৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৩১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৩০১
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু আবূ ইসহাক্‌ (রা:)
সালিম ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আমাকে বললেন, ‘ইস্তাবরাক’ কি? আমি বললাম, মোটা ও খসখসে রেশমি বস্ত্র। তিনি বললেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, উমর (রাঃ) জনৈক লোকের নিকট ইস্তাবরাকের প্রস্তুত হুল্লা লক্ষ্য করে সেটি নবী (ﷺ)-এর নিকট নিয়ে এলেন।অতঃপর রাবী ইয়াহিয়া (রহঃ) উপরোল্লিখিত রাবীগণের অবিকল বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমি এটি তোমার নিকট শুধু এ জন্য পাঠিয়েছি যে, তুমি এর মাধ্যমে কিছু সম্পদ জোগাড় করতে পারবে।
৫৩০২
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আস্‌মা বিনতু আবূ বাক্‌র (রা:) এর মুক্ত দাস আবদুল্লাহ (রহঃ) [তিনি আতা (রহঃ)
আসমা (রাঃ) আমাকে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-এর কাছে এ বলে প্রেরণ করলেন যে, আমি অবগত হয়েছি তুমি নাকি তিনটি বস্তুকে নিষিদ্ধ মনে করো: কাপড়ে (রেশমের) নকশা, গাঢ় লাল রঙের মীসারাহ (এক জাতীয় রেশমী বস্ত্র) ও রজবের গোটা মাস সাওম পালন করা।সে সময় আবদুল্লাহ (রাঃ) আমায় বলেন, “আপনি যে রজব মাসের সাওম হারামের কথা বললেন, এটা ঐ লোকের ক্ষেত্রে কিভাবে সম্ভব যিনি সবসময় সাওম পালন করেন? আর আপনি যে বস্ত্রের (রেশমের) ডিজাইনের কথা বললেন, এ সম্পর্কে আমি উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, ‘আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, রেশমী কাপড় কেবল সে ব্যক্তিই পরবে (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই’। তাই আমার সন্দেহ হল নকশাও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আর গাঢ় লাল রঙের মীসারাহ সে তো আবদুল্লাহরই মীসারাহ। লক্ষ্য করলাম, আসলেই সেটি গাঢ় লাল রঙের।”অতঃপর আমি আসমা (রাঃ)-এর কাছে ফিরে গেলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে সংবাদ দিলাম। তখন তিনি বললেন, “এটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জুব্বা।” এ বলে তিনি কিসরাওয়ানী (ইরানী সম্রাট কিসরার প্রতি সম্পর্কীয়) সবুজ রঙের একটি জুব্বা বের করলেন যার পকেটটি ছিল খাঁটি রেশমের প্রস্তুত এবং এর (হাতার) ছিদ্রদ্বয় ছিল খাঁটি রেশমের টুকরা দিয়ে ঢাকা। তিনি বললেন, “এটি আয়িশার মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর নিকটেই ছিল। তাঁর ওফাতের পর আমি এটি নিয়েছি। নবী (ﷺ) এটি ব্যবহার করতেন। তাই আমরা অসুস্থদের আরোগ্য লাভের জন্য এটি ধৌত করি এবং তাদেরকে সে পানি পান করিয়ে থাকি।”
৫৩০৩
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
খলীফা ইবনু কা’ব আবূ যুব্‌য়্যান (রহঃ)
আমি আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে খুতবায় এ কথা বলতে শুনেছি যে, হুশিয়ার! তোমরা তোমাদের মহিলাদের রেশমী বস্ত্র পরাবে না। কেননা আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা রেশমী কাপড় পরিধান করো না। কারণ পৃথিবীতে যে লোক তা পরিধান করবে, আখিরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না।
৫৩০৪
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ উসমান (রহঃ)
আমরা আজারবাইজান ছিলাম। এ সময় উমর (রাঃ) আমাদের দলনেতার কাছে চিঠি লিখলেন, “হে উতবাহ ইবন ফারকাদ! এ ধন-সম্পদ তোমার কষ্টার্জিত নয়, তোমার বাবা-মায়েরও কষ্টার্জিত নয়। তাই তুমি যেরূপে নিজ বাড়িতে পেটপুরে ভক্ষণ করো, তেমনিভাবে মুসলিমদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে তাদেরকেও পেটপুরে ভক্ষণ করাও। আর সাবধান, মুশরিকদের ভোগ-বিলাস বেশভূষণ এবং রেশমি কাপড় পরিধান করা থেকে বিরত থাকবে। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রেশমি কাপড় পরতে বারণ করেছেন। তবে এ পরিমাণ বৈধ রয়েছে।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুলদ্বয় একসাথে আমাদের সম্মুখে তুলে ধরলেন।
৫৩০৫
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আসিম (রহঃ)
উপরোল্লিখিত সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে রেশমি বস্ত্র সম্পর্কে হুবহু বর্ণনা করেছেন।
৫৩০৬
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ উসমান (রা:)
আমরা উতবা ইবন ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমর (রাঃ) এর চিঠি আসল। উক্ত চিঠিতে ছিল যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রেশমি বস্ত্র শুধু সে ব্যক্তিই পরবে, আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। তবে এ পরিমাণ বৈধ রয়েছে।আবু উসমান (রহঃ) তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুল সংলগ্ন দুইটি আঙুল দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। আমি সে দুইটিতে তায়ালিসার বোতাম লক্ষ্য করলাম। এমনকি আমি তায়ালিসাও (সবুজ রং এর চাদর) দেখলাম।
৫৩০৭
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ উসমান (রহঃ)
আমরা উতবা ইবন ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। রাবী পরের অংশ জারিরের হাদিসের হুবহু বর্ণনা করেন।
৫৩০৮
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ উসমান (রহঃ)
আমরা উতবা ইবন ফারকাদ (রাঃ) এর সঙ্গে আজারবাইজান কিংবা সিরিয়ায় ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমর (রাঃ) এর কাছ থেকে এ মর্মে একটি চিঠি এলো যে, আম্মা বাদু, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রেশমি বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন, তবে দুই আঙ্গুল পরিমাণ বৈধ হবে। আবু উসমান (রহঃ) বলেন, আমাদের বুঝতে দেরি হলো না যে, তিনি (এ দ্বারা) নকশি ও নকশার দিকে ইশারা করছেন।
৫৩০৯
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্ (রহঃ)
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল বর্ণিত আছে। কিন্তু তিনি আবু উসমান (রহঃ) এর কথাটি বর্ণনা করেননি।
৫৩১০
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ্‌ (রহঃ)
(একদা) উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) জাবিয়া নামক জায়গার বক্তব্য প্রদানকালে বললেন, আল্লাহর নবী (ﷺ) রেশমি কাপড় পরতে বারণ করেছেন। কিন্তু যদি দুই আঙ্গুল বা তিন আঙ্গুল বা চার আঙ্গুল পরিমাণ হয় (তাহলে বৈধ হবে)।