাকে বিরত রাখার চেষ্টা করল। তা দেখে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “থাম, তাকে বাধা দিও না।” তার প্রস্রাব করা শেষ হলে রসূলুল্লাহ (ﷺ) এক বালতি পানি আনতে আদেশ দিলেন এবং প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন।
৫৪৮
মসজিদে প্রস্রাব এবং অন্যান্য নাপাকী পড়লে তা ধুয়ে ফেলা জরুরী। আর পানি দ্বারাই মাটি পবিত্র হয়, কুঁড়ে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না। পরিচ্ছেদ নাই
ইসহাকের চাচা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে মসজিদে বসে ছিলাম। এ সময় হঠাৎ এক বেদুঈন এসে মসজিদের মধ্যে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে লাগল, তা দেখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবীগণ ‘থামো থামো’ বলে তাকে প্রস্রাব করতে বাধা দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা তাকে বাধা দিও না, বরং তাকে ছেড়ে দাও।লোকেরা তাকে ছেড়ে দিল, সে প্রস্রাব সেরে নিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে কাছে ডেকে বললেনঃ এটা হলো মসজিদ। এখানে প্রস্রাব করা কিংবা ময়লা আবর্জনা ফেলা যায় না। বরং এ হল আল্লাহর যিকর করা, সালাত আদায় করা এবং কুরআন পাঠ করার স্থান। অথবা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কথাটা যেভাবে বলেছেন তাই।আনাস (রাঃ) বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সবার মধ্য থেকে এক ব্যক্তিকে এক বালতি পানি আনতে আদেশ করলেন। সে এক বালতি পানি আনলে তিনি তা প্রস্রাবের ওপর ঢেলে দিলেন।
৫৪৯
দুগ্ধ পোষ্য শিশুর প্রস্রাবের হুকুম এবং তা ধোয়ার পদ্ধতি পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রা.)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে শিশুদেরকে আনা হতো। তিনি তাদের জন্য বরকত ও কল্যাণের দোয়া করতেন এবং তাহনীক (কিছু চিবিয়ে মুখে ঢুকিয়ে দিতেন) করতেন। একদিন একটি শিশুকে আনা হল, শিশুটি তাঁর কোলে প্রস্রাব করে দিল, পরে তিনি পানি চেয়ে নিলেন এবং প্রস্রাবের উপর পানির ছিটা দিলেন, আর তা ধুলেন না।
৫৫০
দুগ্ধ পোষ্য শিশুর প্রস্রাবের হুকুম এবং তা ধোয়ার পদ্ধতি পরিচ্ছেদ নাই
‘আয়িশাহ্ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে একবার একটি শিশুকে আনা হল। শিশুটি তাঁর কোলে প্রস্রাব করে দিল। তারপর তিনি পানি আনিয়ে প্রস্রাবের উপর (ছিটা) ঢেলে দিলেন।