৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫২৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫২৮১
নারী পুরুষ সবার জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যের বাসনে পান করা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহার করা হারাম হওয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু সালামাহ্ (রা:)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে লোক স্বর্ণ বা রৌপ্য দ্বারা নির্মিত বাসনে পান করে সে শুধু তার পেটে জাহান্নামের অগ্নি প্রবেশ করায়।
৫২৮২
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
মু’আবিয়াহ্ ইবনু সুওয়াইদ ইবনু মুকার্রিন (রহঃ)
আমি বারা ইবনু আজিব (রাঃ)-এর নিকটে গমন করেছিলাম। সে সময় আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সাতটি জিনিসের ব্যাপারে আদেশ করেছেন এবং সাতটি জিনিস হতে বারণ করেছেন। তিনি আমাদেরকে অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজখবর নেয়া, জানাযায় শরীক হওয়া, হাঁচি-দাতার উত্তর দেয়া, শপথ পূরণ করা কিংবা বলেছেন শপথকারীর শপথ পূরণ করা, নির্যাতিতের সাহায্য করা, দাওয়াতকারীর ডাকে (দাওয়াতে) সাড়া দেয়া এবং সালামের প্রসার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি আমাদেরকে সোনার আংটি পরিধান করা, রূপার বাসনে পান করা, মায়াসির (এক প্রকার তুলতুলে রেশমী কাপড়) ও কাস্সী (রেশম সংমিশ্রিত এক প্রকার মিসরী কাপড়) পরিধান করা ও মিহি রেশমী কাপড়, মোটা রেশমী কাপড় ও খাঁটি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে বারণ করেছেন।
৫২৮৩
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আশ্’আস ইবনু সুলায়ম (রহঃ)
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। শুধু শপথ বা শপথকারীর শপথ পূরণ করার কথাটি ব্যতীত। তিনি তাঁর হাদিসে এ কথাটি উল্লেখ করেননি। এর স্থানে তিনি ‘হারানো জিনিস পেয়ে বিজ্ঞাপন’ দেওয়ার কথা বর্ণনা করেছেন।
৫২৮৪
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আশ্’আস ইবনু আবূ শা’সা (রহঃ)
উল্লেখিত সনদে যুহাইর (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি সন্দেহ ছাড়াই কসম পূর্ণ করার কথা উল্লেখ করেছেন। আর তিনি তাঁর হাদীসে বাড়তি বলেছেন যে, তিনি রূপার বাসনে পান করতে বারণ করেছেন। কারণ পার্থিব জীবনে যারা এতে পান করে পরকালে এতে তারা পান করতে সক্ষম হবে না।
৫২৮৫
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আশ'আসা ইবনু শা’সা (রহঃ)
উপরোক্ত সানাদে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে রাবি ইবনু ইদরিস (রহঃ) জারীর ও ইবনু মুসহির (রহঃ)-এর অতিরিক্ত অংশ বর্ণনা করেননি। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বসার, উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আজ, ইসহাক ইবনু ইব্রাহিম ও আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) আশআস ইবনু সুলাইম (রহঃ) হতে তাঁদের সূত্রে তাঁদের হাদিসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে রাবি শু’বা (রহঃ) ‘সালামের প্রসার করার’ কথাটি বর্ণনা করেননি, এর বিপরীতে তিনি সালামের জবাব দেয়ার কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন, আমাদেরকে সোনার আংটি অথবা সোনার রিং ব্যবহার করতে তিনি বারণ করেছেন।
৫২৮৬
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আশ’আসা ইবনু আবূ শা’সা (রহঃ)
উল্লেখিত সূত্রে হাদিসটি বর্ণিত আছে। তিনিও (সুফিয়ান) সালামের প্রসারের কথা এবং সন্দেহ ব্যতীতই স্বর্ণের আংটির কথা বর্ণনা করেছেন।
৫২৮৭
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উকায়ম (রহঃ)
আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সাথে মাদাইন-এ ছিলাম। হুযাইফা (রাঃ) পানি পান করতে ইচ্ছা করলে গ্রাম্য এক পন্ডিত তাঁর কাছে রূপার বাসনে পানি নিয়ে আসল। তিনি তা ফেলে দিয়ে বললেন, আমি তোমাদেরকে (এটি ফেলে দেয়ার কারণ) অবগত করছি। তাকে আমি বারণ করেছিলাম, সে যেন এর মধ্যে আমাকে পানি পান না করায়। কারণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সোনা ও রূপার বাসনে পান করবে না এবং মোটা রেশমি কাপড় ও মিহি রেশমি কাপড় ব্যবহার করবে না। কারণ দুনিয়াতে এগুলো কাফিরদের জন্য, আর কেয়ামতের দিনে এগুলো তোমাদের জন্য হবে।
৫২৮৮
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবু ফারওয়াহ
আমি আব্দুল্লাহ ইবন উকাইম (রহঃ) কে বলতে শুনেছি যে, আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে মাদায়িনে ছিলাম। অতঃপর রাবী উল্লেখিত বর্ণনার হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তিনি তাঁর হাদীসে ‘কেয়ামতের দিবসে’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
৫২৮৯
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উকায়ম (রহঃ)
আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে মাদায়িনে ছিলাম। অতঃপর রাবী উল্লেখিত বর্ণনার হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তিনি ‘কেয়ামত দিবসে’ কথাটি বর্ণনা করেননি।
৫২৯০
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ)
আমি মাদায়িনে হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি পানি পান করতে ইচ্ছা করলে জনৈক লোক রূপার বাসনে পানি নিয়ে আসলো। অতঃপর রাবী হুযাইফা (রাঃ)-এর সানাদে ইবন উকাইম (রহঃ)-এর হাদিসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদিস বর্ণনা করেছেন।