৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৩০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫২৯১
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ
মু’আয (রহঃ)-এর হাদিস ও সানাদের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু শুধু মু’আয (রহঃ) ব্যতীত তাঁদের মাঝে অপর কেউ তাঁর হাদিসে ‘আমি হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলাম’ কথাটি বর্ণনা করেননি। তাঁরা শুধু বলেছেন, হুযাইফা (রাঃ) পানি পান করতে চাইলেন।
৫২৯২
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্ (রা:)
নবী (ﷺ) হতে উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক বর্ণিত রয়েছে।
৫২৯৩
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ)
হুযাইফা (রাঃ) পানি পান করার ইচ্ছা করলে এক অগ্নিপূজারী একটি রূপার বাসনে তাঁকে পানি পান করতে দিল। সে সময় তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা পাতলা রেশমী বস্ত্র ও মোটা রেশমী বস্ত্র ব্যবহার করবে না, সোনা ও রূপার বাসনে পান করবে না এবং সোনা রূপার থালায় খাবেও না। কেননা পৃথিবীতে এগুলো তাদের (কাফিরদের) জন্য।
৫২৯৪
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রা:)
একদিন উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) মসজিদের ফটকের পাশে লাল রঙের ‘হুল্লা’ (রেশম মিশ্রিত চাদর) দেখে বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! আপনি যদি এটি ক্রয় করে জুমু’আর দিন এবং যখন কোনো নেতৃস্থানীয় দল আপনার কাছে আসে তখন ব্যবহার করতেন (তবে কতই না উত্তম হতো)।” সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “এটি সে লোকই পরিধান করবে আখিরাতে যার সামান্য অংশও নেই।”অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে এ রকম কয়েকটি হুল্লা আসলে তিনি সেগুলো থেকে একটি হুল্লা উমর (রাঃ)-কে দিলেন। উমর (রাঃ) বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! আপনি এটি অধমকে পরতে দিলেন? অথচ আপনিই উতারিদ-এর (এক ব্যক্তি) হুল্লা সম্বন্ধে কত কিছু বলেছেন?” তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “আমি এটি তোমাকে ব্যবহার করতে দেইনি।” অতঃপর উমর (রাঃ) সেটি তাঁর মক্কার এক মুশরিক ভাইকে পরিধান করতে দিলেন।
৫২৯৫
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রা:)
নবী (ﷺ) হতে মালিক (রাঃ) এর হুবহু হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৫২৯৬
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রা:)
(একবার) উমর (রাঃ) উতারিদ তামীমীকে বাজারে লাল রঙের হুল্লা বিক্রি করতে লক্ষ্য করলেন। ব্যক্তিটি রাজা বাদশাহদের কাছে যেত এবং তাদের নিকট হতে প্রচুর অর্থ উপার্জন করত। উমর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি উতারিদকে বাজারে লাল রঙের হুল্লা বেচতে দেখলাম। যদি আপনি এটি ক্রয় করতেন আর আরবের কোন নেতৃস্থানীয় দল আপনার কাছে আগমনকালে পরতেন! আমার ধারণা হয় তিনি আরো বলেছেন, ‘এবং জুমআর দিবসেও পরতেন, তবে কতই না ভাল হতো’!সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেনঃ রেশমী কাপড় সে ব্যক্তিই পৃথিবীতে পরবে, আখিরাতে যার কোনো অংশ নেই। এর একদিন পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট কিছু লাল রঙের হুল্লা আসলে তিনি তার একটি উমর (রাঃ)-এর নিকট, একটি উসামা ইবন যায়দ (রাঃ)-এর নিকট প্রেরণ করলেন। আলী ইবন আবু তালিব (রাঃ)-কেও তিনি একটি হুল্লা দিয়ে বললেন, এটি ছিঁড়ে ওড়না তৈরি করে তোমরা মহিলাদের মধ্যে বিতরণ করে দাও।ইবন উমর (রাঃ) বলেন, অতঃপর উমর (রাঃ) তাঁর হুল্লাটি নিয়ে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটি আপনি আমার নিকট পাঠিয়ে দিলেন অথচ গতকাল উতারিদ-এর হুল্লা সম্বন্ধে আপনি কত কিছু বলেছিলেন? তিনি বললেন, ব্যবহার করার জন্য সেটি আমি তোমার নিকট প্রেরণ করিনি বরং আমি সেটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যেন তুমি এটি বিক্রি করে লাভবান হতে পারো।অপরদিকে উসামা (রাঃ) বিকাল বেলা তাঁর হুল্লাটি পরিধান করে বের হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর দিকে এমনভাবে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন যে, তিনি অনুধাবন করলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার এহেন কর্মকে পছন্দ করেননি। সে সময় তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার দিকে তাকিয়ে আছেন কেন? আপনিই তো এটি আমার কাছে প্রেরণ করেছেন। তিনি বললেন, আমি তোমার নিকট এজন্য প্রেরণ করিনি যে, তুমি এটি ব্যবহার করবে এবং এজন্য এটি পাঠিয়েছি যে, তুমি এটি ছিঁড়ে ওড়না তৈরি করে তোমাদের মহিলাদেরকে দিবে।
৫২৯৭
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদিন বাজারে মোটা রেশমের তৈরি একটি হুল্লা বিক্রি করতে দেখে তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে নিয়ে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এটি ক্রয় করুন। তাহলে ঈদের দিন ও প্রতিনিধি দল আসলে এটির মাধ্যমে আপনি সুসজ্জিত হতে পারবেন।” সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “এটি কেবল সে লোকেরই বস্ত্র, যার (পরকালে) কোন অংশ নেই।”ইবন উমর (রাঃ) বলেন, অতঃপর উমর (রাঃ) আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী কিছু সময় পার করলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর নিকট একটি খাঁটি রেশমের আলখাল্লা প্রেরণ করলেন। উমর (রাঃ) তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট নিয়ে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! এটি ওই লোকেরই বস্ত্র (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই, পুনরায় আপনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন?” সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেনঃ “(আমি এজন্যে পাঠিয়েছি) যেন তুমি এটা বিক্রি করে আপন প্রয়োজন সারতে পারো।”
৫২৯৮
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
উপরোক্ত সনদে অবিকল বর্ণিত হয়েছে।
৫২৯৯
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু উমার (রা:)
উমর (রাঃ) উতরিদ পরিবারের এক লোকের কাছে একটি রেশমী ক্বাবা (বড় জামা) দেখতে পেয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বললেন, আপনি যদি এটা ক্রয় করতেন। সে সময় তিনি বললেন, এটি শুধু সে লোকই পরিধান করবে (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই।অতঃপর লাল রঙের একটি কুর্তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে উপঢৌকন প্রেরণ করা হলে তিনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন। উমর (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি এটি আমার নিকট পাঠালেন কেন? অথচ এ ধরনের বস্ত্র সম্পর্কে আপনার কথা আমার কর্ণপাত হয়েছে। তিনি বললেনঃ আমি কেবল এজন্যে এটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যাতে তুমি এর মাধ্যমে (বিক্রি করে) উপকার হাসিল করতে পারো।
৫৩০০
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু উমার (রা:)
উমর (রাঃ) উতারিদ পরিবারের এক লোকের নিকট (একটি কাবা) লক্ষ্য করলেন। অতঃপর রাবী ইয়াহিয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর হাদিসের অবিকল বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বর্ণনা করেছেন, “আমি এটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যাতে তুমি এর মাধ্যমে উপকার লাভ করতে পারো। পরিধান করার জন্য এটি তোমার নিকট পাঠাইনি।”