৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫২১
পাগড়ী ও কপালে মাসাহ করা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্ (রা.)
(এক সফরে) রসূলুল্লাহ (ﷺ) পিছে রয়ে গেলেন। আমিও তাঁর সাথে পিছনে পড়লাম। তিনি হাজত পূরণ করে বললেন, “তোমার সাথে কি পানি আছে?” আমি একটি পানির পাত্র নিয়ে এলাম। তিনি উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত এবং মুখমণ্ডল ধুলেন, তারপর উভয় বাহু বের করতে চাইলেন; কিন্তু জুব্বার আস্তিনে আটকে গেল। এতে জুব্বার নিচ থেকে তিনি হাত বের করলেন এবং জুব্বাকে কাঁধের উপর রেখে দিলেন। উভয় হাত তিনি ধুলেন, মাথার সম্মুখভাগ এবং পাগড়ি ও উভয় মোজার উপর মাসাহ করলেন। তারপর তিনি সওয়ার হলেন এবং আমিও সওয়ার হলাম।আমরা যখন আমাদের জাতির কাছে পৌঁছলাম তখন তারা সালাত আদায় করছিল। আবদুর রহমান বিন আউফ (রাঃ) তাদের সালাতে ইমামতি করছিলেন। তিনি তাদেরকে নিয়ে এক রাকাত পড়ে ফেলেছিলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আগমন টের পেয়ে তিনি পিছিয়ে আসছিলেন; কিন্তু রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে (সেখানে থাকতে) ইশারা করলেন। এতে তিনি (আবদুর রহমান বিন আউফ) তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি যখন সালাম ফিরালেন রসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন দাঁড়িয়ে গেলেন এবং আমিও দাঁড়িয়ে গেলাম। তারপর আমাদের থেকে যে রাকাত ছুটে গিয়েছিল তা পূর্ণ করলাম।
৫২২
পাগড়ী ও কপালে মাসাহ করা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উভয় মোজার উপর এবং মাথার সম্মুখভাগ ও পাগড়ির উপর মাসাহ করেন।
৫২৩
পাগড়ী ও কপালে মাসাহ করা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
৫২৪
পাগড়ী ও কপালে মাসাহ করা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্ (রা.)
রাবী বকর ইবনু আবদুল্লাহ বলেন, আমি মুগীরা (রাঃ)-এর পুত্র থেকে শুনেছি সে তার পিতা থেকে যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা ওজু করলেন। মাথার সম্মুখভাগ এবং পাগড়ি ও উভয় মোজার উপর মাসাহ করলেন।
৫২৫
পাগড়ী ও কপালে মাসাহ করা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
বিলাল (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উভয় মোজার ও পাগড়ির উপর মাসাহ করেছেন....। এই হাদীসটি সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... একই সূত্রে আ‘মাশ হতে হাদীসটি বর্ণনা করেন। এই হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে (এরূপ করতে ) দেখেছি...।
৫২৬
মোজার উপর মাসাহ করার সময় সীমা পরিচ্ছেদ নাই
শুরায়হ ইবনু হানী (রহঃ)
আমি আয়েশা (রাঃ) এর কাছে আসলাম, মোজার উপর মাসাহ করার মাসআলা জিজ্ঞেস করতে। তিনি বললেন, আবূ তালিবের পুত্র [আলি (রাঃ)] এর কাছে গিয়ে এ মাসআলা জিজ্ঞেস কর। কারণ সে রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সফর করত। অতঃপর আমরা তাঁকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন; রসূলুল্লাহ (ﷺ) সফরকারীর জন্যে তিন দিন তিন রাত নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন এবং বাড়ীতে অবস্থানকারীদের জন্যে এক দিন এক রাত। এ হাদীসের সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) যখন তাঁর উস্তায আমর-এর উল্লেখ করতেন তখন তাঁর প্রশংসা করতেন।
৫২৭
মোজার উপর মাসাহ করার সময় সীমা পরিচ্ছেদ নাই
হাকাম (রহঃ)
একই সূত্রে অবিকল হাদিস বর্ণিত আছে।
৫২৮
মোজার উপর মাসাহ করার সময় সীমা পরিচ্ছেদ নাই
শুরায়হ ইবনু হানী (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে মোজার উপর মাসাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আলীর কাছে যাও। কারণ এ ব্যাপারে সে আমার থেকে বেশি জানে। আমি আলী (রাঃ)-এর কাছে এলাম। তিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে অনুরূপ উল্লেখ করলেন।
৫২৯
এক ওযুতে সব সলাত আদায় করা জায়িয হবার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মদ বিন ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ তার পিতা বুরাইদাহ
মক্কা বিজয়ের দিন নবী (ﷺ) একই ওজুর দ্বারা কয়েক ওয়াক্ত সালাত পড়েছেন এবং মোজার উপর মাসাহ করেছেন। তা দেখে উমর (রাঃ) বললেন, আপনি আজ এমন কিছু করলেন যা কখনো করেননি। জবাবে নবী (ﷺ) বললেনঃ হে উমর! আমি ইচ্ছা করেই এরূপ করেছি।
৫৩০
যার হাতে নাপাকীর সন্দেহ রয়েছে তার জন্যে তিনবার হাত ধোয়ার পূর্বে পাত্রের মধ্যে হাত ডুবিয়ে দেয়া মাকরূহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রা.)
নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ যখন ঘুম থেকে উঠবে তখন সে যেন তিনবার হাত না ধোয়া পর্যন্ত পাত্রে না ডুবায়। কারণ সে জানে না যে, তার হাত রাতে কোথায় ছিল।